০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬
ভবিষ্যতের হাঁটু সুরক্ষায় আজই প্রস্তুতি নিন, ছোট অভ্যাসেই বড় স্বস্তির পথ বীজের তেল নিয়ে ভয় কতটা সত্য, কতটা ভুল: বিজ্ঞান কী বলছে ডিজনির ইতিহাসে নতুন মাইলফলক অ্যানিমেশন দুনিয়ায় রেকর্ড গড়ল জুটোপিয়া টু চীনের কারখানায় ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত, আট মাসের মন্দা ভেঙে ডিসেম্বরে উৎপাদন বাড়ল তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক মহড়া, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের বার্তা ধান রপ্তানিতে ভারতের আধিপত্য, নীরবে গভীর হচ্ছে পানির সংকট সিগারেটে নতুন করের ধাক্কা, ধসে ভারতের তামাক শেয়ার বাজার মার্কিন শ্রমবাজারে বছরের শেষে স্বস্তির ইঙ্গিত, তবে অনিশ্চয়তা কাটেনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে হৃদ্‌রোগে প্রাণ গেল ১৭ বছরের ভারতীয় শিক্ষার্থীর, কোনো পূর্ববর্তী অসুস্থতার ইতিহাস ছিল না সুইজারল্যান্ডের ক্রাঁ-মন্তানায় বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: নতুন বছরের প্রথম প্রহরে বহু প্রাণহানির আশঙ্কা

রুনা লায়লা’কে ধারন করেই নিঝুমের এগিয়ে চলা

  • Sarakhon Report
  • ০৮:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪
  • 98

সারাক্ষণ প্রতবিদেক
নেত্রকোনার মেয়ে জেবুন্নেছা সরকার নিঝুম, স্থায়ীভাবে বাসবাস করছেন কিশোরগঞ্জে। পড়াশুনা করছেন রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিষয়ে মাস্টার্স করছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আলী এফ এম রেজওয়ানের কাছে তিনি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতেও তালিম নিচ্ছেন।

পাশাপাশি রাজধানীর ধানমণ্ডিতে অবস্থিত নজরল ইন্সটিটিউট-এ বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সালাহ উদ্দিন ও ফেরদৌস আরার কাছেও নজরুল সঙ্গীতে নিয়মিত তালিম নিচ্ছেন। নিঝুমের স্বপ্ন একজন ভালো সঙ্গীতশিল্পী হওয়া। ইচ্ছে আছে শিক্ষকতা পেশাতেও নিজেকে সম্পৃক্ত করা। তার ভীষণ প্রিয় শিল্পী উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা। রুনা লায়লাকে নিঝুম তার নিজের মধ্যে ধারণ করেন, লালন করেন। তাকে ধারণ করেই তিনি আগামীর পথে এগিয়ে চলেছেন।

নিঝুমের দাদা আলী হোসেন সরকার গান করতেন। তার দাদা ও বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম একই গুরুর শীষ্য ছিলেন। আলী হোসেন সরকার ও শাহ আব্দুল করিম একসঙ্গে পালা গান করতেন। ছোটবেলা থেকেই নিঝুম বাবা নিজাম সরকারের কাছে গান শিখেছেন। তবে এখন আর তা হয়ে উঠেনা, কারণ কিছুদিন আগে (২০২৮ সালে) তার বাবা মারা গেছেন। তার মা কানিজ ফাতিমা রোজী যেন এখন তার পুরো পৃথিবী।

আগামী দিনের স্বপ্ন নিয়ে নিঝুম বলেন,‘ আমি আসলে সঙ্গীত পরিবারেরই একজন মানুষ। আমার দাদা, বাবা গানের মানুষ ছিলেন। তাদেরই উত্তরসূরী আমি। তবে সঙ্গীত ভুবনে আমার সবচেয়ে প্রিয় শিল্পী, প্রিয় ব্যক্তিত্ব শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা ম্যাডাম। তার গান আমার আরাধনার। তাকে বুকে নিজের মধ্যে ধারণ করে, লালন করেই আমি এগিয়ে চলেছি।

