সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় আট রোহিঙ্গা ও মানবপাচারকারী চক্রের সন্দেহভাজন চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে কানাইঘাট উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের কুয়েরের মাটি এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় তাদের আটক করা হয়।
আটক চার সন্দেহভাজন হলেন কানাইঘাটের এরালিগুল গ্রামের আসাদ আহমেদ, বড়খের গ্রামের সাদ্দাম হোসেন, সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার রফিক আহমেদ এবং নেত্রকোনার ইলাচ উদ্দিন।
আট রোহিঙ্গার পরিচয়
আটক আট রোহিঙ্গা হলেন এনায়েত হোসেন, আবদুল মুবিন, জুবের আহমেদ, আজিদা বেগম, জামিলা বেগম, ফাতেমা বিবি, নুর ফাতেমা ও আজিদা। তারা সবাই কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই রোহিঙ্গাদের সিলেট নগরের কদমতলী এলাকা থেকে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে কানাইঘাটে নেওয়া হয়। তাদের দোনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।
নদীপথে সীমান্ত পারের প্রস্তুতি
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কুয়েরের মাটি বাতারবাজার এলাকায় সুরমা নদীতে একটি নৌকাও প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। তবে সেখানে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় সন্দেহভাজন পাচারকারীদের সঙ্গে নৌকার মাঝির ঘন ঘন ফোনালাপ স্থানীয়দের সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা কুয়েরের মাটি মাদ্রাসার সামনে দুটি অটোরিকশা থামিয়ে ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এতে কথিত পাচারের পরিকল্পনার বিষয়টি সামনে আসে। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ১২ জনকেই আটক করে।

পুলিশের বক্তব্য
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, আটক রোহিঙ্গারা কুতুপালং শিবির থেকে বের হয়ে সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















