০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
মামদানি নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলে জেলে যেতে হতো তাকেই- মার্ক থিসেন তেলের বাজারে অস্থিরতা: ইরান সংঘাতের জেরে ব্যারেলপ্রতি ব্রেন্টের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি বগুড়ায় সাবেক ছাত্রদল নেতা কুপিয়ে নিহত, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে এক নারী চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে জলদস্যুর হানা, স্ক্র্যাপ জাহাজ থেকে ১০ কোটি টাকার মালামাল লুট যন্তর-মন্তরের বার্তা: শক্তিশালী সরকার কি তরুণদের কণ্ঠস্বর শুনতে প্রস্তুত? কেন তরুণদের বার্তা উপেক্ষা করা মোদি সরকারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নাসিরুদ্দিন শাহর প্রশ্ন: শিক্ষার্থী আন্দোলনে বলিউডের নীরবতা কেন? ইলন মাস্কের ‘ঐতিহাসিকভাবে নির্ভুল’ ওডিসি: নোলানের সিনেমাকে টেক্কা দিতে এআই চলচ্চিত্রের ঘোষণা সৌদি আরবের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পাকিস্তানের, হুথি হামলায় উদ্বেগ বাড়ল লোহিত সাগরে  কিলার হোয়েলের  বিস্ময়কর আচরণ, মৃত মাছ টুকরো করে উড়িয়ে দিল ‘খেলার ছলে’

বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ মুহূর্তেও আলোচনার কেন্দ্রে ট্রাম্প, ট্রফি অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের শেষ পর্বেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইনাল ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ট্রফি তুলে দেওয়ার পরও মঞ্চে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন তিনি।

স্পেনের শিরোপা উদযাপনের সময় ট্রাম্প দলের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। স্বর্ণালি কাগজের ঝলকানি ও উদযাপনের মুহূর্তে তাকে সরে যেতে ইঙ্গিত দেন আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তবে পুরো দৃশ্যটি বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়।

বিশ্বকাপের শেষ মঞ্চে ট্রাম্পের উপস্থিতি

ফাইনাল ম্যাচের আগে থেকেই বিশ্বকাপকে নিজের প্রশাসনের একটি বড় আয়োজন হিসেবে তুলে ধরছিলেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই আসর ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপগুলোর একটি।

ট্রাম্প এই আয়োজনকে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি তুলে ধরার একটি সুযোগ হিসেবে দেখেছেন। ম্যাচ চলাকালে তার প্রশাসনের বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রমও আলোচনায় আসে।

The US should never host another tournament after World Cup debacle - Yahoo Sports

দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ও ট্রফি বিতরণ

মাঠে প্রবেশের সময় ট্রাম্পকে দর্শকদের একাংশের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হয়। তবে পরে বড় পর্দায় তাকে দেখানোর সময় প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র।

পুরস্কার বিতরণীর সময় তিনি খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেন, অভিনন্দন জানান এবং কয়েকজনের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ করেন। স্পেনের শিরোপা উদযাপনের মুহূর্তে তার অবস্থান নিয়ে সামাজিক ও ক্রীড়া অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়।

বিশ্বকাপে ট্রাম্প ও ফুটবল সংস্থার সম্পর্ক

বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই ট্রাম্প ও আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার প্রধানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা ছিল। টুর্নামেন্ট আয়োজন, বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় ট্রাম্পের আগ্রহ বারবার সামনে আসে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক খেলোয়াড়ের শাস্তি কমানোর বিষয়েও ট্রাম্প সরাসরি আলোচনায় জড়িয়েছিলেন বলে জানা যায়। এ ঘটনায় ক্রীড়া প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাবের প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকে।

বিশ্বকাপ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক

Donald Trump booed at World Cup final as Argentina and Spain fans unite to jeer president | Irish Star

বিশ্বকাপ আয়োজনের সময় অভিবাসন নীতি, ম্যাচের শহর নির্বাচন এবং রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। ট্রাম্প কয়েকটি মার্কিন শহরে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে অবস্থান জানিয়েছিলেন, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা হয়।

তবে ট্রাম্পের দাবি ছিল, বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ঐতিহাসিক সুযোগ এবং দেশটিতে ফুটবলের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।

