০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ৩০ হাজার হামলা, তবু জয় নেই: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কি সত্যিই এগিয়ে?

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৭)

  • Sarakhon Report
  • ০২:০০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪
  • 241

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী ।

 

সব নেতারই নেতৃত্ব দেয়ার ধরণ এক নয়।

যেমন জাহিদুল হাসন, তৃপ্তি দাশ ও আহমেদ কামাল- তিন জনে তিন ধরনের নেতৃত্বে বিশ্বাস করেন।  এখন প্রশ্ন আসবে সেরা নেতৃত্বের ধরন কোনটি?

 

বাস্তবে নেতৃত্বের ধরণ মোটা দাগে দুই ধরনের। এক, একক সিদ্ধান্ত নেয়া। দুই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সকলের মতামত নেয়া। তবে প্রকৃত নেতৃত্ব হলো, টিম বা দলকে দক্ষ করে তোলা। বিশেষ করে তাদের জ্ঞান বৃদ্ধি। তারা যেন কোন একটি বদ্ধ চিন্তার মধ্যে আটকে না থাকে। নেতার পাশের সকলেই যদি জ্ঞানের দিক থেকে বিকশিত হয় তাহলেই সেটা প্রকৃত নেতৃত্ব। এবং তখনই সাফল্য আসে।

একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগুলেই কর্মক্ষমতার প্রকাশ ঘটে।

কাউকে অনুপ্রানিত করার সব থেকে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো, যাকে অনুপ্রানিত করবেন তিনি যেন বুঝতে পারেন শেষ অবধি তিনি কোথায় পৌঁছাবেন। প্রত্যেক ব্যক্তির লক্ষ্যগুলি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হয় অথবা তাকে জানতে হয় কীভাবে সর্বোচ্চ ভালো কাজটি করতে হয়। এটা তাদেরকে বেশি কাজ করতে এবং নিজেকে সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করে।

পারস্পারিক যোগাযোগটি তখনই সঠিক হয় যখন কেউ নিজেকে নিরাপদ মনে করে।

আপনার লোকেরা যেন বিশ্বাস করে, আপনি তাদের সঠিক ও ভালো পথটি দেখাচ্ছেন। তাদের কোন ক্ষতি আপনি করছেন না। বরং চেষ্টা করছেন যাতে তারা ক্যারিয়ারে বিজয়ী ও সফল হয়। যখন আপনি এমনটি করবেন তখন দেখবেন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বা দলের সকলেই আপনাকে বিশ্বাস করে সব কিছু বলছে এবং শুনছে।

পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৭)

০২:০০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী ।

 

সব নেতারই নেতৃত্ব দেয়ার ধরণ এক নয়।

যেমন জাহিদুল হাসন, তৃপ্তি দাশ ও আহমেদ কামাল- তিন জনে তিন ধরনের নেতৃত্বে বিশ্বাস করেন।  এখন প্রশ্ন আসবে সেরা নেতৃত্বের ধরন কোনটি?

 

বাস্তবে নেতৃত্বের ধরণ মোটা দাগে দুই ধরনের। এক, একক সিদ্ধান্ত নেয়া। দুই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সকলের মতামত নেয়া। তবে প্রকৃত নেতৃত্ব হলো, টিম বা দলকে দক্ষ করে তোলা। বিশেষ করে তাদের জ্ঞান বৃদ্ধি। তারা যেন কোন একটি বদ্ধ চিন্তার মধ্যে আটকে না থাকে। নেতার পাশের সকলেই যদি জ্ঞানের দিক থেকে বিকশিত হয় তাহলেই সেটা প্রকৃত নেতৃত্ব। এবং তখনই সাফল্য আসে।

একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগুলেই কর্মক্ষমতার প্রকাশ ঘটে।

কাউকে অনুপ্রানিত করার সব থেকে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো, যাকে অনুপ্রানিত করবেন তিনি যেন বুঝতে পারেন শেষ অবধি তিনি কোথায় পৌঁছাবেন। প্রত্যেক ব্যক্তির লক্ষ্যগুলি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হয় অথবা তাকে জানতে হয় কীভাবে সর্বোচ্চ ভালো কাজটি করতে হয়। এটা তাদেরকে বেশি কাজ করতে এবং নিজেকে সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করে।

পারস্পারিক যোগাযোগটি তখনই সঠিক হয় যখন কেউ নিজেকে নিরাপদ মনে করে।

আপনার লোকেরা যেন বিশ্বাস করে, আপনি তাদের সঠিক ও ভালো পথটি দেখাচ্ছেন। তাদের কোন ক্ষতি আপনি করছেন না। বরং চেষ্টা করছেন যাতে তারা ক্যারিয়ারে বিজয়ী ও সফল হয়। যখন আপনি এমনটি করবেন তখন দেখবেন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বা দলের সকলেই আপনাকে বিশ্বাস করে সব কিছু বলছে এবং শুনছে।