চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফরের মাত্র এক সপ্তাহ আগে বেইজিংয়ের শিয়াংশান নিরাপত্তা ফোরামে ভাষণ দিতে গিয়ে সতর্ক কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েছেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দোং জুন। গত বছরের তুলনায় এবার তিনি তাইওয়ান বা দক্ষিণ চীন সাগরের মতো স্পর্শকাতর প্রসঙ্গ সরাসরি উল্লেখ করা থেকে বিরত থেকেছেন।
দোং ওয়াশিংটন ও তার মিত্রদের প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেও তা ছিল তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত। তিনি বলেন, সক্ষমতার মধ্যে থেকে বিদেশি সশস্ত্র বাহিনীকে সহায়তা ও সামরিক উন্নয়ন অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় চীন, যা পর্যবেক্ষকদের কাছে বিরল একটি প্রকাশ্য অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৭ সালে পিপলস লিবারেশন আর্মির শতবার্ষিকীর দিকে এগোতে থাকা বেইজিং এখন নিজেদের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী, এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে সামরিক ব্যবধান ক্রমেই কমছে বলে চীনা কর্মকর্তারা মনে করছেন। তা সত্ত্বেও শীর্ষ বৈঠকের ঠিক আগে উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য এড়িয়ে যাওয়ার এই কৌশল কূটনৈতিক পরিমিতিবোধেরই প্রতিফলন।
দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা সমীকরণেও চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি প্রভাব ফেলে, কারণ আঞ্চলিক শক্তি ভারসাম্য ও বাণিজ্য নীতিতে দুই পরাশক্তির সম্পর্কের উত্তাপ বা শৈত্য সরাসরি প্রতিফলিত হয়। শি-ট্রাম্প বৈঠকের ফলাফল বাংলাদেশসহ অঞ্চলের ছোট অর্থনীতিগুলোর জন্যও পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















