১১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব, দূরপাল্লায় ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা তৃতীয় দেশে নির্বাসন: পানামায় পাঠানো ইরানি খ্রিষ্টানের অনিশ্চিত জীবন জার্মানিতে ডানপন্থার উত্থানের জ্বালানি: হারিয়ে যাওয়া গৌরবের নস্টালজিয়া জিন্নাহর প্রতিকৃতি সরানোয় তাইয়েবকে হুমকির অভিযোগ, তদন্তের দাবি এডিপি বাস্তবায়নে পাঁচ বছরের সর্বনিম্ন হার, দুই মাসে অগ্রগতি মাত্র ১.৮৫ শতাংশ ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,৬৫৫ বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ছকে দেখলে ভারতেরই কৌশলগত ক্ষতি নাক থেকে অন্ত্র—শরীরের অদৃশ্য প্রতিরক্ষা দেয়াল, কীভাবে কাজ করে মিউকোসাল ইমিউন সিস্টেম?

রুনা লায়লা’কে ধারন করেই নিঝুমের এগিয়ে চলা

  • Sarakhon Report
  • ০৮:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪
  • 172

সারাক্ষণ প্রতবিদেক
নেত্রকোনার মেয়ে জেবুন্নেছা সরকার নিঝুম, স্থায়ীভাবে বাসবাস করছেন কিশোরগঞ্জে। পড়াশুনা করছেন রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিষয়ে মাস্টার্স করছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আলী এফ এম রেজওয়ানের কাছে তিনি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতেও তালিম নিচ্ছেন।

পাশাপাশি রাজধানীর ধানমণ্ডিতে অবস্থিত নজরল ইন্সটিটিউট-এ বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সালাহ উদ্দিন ও ফেরদৌস আরার কাছেও নজরুল সঙ্গীতে নিয়মিত তালিম নিচ্ছেন। নিঝুমের স্বপ্ন একজন ভালো সঙ্গীতশিল্পী হওয়া। ইচ্ছে আছে শিক্ষকতা পেশাতেও নিজেকে সম্পৃক্ত করা। তার ভীষণ প্রিয় শিল্পী উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা। রুনা লায়লাকে নিঝুম তার নিজের মধ্যে ধারণ করেন, লালন করেন। তাকে ধারণ করেই তিনি আগামীর পথে এগিয়ে চলেছেন।

নিঝুমের দাদা আলী হোসেন সরকার গান করতেন। তার দাদা ও বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম একই গুরুর শীষ্য ছিলেন। আলী হোসেন সরকার ও শাহ আব্দুল করিম একসঙ্গে পালা গান করতেন। ছোটবেলা থেকেই নিঝুম বাবা নিজাম সরকারের কাছে গান শিখেছেন। তবে এখন আর তা হয়ে উঠেনা, কারণ কিছুদিন আগে (২০২৮ সালে) তার বাবা মারা গেছেন। তার মা কানিজ ফাতিমা রোজী যেন এখন তার পুরো পৃথিবী।

আগামী দিনের স্বপ্ন নিয়ে নিঝুম বলেন,‘ আমি আসলে সঙ্গীত পরিবারেরই একজন মানুষ। আমার দাদা, বাবা গানের মানুষ ছিলেন। তাদেরই উত্তরসূরী আমি। তবে সঙ্গীত ভুবনে আমার সবচেয়ে প্রিয় শিল্পী, প্রিয় ব্যক্তিত্ব শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা ম্যাডাম। তার গান আমার আরাধনার। তাকে বুকে নিজের মধ্যে ধারণ করে, লালন করেই আমি এগিয়ে চলেছি।

তার গান গাইতেই সবচেয়ে বেশি ভালোলাগে, ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আর অন্যান্যদের মধ্যে শ্রদ্ধেয় সাবিনা ইয়াসমিন ম্যাডাম ও সামিনা চৌধুরী ম্যাডামের গান গাইতে, শুনতে ভালোলাগে। আমার ইচ্ছে একজন শুদ্ধ সুরের সত্যিকারের শিল্পী হওয়া, দেশের একজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হওয়া।’

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

রুনা লায়লা’কে ধারন করেই নিঝুমের এগিয়ে চলা

০৮:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪

সারাক্ষণ প্রতবিদেক
নেত্রকোনার মেয়ে জেবুন্নেছা সরকার নিঝুম, স্থায়ীভাবে বাসবাস করছেন কিশোরগঞ্জে। পড়াশুনা করছেন রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিষয়ে মাস্টার্স করছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আলী এফ এম রেজওয়ানের কাছে তিনি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতেও তালিম নিচ্ছেন।

পাশাপাশি রাজধানীর ধানমণ্ডিতে অবস্থিত নজরল ইন্সটিটিউট-এ বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সালাহ উদ্দিন ও ফেরদৌস আরার কাছেও নজরুল সঙ্গীতে নিয়মিত তালিম নিচ্ছেন। নিঝুমের স্বপ্ন একজন ভালো সঙ্গীতশিল্পী হওয়া। ইচ্ছে আছে শিক্ষকতা পেশাতেও নিজেকে সম্পৃক্ত করা। তার ভীষণ প্রিয় শিল্পী উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা। রুনা লায়লাকে নিঝুম তার নিজের মধ্যে ধারণ করেন, লালন করেন। তাকে ধারণ করেই তিনি আগামীর পথে এগিয়ে চলেছেন।

নিঝুমের দাদা আলী হোসেন সরকার গান করতেন। তার দাদা ও বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম একই গুরুর শীষ্য ছিলেন। আলী হোসেন সরকার ও শাহ আব্দুল করিম একসঙ্গে পালা গান করতেন। ছোটবেলা থেকেই নিঝুম বাবা নিজাম সরকারের কাছে গান শিখেছেন। তবে এখন আর তা হয়ে উঠেনা, কারণ কিছুদিন আগে (২০২৮ সালে) তার বাবা মারা গেছেন। তার মা কানিজ ফাতিমা রোজী যেন এখন তার পুরো পৃথিবী।

আগামী দিনের স্বপ্ন নিয়ে নিঝুম বলেন,‘ আমি আসলে সঙ্গীত পরিবারেরই একজন মানুষ। আমার দাদা, বাবা গানের মানুষ ছিলেন। তাদেরই উত্তরসূরী আমি। তবে সঙ্গীত ভুবনে আমার সবচেয়ে প্রিয় শিল্পী, প্রিয় ব্যক্তিত্ব শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা ম্যাডাম। তার গান আমার আরাধনার। তাকে বুকে নিজের মধ্যে ধারণ করে, লালন করেই আমি এগিয়ে চলেছি।

তার গান গাইতেই সবচেয়ে বেশি ভালোলাগে, ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আর অন্যান্যদের মধ্যে শ্রদ্ধেয় সাবিনা ইয়াসমিন ম্যাডাম ও সামিনা চৌধুরী ম্যাডামের গান গাইতে, শুনতে ভালোলাগে। আমার ইচ্ছে একজন শুদ্ধ সুরের সত্যিকারের শিল্পী হওয়া, দেশের একজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হওয়া।’