০৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
ট্রাম্পের নতুন শুল্কে বাণিজ্যচাপে বিশ্ব, ৬০ দেশের পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া সিদ্ধান্ত হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু, দেশে মোট মৃত্যু ৮১০ ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণে ঝরল দুই প্রাণ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে তরুণী ফেনীতে শিক্ষিকার বাসা থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রামে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, ২৪ ঘণ্টার বিশেষ পূর্বাভাস বরিশালের কারখানায় শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত কুষ্টিয়ায় মাঠে মিলল চা বিক্রেতার মরদেহ, হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্তে পুলিশ তিস্তার ভাঙনে সেতুর সংযোগ সড়ক বিলীন, বছরের পর বছর দুর্ভোগে রংপুরের ৫০ হাজার মানুষ কুষ্টিয়া সীমান্তে আটজনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা ব্যর্থ, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল: ফরিদপুরে বিএনপি নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার

প্রশ্নপত্র ফাঁসে চাপে মোদি, দাবি কংগ্রেসের

ভারতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং তা ঘিরে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নতুন করে আক্রমণ করেছে বিরোধী দল কংগ্রেস। দলের সাধারণ সম্পাদক (যোগাযোগ) জয়রাম রমেশ দাবি করেছেন, দেশজুড়ে বাড়তে থাকা ক্ষোভ ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের চাপে সরকার প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে চলে গেছে এবং প্রধানমন্ত্রী সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা এড়িয়ে যাচ্ছেন।

সংসদে বিতর্ক এড়ানোর অভিযোগ

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জয়রাম রমেশ বলেন, দেশের পরিস্থিতি যখন দাবি করে, তখন অতীতের প্রধানমন্ত্রীদের মতো সংসদে দাঁড়িয়ে গুরুতর বিতর্কে অংশ নেওয়ার সাহস বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেই।

তার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ ও প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেওয়ার পরিবর্তে সরকার বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

মোদির ঘোষণাকে ‘চাপের প্রতিফলন’ বলল কংগ্রেস

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে  শুভকামনা জানালেন | দৈনিক আমার বাংলাদেশ

একই দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে কংগ্রেসের দাবি, এই ঘোষণা শিক্ষার্থীদের প্রতি সরকারের আন্তরিকতার প্রমাণ নয়; বরং বাড়তে থাকা জনচাপের প্রতিক্রিয়া। জয়রাম রমেশের ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তাটি দেখিয়েছে যে সরকার চাপের মুখে পড়েছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে রক্ষণাত্মক অবস্থান নিয়েছে।

সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের নতুন অভিযোগ

সরকারের সমালোচনা আরও তীব্র করে জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়মের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ভোট, আসন, অনুদান এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র—সব ক্ষেত্রেই অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে।

Statement issued By Shri Jairam Ramesh, MP, General Secretary  (Communications), AICC

কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কেন্দ্রীয় সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে দলটি অভিযোগ করেছে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যথাযথভাবে মোকাবিলার পরিবর্তে সরকার তা দমনের চেষ্টা করছে। এসব ঘটনার জন্য সরকারের জবাবদিহিও দাবি করছে বিরোধী দলটি।

সরকারের অবস্থান

অন্যদিকে, কেন্দ্র সরকার বলছে, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক এবং আইনি নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের মতে, ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি কার্যকর করা হবে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষার্থী আন্দোলন ঘিরে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংসদের ভেতরে ও বাইরে চাপ অব্যাহত রয়েছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের নতুন শুল্কে বাণিজ্যচাপে বিশ্ব, ৬০ দেশের পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া সিদ্ধান্ত

প্রশ্নপত্র ফাঁসে চাপে মোদি, দাবি কংগ্রেসের

০২:৪০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

ভারতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং তা ঘিরে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নতুন করে আক্রমণ করেছে বিরোধী দল কংগ্রেস। দলের সাধারণ সম্পাদক (যোগাযোগ) জয়রাম রমেশ দাবি করেছেন, দেশজুড়ে বাড়তে থাকা ক্ষোভ ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের চাপে সরকার প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে চলে গেছে এবং প্রধানমন্ত্রী সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা এড়িয়ে যাচ্ছেন।

সংসদে বিতর্ক এড়ানোর অভিযোগ

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জয়রাম রমেশ বলেন, দেশের পরিস্থিতি যখন দাবি করে, তখন অতীতের প্রধানমন্ত্রীদের মতো সংসদে দাঁড়িয়ে গুরুতর বিতর্কে অংশ নেওয়ার সাহস বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেই।

তার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ ও প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেওয়ার পরিবর্তে সরকার বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

মোদির ঘোষণাকে ‘চাপের প্রতিফলন’ বলল কংগ্রেস

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে  শুভকামনা জানালেন | দৈনিক আমার বাংলাদেশ

একই দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে কংগ্রেসের দাবি, এই ঘোষণা শিক্ষার্থীদের প্রতি সরকারের আন্তরিকতার প্রমাণ নয়; বরং বাড়তে থাকা জনচাপের প্রতিক্রিয়া। জয়রাম রমেশের ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তাটি দেখিয়েছে যে সরকার চাপের মুখে পড়েছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে রক্ষণাত্মক অবস্থান নিয়েছে।

সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের নতুন অভিযোগ

সরকারের সমালোচনা আরও তীব্র করে জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়মের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ভোট, আসন, অনুদান এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র—সব ক্ষেত্রেই অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে।

Statement issued By Shri Jairam Ramesh, MP, General Secretary  (Communications), AICC

কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কেন্দ্রীয় সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে দলটি অভিযোগ করেছে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যথাযথভাবে মোকাবিলার পরিবর্তে সরকার তা দমনের চেষ্টা করছে। এসব ঘটনার জন্য সরকারের জবাবদিহিও দাবি করছে বিরোধী দলটি।

সরকারের অবস্থান

অন্যদিকে, কেন্দ্র সরকার বলছে, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক এবং আইনি নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের মতে, ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি কার্যকর করা হবে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষার্থী আন্দোলন ঘিরে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংসদের ভেতরে ও বাইরে চাপ অব্যাহত রয়েছে।