০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জলবায়ু অর্থায়নের বড় অঙ্কে গ্রামীণ নারীর হিসাব কোথায়? নেপালের আবহাওয়া বিপর্যয়: ‘স্বাভাবিক’ বৃষ্টির হিসাব কেন ভয়ংকর বিভ্রান্তি তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা, এআই সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা—আলোচনায় সাত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পুরোনো দিনের রেশ মুছে আবারও ফ্যাশনের কেন্দ্রে রেশমি স্কার্ফ গ্রীষ্মজুড়ে নজর কেড়েছে রঙিন গ্রাফিক টি-শার্ট, বদলে গেছে ফ্যাশনের ধারা টোকিওর বসন্ত ২০২৭: ইয়োশিওকুবোর পোশাকে নতুন জাপানি নান্দনিকতার ছোঁয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত সফর নিয়ে কী ঘটেছিল, প্রকাশ করলে অবাক হবেন: তামিম আওয়ামী লীগকে সংসদ নির্বাচন থেকে ‘মাইনাস’ করার অভিযোগ আইপিইউতে ‘স্বাস্থ্যকর’ ভাবা জাইলিটলেই হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি? গবেষণায় মিলল উদ্বেগজনক তথ্য ভোটেকোশি আকস্মিক বন্যায় মৃত ৯০৩, নিখোঁজ ৪,২৪৭; উদ্ধার ১০,৫৪১

আন্তর্জাতিক আদালত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নতুন বার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি আদালত যেন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান, নিজস্ব বিচারব্যবস্থা ও জাতীয় সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে না পারে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত নিয়ে আপত্তি

যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে এমন কোনো আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার বিরোধিতা করে আসছে, যা দেশটির নাগরিক, সামরিক সদস্য বা সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিজস্ব অনুমতি ছাড়া বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, জাতীয় বিচারব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে কোনো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।

ওয়াশিংটনের যুক্তি, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কার্যক্রম ধীরে ধীরে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে সামরিক অভিযান ও নিরাপত্তা কার্যক্রম নিয়ে আদালতের পদক্ষেপকে তারা নিজেদের সার্বভৌম অধিকারের ওপর চাপ হিসেবে দেখছে।

The International Criminal Court - ICC was created in 1998 to bring  perpetrators of genocide, war crimes, crimes against humanity, and crimes  of aggression to justice—beyond borders. ICC - a milestone in

যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো অবস্থান আরও কঠোর

যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক ধারার মধ্যেই অতীতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। দেশটির নীতিনির্ধারকদের একটি অংশ মনে করে, দূরের কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান যেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে না পারে।

এই অবস্থানের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকেই এমন আইন ও নীতি গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে নিজেদের নাগরিকদের সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক আদালতের বিরুদ্ধে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ

, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আরও সক্রিয় অবস্থান নিয়েছে। দেশটির বক্তব্য, নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার কারণে কোনো মার্কিন কর্মকর্তা বা সদস্য যেন আন্তর্জাতিক আইনি চাপের মুখে না পড়েন।

যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিস্তৃত ক্ষমতার দাবি রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করতে পারে। এ কারণে আদালটির প্রভাব কমানোর জন্য কূটনৈতিকভাবে কাজ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

The danger of Trump's new sanctions on the International Criminal Court and  human rights defenders | Brookings

সার্বভৌমত্ব বনাম বৈশ্বিক বিচারব্যবস্থা

সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, এই বিতর্কের মূল বিষয় হলো একটি দেশের নিজস্ব আইন ও সিদ্ধান্তের ওপর আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কতটা ক্ষমতা থাকা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা তাদের প্রধান দায়িত্ব।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সমর্থকেরা মনে করেন, গুরুতর অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এমন কোনো কাঠামো গ্রহণ করা হবে না যা দেশের নিজস্ব বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রভাব

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে। এই অবস্থান ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পর্কেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

 

 

জলবায়ু অর্থায়নের বড় অঙ্কে গ্রামীণ নারীর হিসাব কোথায়?

আন্তর্জাতিক আদালত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নতুন বার্তা

১২:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি আদালত যেন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান, নিজস্ব বিচারব্যবস্থা ও জাতীয় সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে না পারে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত নিয়ে আপত্তি

যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে এমন কোনো আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার বিরোধিতা করে আসছে, যা দেশটির নাগরিক, সামরিক সদস্য বা সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিজস্ব অনুমতি ছাড়া বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, জাতীয় বিচারব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে কোনো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।

ওয়াশিংটনের যুক্তি, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কার্যক্রম ধীরে ধীরে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে সামরিক অভিযান ও নিরাপত্তা কার্যক্রম নিয়ে আদালতের পদক্ষেপকে তারা নিজেদের সার্বভৌম অধিকারের ওপর চাপ হিসেবে দেখছে।

The International Criminal Court - ICC was created in 1998 to bring  perpetrators of genocide, war crimes, crimes against humanity, and crimes  of aggression to justice—beyond borders. ICC - a milestone in

যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো অবস্থান আরও কঠোর

যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক ধারার মধ্যেই অতীতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। দেশটির নীতিনির্ধারকদের একটি অংশ মনে করে, দূরের কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান যেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে না পারে।

এই অবস্থানের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকেই এমন আইন ও নীতি গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে নিজেদের নাগরিকদের সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক আদালতের বিরুদ্ধে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ

, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আরও সক্রিয় অবস্থান নিয়েছে। দেশটির বক্তব্য, নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার কারণে কোনো মার্কিন কর্মকর্তা বা সদস্য যেন আন্তর্জাতিক আইনি চাপের মুখে না পড়েন।

যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিস্তৃত ক্ষমতার দাবি রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করতে পারে। এ কারণে আদালটির প্রভাব কমানোর জন্য কূটনৈতিকভাবে কাজ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

The danger of Trump's new sanctions on the International Criminal Court and  human rights defenders | Brookings

সার্বভৌমত্ব বনাম বৈশ্বিক বিচারব্যবস্থা

সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, এই বিতর্কের মূল বিষয় হলো একটি দেশের নিজস্ব আইন ও সিদ্ধান্তের ওপর আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কতটা ক্ষমতা থাকা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা তাদের প্রধান দায়িত্ব।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সমর্থকেরা মনে করেন, গুরুতর অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এমন কোনো কাঠামো গ্রহণ করা হবে না যা দেশের নিজস্ব বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রভাব

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে। এই অবস্থান ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পর্কেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।