০২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
আইসল্যান্ডে আগুনের স্রোত ঠেকাতে পানির যুদ্ধ, লাভা ঠান্ডা করার সাহসী অভিযানে বাঁচল শহর পদ্মায় বাসডুবি ট্র্যাজেডি: দৌলতদিয়ায় একের পর এক লাশ উদ্ধার, বাড়ছে শোক আর ক্ষোভ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের বাস্তবতা: ইরানকে দমাতে গিয়ে নতুন সংকটে যুক্তরাষ্ট্র মাফিয়া: অপরাধ, পরিবার আর ক্ষমতার অদৃশ্য জাল—বিশ্ব ইতিহাসের অন্ধকার অধ্যায় জ্বালানি স্থাপনায় হামলায় বিশ্ব অর্থনীতি ঝুঁকিতে, দীর্ঘমেয়াদি সংকটের আশঙ্কা অবৈধ ইউটিউব স্ট্রিমে উধাও হাজার কোটি ইয়েন, কনটেন্ট শিল্পে বড় হুমকি স্বাধীনতাসংগ্রাম: “গান্ধী, মাও,… এমনকি ম্যান্ডেলাও মুজিবের মত অকুণ্ঠ সমর্থন পাননি” রাশিয়ার ‘প্রতিবেশী আগে’ জ্বালানি নীতি: ইউরোপকে পিছনে ফেলে এশিয়ায় নতুন সমীকরণ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা, ইউরোপে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা—পরের মাসেই চাপ বাড়তে পারে ইরানের কড়া বার্তা: যুদ্ধবিরতি নয়, ‘কৌশলগত লক্ষ্য’ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে

ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 201

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, এ খাতে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান ।

রবিবার রাজধানীর বাংলামোটরে হামদর্দ কনফারেন্স রুমে বিশ্ব ইউনানি দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

ধর্মমন্ত্রী ব‌লেন, এ চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের অধীনে একটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এ ল্যাবের মাধ্যমে চিরায়ত ওষুধের গুণগত মান বজায় রেখে ওষুধ প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বে রফতানি করা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে আছে চিরায়ত মেডিসিন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিরায়ত মেডিসিনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৫ জুলাই এক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বোর্ড অব ইউনানি অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেম অব মেডিসিন স্থাপন করার জন্য ১২ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করেন।

ফরিদুল হক খান বলেন, এ দেশে চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক রচিত হয় ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। সেই বছর সর্বপ্রথম ৩৩ জন ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ও হোমিও চিকিৎসককে জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে নিয়োগ দিয়ে এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়। বর্তমানে দেশের ২০০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৫৮টি জেলা হাসপাতাল ও ১২টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিরায়ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ভেষজ ম্যানুয়াল, ফার্মাকোপিয়া এবং ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন তৈরি ও সরবরাহ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা, জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, ইউনানি চেয়ার অধ্যাপক ডা. এম এ কাজমি, ওয়াকফ প্রশাসক আবু সালেহ মো. মহিউদ্দিন খাঁ, হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্‌ফ) বাংলাদেশের চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

আইসল্যান্ডে আগুনের স্রোত ঠেকাতে পানির যুদ্ধ, লাভা ঠান্ডা করার সাহসী অভিযানে বাঁচল শহর

ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, এ খাতে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান ।

রবিবার রাজধানীর বাংলামোটরে হামদর্দ কনফারেন্স রুমে বিশ্ব ইউনানি দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

ধর্মমন্ত্রী ব‌লেন, এ চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের অধীনে একটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এ ল্যাবের মাধ্যমে চিরায়ত ওষুধের গুণগত মান বজায় রেখে ওষুধ প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বে রফতানি করা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে আছে চিরায়ত মেডিসিন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিরায়ত মেডিসিনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৫ জুলাই এক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বোর্ড অব ইউনানি অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেম অব মেডিসিন স্থাপন করার জন্য ১২ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করেন।

ফরিদুল হক খান বলেন, এ দেশে চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক রচিত হয় ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। সেই বছর সর্বপ্রথম ৩৩ জন ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ও হোমিও চিকিৎসককে জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে নিয়োগ দিয়ে এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়। বর্তমানে দেশের ২০০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৫৮টি জেলা হাসপাতাল ও ১২টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিরায়ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ভেষজ ম্যানুয়াল, ফার্মাকোপিয়া এবং ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন তৈরি ও সরবরাহ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা, জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, ইউনানি চেয়ার অধ্যাপক ডা. এম এ কাজমি, ওয়াকফ প্রশাসক আবু সালেহ মো. মহিউদ্দিন খাঁ, হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্‌ফ) বাংলাদেশের চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া প্রমুখ।