১২:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর ব্রিটেনে ছুরি হামলার পর উত্তেজনা, উসকে দিচ্ছে কট্টর ডানপন্থী রাজনীতি ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশির দেশে ফেরা, বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে ৭২ ঘণ্টায় নিহত ২১ জঙ্গি, মোট নিহত ৪৮ লস অ্যাঞ্জেলেসে বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতালেন লিসা, কেপপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় ইউটিউব থেকে হলিউড: নতুন প্রজন্মের পরিচালকরা কি বদলে দিচ্ছেন সিনেমার ভবিষ্যৎ? গুগলের নতুন এআই চিপে স্যামসাং? ‘আইসফিশ’ প্রকল্পে বড় চুক্তির আলোচনায় দুই প্রযুক্তি জায়ান্ট ইরান যুদ্ধের পর বদলে যাওয়া বাস্তবতা: চুক্তির দ্বারপ্রান্তে থেকেও কেন কঠিন অবস্থানে তেহরান পশ্চিমবঙ্গে তল্লাশি বিতর্ক: অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পুলিশি অভিযানে মমতার অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৭)

  • Sarakhon Report
  • ০২:০০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪
  • 266

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী ।

 

সব নেতারই নেতৃত্ব দেয়ার ধরণ এক নয়।

যেমন জাহিদুল হাসন, তৃপ্তি দাশ ও আহমেদ কামাল- তিন জনে তিন ধরনের নেতৃত্বে বিশ্বাস করেন।  এখন প্রশ্ন আসবে সেরা নেতৃত্বের ধরন কোনটি?

 

বাস্তবে নেতৃত্বের ধরণ মোটা দাগে দুই ধরনের। এক, একক সিদ্ধান্ত নেয়া। দুই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সকলের মতামত নেয়া। তবে প্রকৃত নেতৃত্ব হলো, টিম বা দলকে দক্ষ করে তোলা। বিশেষ করে তাদের জ্ঞান বৃদ্ধি। তারা যেন কোন একটি বদ্ধ চিন্তার মধ্যে আটকে না থাকে। নেতার পাশের সকলেই যদি জ্ঞানের দিক থেকে বিকশিত হয় তাহলেই সেটা প্রকৃত নেতৃত্ব। এবং তখনই সাফল্য আসে।

একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগুলেই কর্মক্ষমতার প্রকাশ ঘটে।

কাউকে অনুপ্রানিত করার সব থেকে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো, যাকে অনুপ্রানিত করবেন তিনি যেন বুঝতে পারেন শেষ অবধি তিনি কোথায় পৌঁছাবেন। প্রত্যেক ব্যক্তির লক্ষ্যগুলি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হয় অথবা তাকে জানতে হয় কীভাবে সর্বোচ্চ ভালো কাজটি করতে হয়। এটা তাদেরকে বেশি কাজ করতে এবং নিজেকে সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করে।

পারস্পারিক যোগাযোগটি তখনই সঠিক হয় যখন কেউ নিজেকে নিরাপদ মনে করে।

আপনার লোকেরা যেন বিশ্বাস করে, আপনি তাদের সঠিক ও ভালো পথটি দেখাচ্ছেন। তাদের কোন ক্ষতি আপনি করছেন না। বরং চেষ্টা করছেন যাতে তারা ক্যারিয়ারে বিজয়ী ও সফল হয়। যখন আপনি এমনটি করবেন তখন দেখবেন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বা দলের সকলেই আপনাকে বিশ্বাস করে সব কিছু বলছে এবং শুনছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৭)

০২:০০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী ।

 

সব নেতারই নেতৃত্ব দেয়ার ধরণ এক নয়।

যেমন জাহিদুল হাসন, তৃপ্তি দাশ ও আহমেদ কামাল- তিন জনে তিন ধরনের নেতৃত্বে বিশ্বাস করেন।  এখন প্রশ্ন আসবে সেরা নেতৃত্বের ধরন কোনটি?

 

বাস্তবে নেতৃত্বের ধরণ মোটা দাগে দুই ধরনের। এক, একক সিদ্ধান্ত নেয়া। দুই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সকলের মতামত নেয়া। তবে প্রকৃত নেতৃত্ব হলো, টিম বা দলকে দক্ষ করে তোলা। বিশেষ করে তাদের জ্ঞান বৃদ্ধি। তারা যেন কোন একটি বদ্ধ চিন্তার মধ্যে আটকে না থাকে। নেতার পাশের সকলেই যদি জ্ঞানের দিক থেকে বিকশিত হয় তাহলেই সেটা প্রকৃত নেতৃত্ব। এবং তখনই সাফল্য আসে।

একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগুলেই কর্মক্ষমতার প্রকাশ ঘটে।

কাউকে অনুপ্রানিত করার সব থেকে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো, যাকে অনুপ্রানিত করবেন তিনি যেন বুঝতে পারেন শেষ অবধি তিনি কোথায় পৌঁছাবেন। প্রত্যেক ব্যক্তির লক্ষ্যগুলি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হয় অথবা তাকে জানতে হয় কীভাবে সর্বোচ্চ ভালো কাজটি করতে হয়। এটা তাদেরকে বেশি কাজ করতে এবং নিজেকে সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করে।

পারস্পারিক যোগাযোগটি তখনই সঠিক হয় যখন কেউ নিজেকে নিরাপদ মনে করে।

আপনার লোকেরা যেন বিশ্বাস করে, আপনি তাদের সঠিক ও ভালো পথটি দেখাচ্ছেন। তাদের কোন ক্ষতি আপনি করছেন না। বরং চেষ্টা করছেন যাতে তারা ক্যারিয়ারে বিজয়ী ও সফল হয়। যখন আপনি এমনটি করবেন তখন দেখবেন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বা দলের সকলেই আপনাকে বিশ্বাস করে সব কিছু বলছে এবং শুনছে।