ভবিষ্যতে আবার বিশ্বকাপ আয়োজনের ইচ্ছা

ট্রাম্প ভবিষ্যতে আবার যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, নিজের রাজনৈতিক সময়কালের মধ্যেই এমন বড় আয়োজন আবার দেখতে চান।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ শেষ হলেও এই আসরে ট্রাম্পের দৃশ্যমান উপস্থিতি এবং ফুটবল প্রশাসনের সঙ্গে তার সম্পর্ক দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকবে।

বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের উপস্থিতি, ট্রফি অনুষ্ঠানের দৃশ্য এবং ফুটবলের সঙ্গে তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে ট্রাম্পের প্রভাব ও ট্রফি অনুষ্ঠানের বিতর্ক নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের উপস্থিতি ঘিরে ক্রীড়া ও রাজনীতির সম্পর্ক সামনে এসেছে।

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মামদানি নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলে জেলে যেতে হতো তাকেই- মার্ক থিসেন

বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ মুহূর্তেও আলোচনার কেন্দ্রে ট্রাম্প, ট্রফি অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

১১:৩৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের শেষ পর্বেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইনাল ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ট্রফি তুলে দেওয়ার পরও মঞ্চে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন তিনি।

স্পেনের শিরোপা উদযাপনের সময় ট্রাম্প দলের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। স্বর্ণালি কাগজের ঝলকানি ও উদযাপনের মুহূর্তে তাকে সরে যেতে ইঙ্গিত দেন আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তবে পুরো দৃশ্যটি বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়।

বিশ্বকাপের শেষ মঞ্চে ট্রাম্পের উপস্থিতি

ফাইনাল ম্যাচের আগে থেকেই বিশ্বকাপকে নিজের প্রশাসনের একটি বড় আয়োজন হিসেবে তুলে ধরছিলেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই আসর ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপগুলোর একটি।

ট্রাম্প এই আয়োজনকে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি তুলে ধরার একটি সুযোগ হিসেবে দেখেছেন। ম্যাচ চলাকালে তার প্রশাসনের বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রমও আলোচনায় আসে।

The US should never host another tournament after World Cup debacle - Yahoo Sports

দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ও ট্রফি বিতরণ

মাঠে প্রবেশের সময় ট্রাম্পকে দর্শকদের একাংশের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হয়। তবে পরে বড় পর্দায় তাকে দেখানোর সময় প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র।

পুরস্কার বিতরণীর সময় তিনি খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেন, অভিনন্দন জানান এবং কয়েকজনের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ করেন। স্পেনের শিরোপা উদযাপনের মুহূর্তে তার অবস্থান নিয়ে সামাজিক ও ক্রীড়া অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়।

বিশ্বকাপে ট্রাম্প ও ফুটবল সংস্থার সম্পর্ক

বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই ট্রাম্প ও আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার প্রধানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা ছিল। টুর্নামেন্ট আয়োজন, বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় ট্রাম্পের আগ্রহ বারবার সামনে আসে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক খেলোয়াড়ের শাস্তি কমানোর বিষয়েও ট্রাম্প সরাসরি আলোচনায় জড়িয়েছিলেন বলে জানা যায়। এ ঘটনায় ক্রীড়া প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাবের প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকে।

বিশ্বকাপ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক

Donald Trump booed at World Cup final as Argentina and Spain fans unite to jeer president | Irish Star

বিশ্বকাপ আয়োজনের সময় অভিবাসন নীতি, ম্যাচের শহর নির্বাচন এবং রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। ট্রাম্প কয়েকটি মার্কিন শহরে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে অবস্থান জানিয়েছিলেন, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা হয়।

তবে ট্রাম্পের দাবি ছিল, বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ঐতিহাসিক সুযোগ এবং দেশটিতে ফুটবলের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।

ভবিষ্যতে আবার বিশ্বকাপ আয়োজনের ইচ্ছা

ট্রাম্প ভবিষ্যতে আবার যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, নিজের রাজনৈতিক সময়কালের মধ্যেই এমন বড় আয়োজন আবার দেখতে চান।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ শেষ হলেও এই আসরে ট্রাম্পের দৃশ্যমান উপস্থিতি এবং ফুটবল প্রশাসনের সঙ্গে তার সম্পর্ক দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকবে।

বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের উপস্থিতি, ট্রফি অনুষ্ঠানের দৃশ্য এবং ফুটবলের সঙ্গে তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে ট্রাম্পের প্রভাব ও ট্রফি অনুষ্ঠানের বিতর্ক নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের উপস্থিতি ঘিরে ক্রীড়া ও রাজনীতির সম্পর্ক সামনে এসেছে।