০৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ৩০ হাজার হামলা, তবু জয় নেই: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কি সত্যিই এগিয়ে?

বাংলাদেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ৭১ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে এডিবি

  • Sarakhon Report
  • ০৮:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪
  • 174

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুর জেলার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ও পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার উন্নতির জন্য তাদের প্রস্তুতি এবং স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করতে ৭১ মিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে।

এডিবির সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞ পুষ্কর শ্রীবাস্তবকে উদ্ধৃত করে একটি অফিসিয়াল বিবৃতিতে সবলা হয়, ‘এডিবির অতিরিক্ত সহায়তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীলতাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে, বিশেষ করে নারী ও দুর্বল গোষ্ঠীর জন্য আয় ও টেকসই জীবিকা বাড়াবে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় দারিদ্র্য হ্রাস করবে।’

আর্থিক অনুদান প্রকল্পটি ৬০০,০০০-এরও বেশি লোককে উপকৃত করবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং জলবায়ু-স্থিতিস্থাপকতা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ (এফসিডিআই) ব্যবস্থা চালু ও লবণাক্ত অনুপ্রবেশ হ্রাস করবে।

এটি এফসিডিআই অবকাঠামোকে শক্তিশালী করতে এবং চারটি উপবেসিনে নিষ্কাশনের উন্নতিতে প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানগুলো গ্রহণ করবে। কারণ প্রকল্পটি সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা তৈরি ও উন্নত, পানি ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের অবকাঠামো তৈরি করবে৷

পুষ্কর বলেন, প্রকল্পটি এডিবি-অর্থায়নকৃত দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল সমন্বিত পানিসম্পদ পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের অধীনে অর্জিত সাফল্যগুলোকে ধরে রাখবে, যা কৃষি উৎপাদন, উন্নত সম্প্রদায়ের অবকাঠামো এবং গ্রামীণ পরিবারের আয় বৃদ্ধি করেছে।’

বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচকের ভিত্তিতে, জলবায়ু ঝুঁকির দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। বাংলাদেশ চরম আবহাওয়া এবং ধীর গতিতে শুরু হওয়ায় জলবায়ু ইভেন্টের ক্রমবর্ধমান ফ্রিকোয়েন্সি এবং তীব্রতার মুখোমুখি।

কার্যকরী অভিযোজন ব্যবস্থা ব্যতীত, জলবায়ুর পরিবর্তনশীলতা এবং চরম ঘটনাগুলো গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করে, বিশেষ করে মহিলারা, যারা জলবায়ু সংবেদনশীল কৃষি অনুশীলন এবং তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের উপর নির্ভর করে, একারণে দেশটি ২০৫০ সালের মধ্যে কৃষি মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৩০ শতাংশ হারাতে পারে।

 

বাসস

পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান

বাংলাদেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ৭১ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে এডিবি

০৮:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুর জেলার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ও পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার উন্নতির জন্য তাদের প্রস্তুতি এবং স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করতে ৭১ মিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে।

এডিবির সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞ পুষ্কর শ্রীবাস্তবকে উদ্ধৃত করে একটি অফিসিয়াল বিবৃতিতে সবলা হয়, ‘এডিবির অতিরিক্ত সহায়তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীলতাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে, বিশেষ করে নারী ও দুর্বল গোষ্ঠীর জন্য আয় ও টেকসই জীবিকা বাড়াবে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় দারিদ্র্য হ্রাস করবে।’

আর্থিক অনুদান প্রকল্পটি ৬০০,০০০-এরও বেশি লোককে উপকৃত করবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং জলবায়ু-স্থিতিস্থাপকতা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ (এফসিডিআই) ব্যবস্থা চালু ও লবণাক্ত অনুপ্রবেশ হ্রাস করবে।

এটি এফসিডিআই অবকাঠামোকে শক্তিশালী করতে এবং চারটি উপবেসিনে নিষ্কাশনের উন্নতিতে প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানগুলো গ্রহণ করবে। কারণ প্রকল্পটি সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা তৈরি ও উন্নত, পানি ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের অবকাঠামো তৈরি করবে৷

পুষ্কর বলেন, প্রকল্পটি এডিবি-অর্থায়নকৃত দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল সমন্বিত পানিসম্পদ পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের অধীনে অর্জিত সাফল্যগুলোকে ধরে রাখবে, যা কৃষি উৎপাদন, উন্নত সম্প্রদায়ের অবকাঠামো এবং গ্রামীণ পরিবারের আয় বৃদ্ধি করেছে।’

বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচকের ভিত্তিতে, জলবায়ু ঝুঁকির দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। বাংলাদেশ চরম আবহাওয়া এবং ধীর গতিতে শুরু হওয়ায় জলবায়ু ইভেন্টের ক্রমবর্ধমান ফ্রিকোয়েন্সি এবং তীব্রতার মুখোমুখি।

কার্যকরী অভিযোজন ব্যবস্থা ব্যতীত, জলবায়ুর পরিবর্তনশীলতা এবং চরম ঘটনাগুলো গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করে, বিশেষ করে মহিলারা, যারা জলবায়ু সংবেদনশীল কৃষি অনুশীলন এবং তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের উপর নির্ভর করে, একারণে দেশটি ২০৫০ সালের মধ্যে কৃষি মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৩০ শতাংশ হারাতে পারে।

 

বাসস