১০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক ইরান যুদ্ধে বেসামরিক ও শিশু মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ পোপ লিওর তেলের বাজারে অস্থিরতা: ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ার সুপারিশ আইইএর

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৯৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪
  • 179

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী।

স্মার্ট নেতার জন্যে জরুরী কিছু বিষয়  (খ) 

১. প্রভাবিত না হওয়া

স্মার্ট নেতা সব সময় নিজে বিষয়টা বোঝার চেষ্টা করবে। এবং সব সময় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবে অন্যের প্রভাব। অন্য’র দক্ষতাকে সে কাজে লাগাবে, তাকে মূল্যায়ন করবে কিন্তু কারো দ্বারা অতিরিক্ত প্রভাবিত হবে না।

যখনই কোন নেতা কারো দ্বারা অতিরিক্ত প্রভাবিত হয় তখনই সে তার কাজের গতি হারিয়ে ফেলে।

এমনকি কোন নেতা কখনই কোন কাল্ট বা গুরুর অধীন হবে না। সাধারণত দেখা যায় অনেক সময় কোম্পানি বা দল বা সংগঠনের কোন নেতা কোন উপদেষ্টা বা কোন একজন বিশেষ নেতার অনুকরণে চলার চেষ্টা করে।

এর ফলে দেখা যায়, তার কাজ সব সময়ই একটি বিশেষ গন্ডিতে আটকে আছে। এবং সে নিজে নেতা হতে পারে না। তার নেতৃত্বের কোন বিকাশ ঘটে  না।

তাছাড়া ওই নেতার মাধ্যমে ওই কোম্পানি, সংগঠন বা দল নতুন কোন ডাইমেনশান পায় না। আর কোম্পানি থেকে সংগঠন যদি নতুন ডাইমেনশান না পায় তাহলে সেটা মূলত ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যায়।

এ কারণে যে কোন প্রভাব নেতার জন্যে খারাপ।

২. নেতা কখনও শাস্তি মুখী হবে না

নেতার অধীনে যারা কাজ করে তারা ভুল করবে। ক্ষতি করবে । নেতা অবশ্যই সে ভুল বুঝবে, ক্ষতি বুঝবে কিন্তু কখনও নেতা এমনভাবে শাস্তি দেবে না, যে শাস্তি পেয়েছে সে বুঝতে পারে, নেতা তাকে শাস্তি দিয়েছে। এমনকি পাবলিকও যেন বুঝতে না পারে। শাস্তির বদলে অন্য পন্থা নেতাকে বের করতে হবে  বাস্তবতার ওপর দাঁড়িয়ে- যাতে ওই ভুল সংশোধন হয় এবং যে ক্ষতি করছে সে ক্ষতি করার সুযোগ আর না পায় সে।

এজন্য নেতা ওই ব্যক্তির কাজের ধরণ বদলে দিতে পারে। তাছাড়া নেতাকে অবশ্যই বুঝতে হবে আসলে যে ভুল করছে সে কেন ভুল করছে। তখন তাকে সেই ভুল করার ছিদ্র বন্ধ করতে হবে। যে ক্ষতি করছে  সে কেন ক্ষতি করছে তার কারণগুলো বের করে- যে যে সিস্টেমের মাধ্যমে ক্ষতি করছে ওই সিস্টেম থেকে তাকে দূরে নিয়ে যেতে হবে। ভিন্ন সিস্টেমে তাকে যোগ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৯৩)

০৬:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী।

স্মার্ট নেতার জন্যে জরুরী কিছু বিষয়  (খ) 

১. প্রভাবিত না হওয়া

স্মার্ট নেতা সব সময় নিজে বিষয়টা বোঝার চেষ্টা করবে। এবং সব সময় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবে অন্যের প্রভাব। অন্য’র দক্ষতাকে সে কাজে লাগাবে, তাকে মূল্যায়ন করবে কিন্তু কারো দ্বারা অতিরিক্ত প্রভাবিত হবে না।

যখনই কোন নেতা কারো দ্বারা অতিরিক্ত প্রভাবিত হয় তখনই সে তার কাজের গতি হারিয়ে ফেলে।

এমনকি কোন নেতা কখনই কোন কাল্ট বা গুরুর অধীন হবে না। সাধারণত দেখা যায় অনেক সময় কোম্পানি বা দল বা সংগঠনের কোন নেতা কোন উপদেষ্টা বা কোন একজন বিশেষ নেতার অনুকরণে চলার চেষ্টা করে।

এর ফলে দেখা যায়, তার কাজ সব সময়ই একটি বিশেষ গন্ডিতে আটকে আছে। এবং সে নিজে নেতা হতে পারে না। তার নেতৃত্বের কোন বিকাশ ঘটে  না।

তাছাড়া ওই নেতার মাধ্যমে ওই কোম্পানি, সংগঠন বা দল নতুন কোন ডাইমেনশান পায় না। আর কোম্পানি থেকে সংগঠন যদি নতুন ডাইমেনশান না পায় তাহলে সেটা মূলত ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যায়।

এ কারণে যে কোন প্রভাব নেতার জন্যে খারাপ।

২. নেতা কখনও শাস্তি মুখী হবে না

নেতার অধীনে যারা কাজ করে তারা ভুল করবে। ক্ষতি করবে । নেতা অবশ্যই সে ভুল বুঝবে, ক্ষতি বুঝবে কিন্তু কখনও নেতা এমনভাবে শাস্তি দেবে না, যে শাস্তি পেয়েছে সে বুঝতে পারে, নেতা তাকে শাস্তি দিয়েছে। এমনকি পাবলিকও যেন বুঝতে না পারে। শাস্তির বদলে অন্য পন্থা নেতাকে বের করতে হবে  বাস্তবতার ওপর দাঁড়িয়ে- যাতে ওই ভুল সংশোধন হয় এবং যে ক্ষতি করছে সে ক্ষতি করার সুযোগ আর না পায় সে।

এজন্য নেতা ওই ব্যক্তির কাজের ধরণ বদলে দিতে পারে। তাছাড়া নেতাকে অবশ্যই বুঝতে হবে আসলে যে ভুল করছে সে কেন ভুল করছে। তখন তাকে সেই ভুল করার ছিদ্র বন্ধ করতে হবে। যে ক্ষতি করছে  সে কেন ক্ষতি করছে তার কারণগুলো বের করে- যে যে সিস্টেমের মাধ্যমে ক্ষতি করছে ওই সিস্টেম থেকে তাকে দূরে নিয়ে যেতে হবে। ভিন্ন সিস্টেমে তাকে যোগ করতে হবে।