ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় এক স্কুলশিক্ষিকার বাসা থেকে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের পাশাপাশি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিন বছর ধরে গৃহকর্মীর কাজ
নিহত কিশোরীর নাম ফারজানা আক্তার প্রিয়া। তিনি নোয়াখালীর সেবারহাট এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে। প্রায় তিন বছর ধরে তিনি পরশুরামের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকার বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করছিলেন।
বাসায় ফিরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শিক্ষিকা কর্মস্থলে যাওয়ার সময় প্রিয়াকে বাসায় রেখে যান। বিকেলে ফিরে এসে বারবার দরজায় কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাননি। পরে ভবনের কর্মচারীদের সহায়তায় দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করলে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় প্রিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
তদন্তে নেমেছে পুলিশ
খবর পেয়ে পুলিশ রাতের দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য তা ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে সন্দেহ করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে সব দিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে ‘ক+প’ লেখা একটি নোটও উদ্ধার করা হয়েছে। নোটটির সঙ্গে ঘটনার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতেই কিশোরীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ফেনীতে শিক্ষিকার বাসা থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার। পুলিশ প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার সন্দেহে তদন্ত করছে, মিলেছে একটি রহস্যজনক নোট।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















