০২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হলে দুর্নীতি বাড়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধের আশঙ্কা ইরান-আমেরিকা সংঘাতের শেষ অধ্যায় চান ট্রাম্প, অনিশ্চয়তার মুখে মধ্যপ্রাচ্য দ্য ইকোনমিস্ট -এর প্রতিবেদন: নব্বই ও দুই হাজার দশকে বিএনপি তিনবার ক্ষমতায় এলেও শাসনকাল খুব উজ্জ্বল ছিল না সীমান্তের গুলিতে আহত শিশু আফনানের মৃত্যু, টেকনাফজুড়ে শোক ও উদ্বেগ মালয়েশিয়ায় পৃথক অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৭৭ অবৈধ অভিবাসী আটক, কঠোর অবস্থানে কর্তৃপক্ষ জামায়াতের জনসভায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ঘিরে আলোচনা, ব্যাখ্যায় এবি পার্টি নেতা কমার একদিন পরই আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ছুঁল দুই লাখ বাষট্টি হাজার শি চিনপিংয়ের শুদ্ধি অভিযান নিয়ন্ত্রণের অবসান, শুরু পারমাণবিক বিশৃঙ্খলার যুগ

রুল খারিজ তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে বাধা নেই

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪
  • 103

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে গণমাধ্যমে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকী লিনা হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন। রিটে কোনো পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসে তারেক রহমানের কোনো বক্তব্য প্রকাশ, প্রচার, সম্প্রচার, পুনঃউৎপাদন না করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তথ্য সচিবের প্রতি নির্দেশনা চেয়েছিলেন। রিটে বলা হয়, তারেক একজন ফেরারি আসামি। তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করে ও বেআইনিভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন। একজন ফেরারি আসামির বক্তব্য মিডিয়ায় প্রচার হতে পারে না। যাকে আদালত খুঁজে পাচ্ছেন না, তার বক্তব্য প্রচারযোগ্য নয়।

পরদিন রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তারেকের বক্তব্য প্রচার ও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রুল জারি করেন। রুলে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার নিষিদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। তথ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, পররাষ্ট্রসচিব, আইজিপি, বিটিভির মহাপরিচালক, বিটিআরসির চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

আদালতে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল উপস্থিত ছিলেন। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, এ রিট পিটিশনের পিটিশনার আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকা লিনা। বৃহস্পতিবার মামলা তালিকায় ছিল। তিনি হাইকোর্টে এসে বলেছেন, এই রিট আর তিনি চালাতে চান না। নন প্রসিকিউশন করতে চান। অর্থাৎ এ রিট পিটিশনের আর কোনো অস্তিত্ব নেই। আদালত বলেছেন, তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারের ক্ষেত্রে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, বৃহস্পতিবার থেকে আর এর কার্যকারিতা নেই। অর্থাৎ তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে আর আইনি কোনো বাধা নেই।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হলে দুর্নীতি বাড়ে

রুল খারিজ তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে বাধা নেই

০৫:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে গণমাধ্যমে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকী লিনা হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন। রিটে কোনো পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসে তারেক রহমানের কোনো বক্তব্য প্রকাশ, প্রচার, সম্প্রচার, পুনঃউৎপাদন না করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তথ্য সচিবের প্রতি নির্দেশনা চেয়েছিলেন। রিটে বলা হয়, তারেক একজন ফেরারি আসামি। তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করে ও বেআইনিভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন। একজন ফেরারি আসামির বক্তব্য মিডিয়ায় প্রচার হতে পারে না। যাকে আদালত খুঁজে পাচ্ছেন না, তার বক্তব্য প্রচারযোগ্য নয়।

পরদিন রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তারেকের বক্তব্য প্রচার ও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রুল জারি করেন। রুলে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার নিষিদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। তথ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, পররাষ্ট্রসচিব, আইজিপি, বিটিভির মহাপরিচালক, বিটিআরসির চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

আদালতে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল উপস্থিত ছিলেন। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, এ রিট পিটিশনের পিটিশনার আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকা লিনা। বৃহস্পতিবার মামলা তালিকায় ছিল। তিনি হাইকোর্টে এসে বলেছেন, এই রিট আর তিনি চালাতে চান না। নন প্রসিকিউশন করতে চান। অর্থাৎ এ রিট পিটিশনের আর কোনো অস্তিত্ব নেই। আদালত বলেছেন, তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারের ক্ষেত্রে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, বৃহস্পতিবার থেকে আর এর কার্যকারিতা নেই। অর্থাৎ তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে আর আইনি কোনো বাধা নেই।