এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, তা বেরিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তারের দাবি

রাশেদ খাঁন বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তার দাবি, এভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, সাত মাসের সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চের মতো কর্মসূচিকে তিনি স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখছেন না। তার অভিযোগ, লংমার্চের নামে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে।
জামায়াত-এনসিপির লংমার্চ নিয়ে বক্তব্য
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াত ও এনসিপি লংমার্চ করছে, অন্যদিকে আওয়ামী লীগ মাঠে নেমে অরাজকতা সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোট ও আওয়ামী লীগ—দুই পক্ষের বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সামলে বিএনপিকে সরকার পরিচালনা করতে হচ্ছে।
তিনি জামায়াত-এনসিপিকে ‘হঠকারী বিরোধী দল’ এবং আওয়ামী লীগকে ‘ফ্যাসিস্ট বিরোধী দল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

বাস-ট্রেনে আগুন ও ককটেল হামলার অভিযোগ
রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, দেশকে অশান্ত করার উদ্দেশ্যে জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী লীগ একত্রিত হয়ে বাস ও ট্রেনে আগুন দিচ্ছে এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে সভায় তিনি বিস্তারিত কোনো প্রমাণ তুলে ধরেননি।
তিনি আরও বলেন, এনসিপির একজন নেতা দাবি করেছেন, ১১ দলের দাবি মেনে নেওয়া হলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা আর ঘটবে না।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এসব ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিশ্চিত করার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















