১০:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৈশ্বিক বাণিজ্যের বড় পুনর্বিন্যাস আসছে, খরচ দেবে কে? হরমুজ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্যে সিরিয়ার নতুন সুযোগ—সুযোগ নাকি নতুন ফাঁদ? হলিউডের মোহ, লস অ্যাঞ্জেলেসের রোদ আর কুতুরের জাদুতে ডিওর ক্রুজ ২০২৭ মসলাদার গরুর মাংসের টাকো বাটি যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ড্রোন ব্যবহারের পথ খুলল চীন, বদলাল প্রতিরক্ষা আইন বাংলাদেশের লাওয়াছড়ায় বনে ছেড়ে দেওয়া ৯ ধীরলোরির ৭টিই মারা গেল ঘরে দুই শিশুর নিথর দেহ, পাশে বাবার মরদেহ—যশোরে হৃদয়বিদারক ঘটনা নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে দেশজুড়ে সব এফআইআর বাতিল সুপ্রিম কোর্টের বৃদ্ধার চোখে বিজয়ের দামি চশমা, মানবিকতায় মুগ্ধ তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর ভক্ত নেপালের ভয়াবহ বন্যায় জলবায়ু সংকটের দায় এড়াচ্ছে পশ্চিমা গণমাধ্যম?

ব্রাজিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ বাংলাদেশি, মানব পাচার চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগ

ব্রাজিল থেকে এক বাংলাদেশি নাগরিককে মানব পাচার চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক তদন্তের পর তাকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয় এবং সেখানে আদালতে হাজির করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনগতভাবে নির্দোষ বলে বিবেচিত হবেন।

আন্তর্জাতিক তদন্তের পর প্রত্যর্পণ

অভিযুক্ত সাইফুল্লাহ আল-মামুন (৩৯) গত ৮ জুলাই ব্রাজিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ হন। পরে টেক্সাসের লারেডোতে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক তদন্তের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কী অভিযোগ আনা হয়েছে

286 arrested in global human trafficking and migrant smuggling operation

অভিযোগে বলা হয়েছে, সাইফুল্লাহ আল-মামুন একটি আন্তমহাদেশীয় মানব পাচার চক্রের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। এই চক্রের মাধ্যমে মূলত বাংলাদেশ থেকে অভিবাসীদের দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন দেশ হয়ে মেক্সিকো পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হতো। এরপর রিও গ্রান্ডে নদী পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করা হতো।

তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সহায়তা, অর্থের বিনিময়ে অভিবাসী পাচার এবং এ সংক্রান্ত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।

কীভাবে পরিচালিত হতো চক্র

তদন্তে অভিযোগ করা হয়েছে, বাংলাদেশে পাচারকারীদের বিপুল অর্থ দেওয়ার পর অভিবাসীদের যাত্রা শুরু হতো। সাইফুল্লাহ আল-মামুন ব্রাজিলের সাও পাওলোতে তাদের থাকার ব্যবস্থা করতেন এবং পরবর্তী যাত্রার সমন্বয় করতেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, চক্রের অন্য সদস্যরা মেক্সিকোর বিভিন্ন এলাকায় অভিবাসীদের আবাসন, পরিবহন এবং সীমান্ত পার হওয়ার নির্দেশনা দিতেন। এই পথে অনেক অভিবাসীকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

Texas raid targeting Tren de Aragua gang leads to arrest of 140 illegal  immigrants

অন্য দুই অভিযুক্তের সাজা

একই মামলায় জড়িত থাকা দুই অভিযুক্ত আগে নিজেদের দোষ স্বীকার করেন। পরে আদালত তাদের প্রত্যেককে ৪৬ মাসের কারাদণ্ড দেন।

দোষী প্রমাণিত হলে যে শাস্তি

সাইফুল্লাহ আল-মামুন ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর ব্রাজিলে গ্রেপ্তার হন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হয়।

তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হলে কিছু অভিযোগে সর্বনিম্ন পাঁচ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এছাড়া ষড়যন্ত্রসংক্রান্ত অভিযোগে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈশ্বিক বাণিজ্যের বড় পুনর্বিন্যাস আসছে, খরচ দেবে কে?

ব্রাজিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ বাংলাদেশি, মানব পাচার চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগ

০১:০৯:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

ব্রাজিল থেকে এক বাংলাদেশি নাগরিককে মানব পাচার চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক তদন্তের পর তাকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয় এবং সেখানে আদালতে হাজির করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনগতভাবে নির্দোষ বলে বিবেচিত হবেন।

আন্তর্জাতিক তদন্তের পর প্রত্যর্পণ

অভিযুক্ত সাইফুল্লাহ আল-মামুন (৩৯) গত ৮ জুলাই ব্রাজিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ হন। পরে টেক্সাসের লারেডোতে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক তদন্তের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কী অভিযোগ আনা হয়েছে

286 arrested in global human trafficking and migrant smuggling operation

অভিযোগে বলা হয়েছে, সাইফুল্লাহ আল-মামুন একটি আন্তমহাদেশীয় মানব পাচার চক্রের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। এই চক্রের মাধ্যমে মূলত বাংলাদেশ থেকে অভিবাসীদের দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন দেশ হয়ে মেক্সিকো পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হতো। এরপর রিও গ্রান্ডে নদী পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করা হতো।

তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সহায়তা, অর্থের বিনিময়ে অভিবাসী পাচার এবং এ সংক্রান্ত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।

কীভাবে পরিচালিত হতো চক্র

তদন্তে অভিযোগ করা হয়েছে, বাংলাদেশে পাচারকারীদের বিপুল অর্থ দেওয়ার পর অভিবাসীদের যাত্রা শুরু হতো। সাইফুল্লাহ আল-মামুন ব্রাজিলের সাও পাওলোতে তাদের থাকার ব্যবস্থা করতেন এবং পরবর্তী যাত্রার সমন্বয় করতেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, চক্রের অন্য সদস্যরা মেক্সিকোর বিভিন্ন এলাকায় অভিবাসীদের আবাসন, পরিবহন এবং সীমান্ত পার হওয়ার নির্দেশনা দিতেন। এই পথে অনেক অভিবাসীকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

Texas raid targeting Tren de Aragua gang leads to arrest of 140 illegal  immigrants

অন্য দুই অভিযুক্তের সাজা

একই মামলায় জড়িত থাকা দুই অভিযুক্ত আগে নিজেদের দোষ স্বীকার করেন। পরে আদালত তাদের প্রত্যেককে ৪৬ মাসের কারাদণ্ড দেন।

দোষী প্রমাণিত হলে যে শাস্তি

সাইফুল্লাহ আল-মামুন ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর ব্রাজিলে গ্রেপ্তার হন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হয়।

তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হলে কিছু অভিযোগে সর্বনিম্ন পাঁচ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এছাড়া ষড়যন্ত্রসংক্রান্ত অভিযোগে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।