তার গান গাইতেই সবচেয়ে বেশি ভালোলাগে, ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আর অন্যান্যদের মধ্যে শ্রদ্ধেয় সাবিনা ইয়াসমিন ম্যাডাম ও সামিনা চৌধুরী ম্যাডামের গান গাইতে, শুনতে ভালোলাগে। আমার ইচ্ছে একজন শুদ্ধ সুরের সত্যিকারের শিল্পী হওয়া, দেশের একজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হওয়া।’

জনপ্রিয় সংবাদ

ভবিষ্যতের হাঁটু সুরক্ষায় আজই প্রস্তুতি নিন, ছোট অভ্যাসেই বড় স্বস্তির পথ

রুনা লায়লা’কে ধারন করেই নিঝুমের এগিয়ে চলা

০৮:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪

সারাক্ষণ প্রতবিদেক
নেত্রকোনার মেয়ে জেবুন্নেছা সরকার নিঝুম, স্থায়ীভাবে বাসবাস করছেন কিশোরগঞ্জে। পড়াশুনা করছেন রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিষয়ে মাস্টার্স করছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আলী এফ এম রেজওয়ানের কাছে তিনি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতেও তালিম নিচ্ছেন।

পাশাপাশি রাজধানীর ধানমণ্ডিতে অবস্থিত নজরল ইন্সটিটিউট-এ বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সালাহ উদ্দিন ও ফেরদৌস আরার কাছেও নজরুল সঙ্গীতে নিয়মিত তালিম নিচ্ছেন। নিঝুমের স্বপ্ন একজন ভালো সঙ্গীতশিল্পী হওয়া। ইচ্ছে আছে শিক্ষকতা পেশাতেও নিজেকে সম্পৃক্ত করা। তার ভীষণ প্রিয় শিল্পী উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা। রুনা লায়লাকে নিঝুম তার নিজের মধ্যে ধারণ করেন, লালন করেন। তাকে ধারণ করেই তিনি আগামীর পথে এগিয়ে চলেছেন।

নিঝুমের দাদা আলী হোসেন সরকার গান করতেন। তার দাদা ও বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম একই গুরুর শীষ্য ছিলেন। আলী হোসেন সরকার ও শাহ আব্দুল করিম একসঙ্গে পালা গান করতেন। ছোটবেলা থেকেই নিঝুম বাবা নিজাম সরকারের কাছে গান শিখেছেন। তবে এখন আর তা হয়ে উঠেনা, কারণ কিছুদিন আগে (২০২৮ সালে) তার বাবা মারা গেছেন। তার মা কানিজ ফাতিমা রোজী যেন এখন তার পুরো পৃথিবী।

আগামী দিনের স্বপ্ন নিয়ে নিঝুম বলেন,‘ আমি আসলে সঙ্গীত পরিবারেরই একজন মানুষ। আমার দাদা, বাবা গানের মানুষ ছিলেন। তাদেরই উত্তরসূরী আমি। তবে সঙ্গীত ভুবনে আমার সবচেয়ে প্রিয় শিল্পী, প্রিয় ব্যক্তিত্ব শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা ম্যাডাম। তার গান আমার আরাধনার। তাকে বুকে নিজের মধ্যে ধারণ করে, লালন করেই আমি এগিয়ে চলেছি।

তার গান গাইতেই সবচেয়ে বেশি ভালোলাগে, ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আর অন্যান্যদের মধ্যে শ্রদ্ধেয় সাবিনা ইয়াসমিন ম্যাডাম ও সামিনা চৌধুরী ম্যাডামের গান গাইতে, শুনতে ভালোলাগে। আমার ইচ্ছে একজন শুদ্ধ সুরের সত্যিকারের শিল্পী হওয়া, দেশের একজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হওয়া।’