১১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
১৩০ বছরের ঐতিহাসিক ঘড়ির নতুন জীবন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর উদযাপনে বিশেষ আয়োজন তুরস্ককে ৭০ কোটি ডলারের জেট ইঞ্জিন বিক্রিতে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র দুর্যোগের দিনে টিকে থাকার পাঠ: কেন বাড়ছে জরুরি প্রস্তুতির গুরুত্ব বিশ্বকাপের বল নিয়ে গোলরক্ষকদের দুশ্চিন্তা, প্রশ্নের উত্তর দিলেন জো হার্ট ২০৩৮ বিশ্বকাপ আয়োজনেও আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা সিয়াটলে ইরান-মিসর ম্যাচ ঘিরে বিতর্ক, রংধনু পতাকা নিয়ে ফিফার সিদ্ধান্তে উত্তেজনা মোজার্টের অজানা সুরের খাতা আবিষ্কার, মিলল সাতটি নতুন সংগীতকর্ম ত্যাগ চাই মর্সিয়া ক্রন্দন চাই না টেনেসি উইলিয়ামসের নাটক থেকে অপেরা: পাখি, অন্ধকার রহস্য আর গথিক আবহে নতুন রূপ ইউরোপে রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়া ‘প্রায় অসম্ভব’ বলছেন বিজ্ঞানীরা

প্রধান বিচারকের ভূমিকায় দেশের প্রখ্যাত গীটারিস্ট দীপন

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪
  • 213
সারাক্ষণ প্রতিবেদক 
দেশের একজন গুনী, খ্যাতিমান গীটারিস্ট হিসেবে সাকীল মোহাম্মদ দীপনের বেশ সুনাম রয়েছে। দীপন এমনই একজন গটিারিস্ট যিনি ভারত সরকার কর্তৃক নাগাল্যান্ড অ্যাওয়ার্ড, রোটার ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড, আসামের শিলচর থেকে বেস্ট অ্যাওয়ার্ড, দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে সম্মাননা, দুবাই থেকে শ্রেষ্ঠ বাদক হিসেবে অ্যাওয়ার্ড ছাড়াও কিছুদিন আগে ‘আমরা কুঁড়ি’র ৩৩ বছর উপলক্ষ্যে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তবে এবারের ভূমিকাটা একটু অন্যরকম।
এবার তিনি দেশের প্রখ্যাত ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ‘বুলবুল ললিতকলা একাডেমি অব ফাইন আর্টস’র বার্ষিক মূল্যায়ণ পরীক্ষার (যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত) জুরি বোর্ডের সম্মানিত প্রধান  বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরইমধ্যে বিচারকার্যের কাজ তিনি শেষ করেছেন। এই বার্ষিক মূল্যায়ণ পরীক্ষায় প্রায় ১০০ জনের বেশী গীটার শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। বুলবুল ললিত কলা একাডেমি অব ফাইন আর্টসের মিরপুর -২ শাখা  ভবনে অত্যন্ত চমৎকারভাবে বিচার কার্যটি সম্পন্ন শেষে একাডেমির  অধ্যক্ষ উচ্চাঙ্গসংগীত শিল্পী, সঙ্গীত গবেষক, সঙ্গীতজ্ঞ  জনাব মঙ্গলচন্দ্র মন্ডল প্রধান বিচারক সাকীল মোহাম্মদ দীপন কে সম্মানজনক সার্টিফিকেট ও সম্মাননা প্রদান করেন।
সাকীল মোহাম্মদ দীপন বলেন,‘ বুলবুল ললিতকলা একাডেমি অব ফাইন আর্টস দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান। এমন একটি প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক মূল্যায়ণ পরীক্ষার প্রধান বিচারক হিসেবে কাজ করা অনেক অনেক সম্মানের, গর্বের। আমি সত্যিই এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবোনা। আমার শিল্পী জীবনে এই বিষয়টি অত্যন্ত সম্মানের সাথে শ্রদ্ধার সাথে আজীবন সম্পৃক্ত থাকবে প্রতিটি মুহুর্তে। আমি আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করেছি। আমি কৃতজ্ঞ শ্রদ্ধেয় অধ্যক্ষ মঙ্গলচন্দ্র স্যারের কাছে। আমাকে যারা নিয়মিত অনুপ্রেরণা দেন তাদের জন্য আন্তরিক ভালোবাসা।’
জনপ্রিয় সংবাদ

১৩০ বছরের ঐতিহাসিক ঘড়ির নতুন জীবন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর উদযাপনে বিশেষ আয়োজন

প্রধান বিচারকের ভূমিকায় দেশের প্রখ্যাত গীটারিস্ট দীপন

১০:০০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪
সারাক্ষণ প্রতিবেদক 
দেশের একজন গুনী, খ্যাতিমান গীটারিস্ট হিসেবে সাকীল মোহাম্মদ দীপনের বেশ সুনাম রয়েছে। দীপন এমনই একজন গটিারিস্ট যিনি ভারত সরকার কর্তৃক নাগাল্যান্ড অ্যাওয়ার্ড, রোটার ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড, আসামের শিলচর থেকে বেস্ট অ্যাওয়ার্ড, দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে সম্মাননা, দুবাই থেকে শ্রেষ্ঠ বাদক হিসেবে অ্যাওয়ার্ড ছাড়াও কিছুদিন আগে ‘আমরা কুঁড়ি’র ৩৩ বছর উপলক্ষ্যে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তবে এবারের ভূমিকাটা একটু অন্যরকম।
এবার তিনি দেশের প্রখ্যাত ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ‘বুলবুল ললিতকলা একাডেমি অব ফাইন আর্টস’র বার্ষিক মূল্যায়ণ পরীক্ষার (যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত) জুরি বোর্ডের সম্মানিত প্রধান  বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরইমধ্যে বিচারকার্যের কাজ তিনি শেষ করেছেন। এই বার্ষিক মূল্যায়ণ পরীক্ষায় প্রায় ১০০ জনের বেশী গীটার শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। বুলবুল ললিত কলা একাডেমি অব ফাইন আর্টসের মিরপুর -২ শাখা  ভবনে অত্যন্ত চমৎকারভাবে বিচার কার্যটি সম্পন্ন শেষে একাডেমির  অধ্যক্ষ উচ্চাঙ্গসংগীত শিল্পী, সঙ্গীত গবেষক, সঙ্গীতজ্ঞ  জনাব মঙ্গলচন্দ্র মন্ডল প্রধান বিচারক সাকীল মোহাম্মদ দীপন কে সম্মানজনক সার্টিফিকেট ও সম্মাননা প্রদান করেন।
সাকীল মোহাম্মদ দীপন বলেন,‘ বুলবুল ললিতকলা একাডেমি অব ফাইন আর্টস দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান। এমন একটি প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক মূল্যায়ণ পরীক্ষার প্রধান বিচারক হিসেবে কাজ করা অনেক অনেক সম্মানের, গর্বের। আমি সত্যিই এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবোনা। আমার শিল্পী জীবনে এই বিষয়টি অত্যন্ত সম্মানের সাথে শ্রদ্ধার সাথে আজীবন সম্পৃক্ত থাকবে প্রতিটি মুহুর্তে। আমি আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করেছি। আমি কৃতজ্ঞ শ্রদ্ধেয় অধ্যক্ষ মঙ্গলচন্দ্র স্যারের কাছে। আমাকে যারা নিয়মিত অনুপ্রেরণা দেন তাদের জন্য আন্তরিক ভালোবাসা।’