০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
চীনের সামনে এখন সাম্রাজ্যের সেই পুরোনো ফাঁদ দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবচেয়ে বড় উসকানি’, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে ক্ষুব্ধ বেইজিং মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতির নতুন প্রতিযোগিতা: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার মধ্যস্থতাকারী কে? বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন শিথিলতা: বাণিজ্য অর্থায়নে বাড়ল ঋণসীমা কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন ভি ডি সতীশন, ১৮ মে শপথের সম্ভাবনা পাকিস্তানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ‘ফাতাহ-৪’ সফল পরীক্ষা, পাল্লা ও নিখুঁত আঘাতের সক্ষমতার দাবি বেইজিং বৈঠকে ইরান ইস্যু, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধে ব্রিকসের জোরালো অবস্থান চাইল তেহরান মিয়ানমার নিয়ে বর্ণনার লড়াই: রাষ্ট্র, বৈধতা ও সংবাদমাধ্যমের দায় এল নিনোর শঙ্কায় ফের গম কেনায় ঝুঁকছে এশিয়া, বাড়ছে বৈশ্বিক সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা চীনের সস্তা চিপের চাপে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর স্বপ্ন, টাটার নতুন ফ্যাবের সামনে কঠিন লড়াই

ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 224

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, এ খাতে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান ।

রবিবার রাজধানীর বাংলামোটরে হামদর্দ কনফারেন্স রুমে বিশ্ব ইউনানি দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

ধর্মমন্ত্রী ব‌লেন, এ চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের অধীনে একটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এ ল্যাবের মাধ্যমে চিরায়ত ওষুধের গুণগত মান বজায় রেখে ওষুধ প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বে রফতানি করা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে আছে চিরায়ত মেডিসিন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিরায়ত মেডিসিনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৫ জুলাই এক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বোর্ড অব ইউনানি অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেম অব মেডিসিন স্থাপন করার জন্য ১২ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করেন।

ফরিদুল হক খান বলেন, এ দেশে চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক রচিত হয় ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। সেই বছর সর্বপ্রথম ৩৩ জন ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ও হোমিও চিকিৎসককে জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে নিয়োগ দিয়ে এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়। বর্তমানে দেশের ২০০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৫৮টি জেলা হাসপাতাল ও ১২টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিরায়ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ভেষজ ম্যানুয়াল, ফার্মাকোপিয়া এবং ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন তৈরি ও সরবরাহ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা, জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, ইউনানি চেয়ার অধ্যাপক ডা. এম এ কাজমি, ওয়াকফ প্রশাসক আবু সালেহ মো. মহিউদ্দিন খাঁ, হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্‌ফ) বাংলাদেশের চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সামনে এখন সাম্রাজ্যের সেই পুরোনো ফাঁদ

ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, এ খাতে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান ।

রবিবার রাজধানীর বাংলামোটরে হামদর্দ কনফারেন্স রুমে বিশ্ব ইউনানি দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

ধর্মমন্ত্রী ব‌লেন, এ চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের অধীনে একটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এ ল্যাবের মাধ্যমে চিরায়ত ওষুধের গুণগত মান বজায় রেখে ওষুধ প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বে রফতানি করা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে আছে চিরায়ত মেডিসিন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিরায়ত মেডিসিনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৫ জুলাই এক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বোর্ড অব ইউনানি অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেম অব মেডিসিন স্থাপন করার জন্য ১২ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করেন।

ফরিদুল হক খান বলেন, এ দেশে চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক রচিত হয় ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। সেই বছর সর্বপ্রথম ৩৩ জন ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ও হোমিও চিকিৎসককে জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে নিয়োগ দিয়ে এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়। বর্তমানে দেশের ২০০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৫৮টি জেলা হাসপাতাল ও ১২টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিরায়ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ভেষজ ম্যানুয়াল, ফার্মাকোপিয়া এবং ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন তৈরি ও সরবরাহ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা, জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, ইউনানি চেয়ার অধ্যাপক ডা. এম এ কাজমি, ওয়াকফ প্রশাসক আবু সালেহ মো. মহিউদ্দিন খাঁ, হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্‌ফ) বাংলাদেশের চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া প্রমুখ।