১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক ইরান যুদ্ধে বেসামরিক ও শিশু মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ পোপ লিওর

রুনা লায়লা’কে ধারন করেই নিঝুমের এগিয়ে চলা

  • Sarakhon Report
  • ০৮:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪
  • 119

সারাক্ষণ প্রতবিদেক
নেত্রকোনার মেয়ে জেবুন্নেছা সরকার নিঝুম, স্থায়ীভাবে বাসবাস করছেন কিশোরগঞ্জে। পড়াশুনা করছেন রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিষয়ে মাস্টার্স করছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আলী এফ এম রেজওয়ানের কাছে তিনি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতেও তালিম নিচ্ছেন।

পাশাপাশি রাজধানীর ধানমণ্ডিতে অবস্থিত নজরল ইন্সটিটিউট-এ বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সালাহ উদ্দিন ও ফেরদৌস আরার কাছেও নজরুল সঙ্গীতে নিয়মিত তালিম নিচ্ছেন। নিঝুমের স্বপ্ন একজন ভালো সঙ্গীতশিল্পী হওয়া। ইচ্ছে আছে শিক্ষকতা পেশাতেও নিজেকে সম্পৃক্ত করা। তার ভীষণ প্রিয় শিল্পী উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা। রুনা লায়লাকে নিঝুম তার নিজের মধ্যে ধারণ করেন, লালন করেন। তাকে ধারণ করেই তিনি আগামীর পথে এগিয়ে চলেছেন।

নিঝুমের দাদা আলী হোসেন সরকার গান করতেন। তার দাদা ও বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম একই গুরুর শীষ্য ছিলেন। আলী হোসেন সরকার ও শাহ আব্দুল করিম একসঙ্গে পালা গান করতেন। ছোটবেলা থেকেই নিঝুম বাবা নিজাম সরকারের কাছে গান শিখেছেন। তবে এখন আর তা হয়ে উঠেনা, কারণ কিছুদিন আগে (২০২৮ সালে) তার বাবা মারা গেছেন। তার মা কানিজ ফাতিমা রোজী যেন এখন তার পুরো পৃথিবী।

আগামী দিনের স্বপ্ন নিয়ে নিঝুম বলেন,‘ আমি আসলে সঙ্গীত পরিবারেরই একজন মানুষ। আমার দাদা, বাবা গানের মানুষ ছিলেন। তাদেরই উত্তরসূরী আমি। তবে সঙ্গীত ভুবনে আমার সবচেয়ে প্রিয় শিল্পী, প্রিয় ব্যক্তিত্ব শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা ম্যাডাম। তার গান আমার আরাধনার। তাকে বুকে নিজের মধ্যে ধারণ করে, লালন করেই আমি এগিয়ে চলেছি।

তার গান গাইতেই সবচেয়ে বেশি ভালোলাগে, ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আর অন্যান্যদের মধ্যে শ্রদ্ধেয় সাবিনা ইয়াসমিন ম্যাডাম ও সামিনা চৌধুরী ম্যাডামের গান গাইতে, শুনতে ভালোলাগে। আমার ইচ্ছে একজন শুদ্ধ সুরের সত্যিকারের শিল্পী হওয়া, দেশের একজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হওয়া।’

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত

রুনা লায়লা’কে ধারন করেই নিঝুমের এগিয়ে চলা

০৮:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪

সারাক্ষণ প্রতবিদেক
নেত্রকোনার মেয়ে জেবুন্নেছা সরকার নিঝুম, স্থায়ীভাবে বাসবাস করছেন কিশোরগঞ্জে। পড়াশুনা করছেন রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিষয়ে মাস্টার্স করছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আলী এফ এম রেজওয়ানের কাছে তিনি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতেও তালিম নিচ্ছেন।

পাশাপাশি রাজধানীর ধানমণ্ডিতে অবস্থিত নজরল ইন্সটিটিউট-এ বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সালাহ উদ্দিন ও ফেরদৌস আরার কাছেও নজরুল সঙ্গীতে নিয়মিত তালিম নিচ্ছেন। নিঝুমের স্বপ্ন একজন ভালো সঙ্গীতশিল্পী হওয়া। ইচ্ছে আছে শিক্ষকতা পেশাতেও নিজেকে সম্পৃক্ত করা। তার ভীষণ প্রিয় শিল্পী উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা। রুনা লায়লাকে নিঝুম তার নিজের মধ্যে ধারণ করেন, লালন করেন। তাকে ধারণ করেই তিনি আগামীর পথে এগিয়ে চলেছেন।

নিঝুমের দাদা আলী হোসেন সরকার গান করতেন। তার দাদা ও বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম একই গুরুর শীষ্য ছিলেন। আলী হোসেন সরকার ও শাহ আব্দুল করিম একসঙ্গে পালা গান করতেন। ছোটবেলা থেকেই নিঝুম বাবা নিজাম সরকারের কাছে গান শিখেছেন। তবে এখন আর তা হয়ে উঠেনা, কারণ কিছুদিন আগে (২০২৮ সালে) তার বাবা মারা গেছেন। তার মা কানিজ ফাতিমা রোজী যেন এখন তার পুরো পৃথিবী।

আগামী দিনের স্বপ্ন নিয়ে নিঝুম বলেন,‘ আমি আসলে সঙ্গীত পরিবারেরই একজন মানুষ। আমার দাদা, বাবা গানের মানুষ ছিলেন। তাদেরই উত্তরসূরী আমি। তবে সঙ্গীত ভুবনে আমার সবচেয়ে প্রিয় শিল্পী, প্রিয় ব্যক্তিত্ব শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা ম্যাডাম। তার গান আমার আরাধনার। তাকে বুকে নিজের মধ্যে ধারণ করে, লালন করেই আমি এগিয়ে চলেছি।

তার গান গাইতেই সবচেয়ে বেশি ভালোলাগে, ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আর অন্যান্যদের মধ্যে শ্রদ্ধেয় সাবিনা ইয়াসমিন ম্যাডাম ও সামিনা চৌধুরী ম্যাডামের গান গাইতে, শুনতে ভালোলাগে। আমার ইচ্ছে একজন শুদ্ধ সুরের সত্যিকারের শিল্পী হওয়া, দেশের একজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হওয়া।’