০৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬
কাবুলে পানির সংকট নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা, শহরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নও ঝুঁকিতে ‘দ্য ওডিসি’ প্রচারে দেবী-প্রেরণার সাজে জেনডায়া, ফ্যাশনে চরিত্রের ভাষা কঙ্গোয় ইবোলা চিকিৎসায় প্রথম ট্রায়াল শুরু, ১৪০০ জন আক্রান্ত অং সান সু চির সঙ্গে দেখা করতে দিল না মিয়ানমার জান্তা থাই বিমানসেবিকার মাধ্যমে হেরোইন পাচার, উৎস মিয়ানমার সন্দেহ পঁচিশ বছর পর তাইওয়ান সেনায় ফিরল কমিউনিস্ট বিরোধী শিক্ষা আমির খানের ব্যক্তিগত আয়োজনে বিয়ে, গৌরী স্প্রাটের সঙ্গে নতুন অধ্যায় এআই এখনো বাস্তব পৃথিবী বোঝে না, গবেষকদের নতুন সতর্কবার্তা অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যু, বাংলা সাহিত্য ও চিন্তাজগতে শূন্যতা তাইওয়ানের পূর্বে চীনা কোস্টগার্ডের দ্বিতীয় টহল, তাইপের প্রতিবাদ

বিন লাদেনের ছেলের ফ্রান্সে ফেরায় নিষেধাজ্ঞা

  • Sarakhon Report
  • ০৮:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০২৪
  • 129

আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের এক ছেলের ফ্রান্সে ফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে৷ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সামাজিক মাধ্যমে তার মন্তব্য সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করেছে৷

ফ্রান্সের নরম্যান্ডির এক গ্রামে বেশ কয়েক বছর বাস করেছেন লাদেনের ছেলে ওমর বিনলাদিন৷ সেখানে তিনি প্রকৃতির ছবি আঁকতেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে৷

জাতীয় নিরাপত্তার কথা ভেবে বিনলাদিনকে ফ্রান্স থেকে ডিপোর্ট বা বের করে দেওয়া হয়েছিল৷ এরপর বিচার বিভাগ তাকে বের করে দেওয়ার এই সিদ্ধান্তটির আইনি বৈধতা দেয়৷ এবং তারপর বিনলাদিনের ফ্রান্সে ফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নথিতে সই করেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রেটাইও৷ এক্স-এ এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন তিনি৷ ‘‘অর্ন অঞ্চলে একজন ব্রিটিশ নাগরিকের স্বামী হিসেবে কয়েক বছর বসবাস করা বিনলাদিন সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে ২০২৩ সালে তার সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করেছিলেন,’’ বলে এক্স-এ লিখেছেন রেটাইও৷

তবে বিনলাদিনকে কবে এবং কোথায় ডিপোর্ট করা হয়েছে তা জানাননি তিনি৷

মন্তব্যের জন্য বিনলাদিনের কাছে পৌঁছতে পারেনি রয়টার্স৷

বিনলাদিনকে পেইন্টিং বিক্রিতে সহায়তা করা প্যাসকেল মার্টিন বলেন, ইসলামিস্ট মতাদর্শের বিরোধী ছিলেন বিনলাদিন৷ তিনি পেইন্টিং বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন এবং কর দিতেন বলেও জানান মার্টিন৷ তিনি বলেন, বিনলাদিন এখন কাতারে আছেন৷ ‘‘আমরা বন্ধু হয়ে গিয়েছিলাম এবং আমি আপনাকে বলতে পারি, যা বলা হচ্ছে সেগুলো আমার চেনা ওমরের সঙ্গে মেলে না,’’ রয়টার্সকে বলেন মার্টিন৷

ফ্রান্সের স্থানীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা লে পিবিক্যাটা লিবা জানিয়েছে, তার বাবার জন্মদিনে পোস্ট দিয়ে ফ্রেঞ্চ কর্তৃপক্ষের নজরে পড়েছিলেন বিনলাদিন৷

২০১১ সালে ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করে মার্কিন বাহিনী৷

রয়টার্স বিনলাদিনের ঐ পোস্ট চিহ্নিত করতে পারেনি৷

মার্টিন জানান, বিনলাদিন তার বন্ধুদের বলেছিলেন, তার সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল৷

২০২৩ সালের জুলাই মাসে বিনলাদিনকে খুঁজতে পুলিশ নরম্যান্ডির ডমফো গ্রামে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় ঐ পত্রিকা৷

ডিডাব্লিউ ডটকম

জনপ্রিয় সংবাদ

কাবুলে পানির সংকট নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা, শহরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নও ঝুঁকিতে

বিন লাদেনের ছেলের ফ্রান্সে ফেরায় নিষেধাজ্ঞা

০৮:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০২৪

আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের এক ছেলের ফ্রান্সে ফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে৷ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সামাজিক মাধ্যমে তার মন্তব্য সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করেছে৷

ফ্রান্সের নরম্যান্ডির এক গ্রামে বেশ কয়েক বছর বাস করেছেন লাদেনের ছেলে ওমর বিনলাদিন৷ সেখানে তিনি প্রকৃতির ছবি আঁকতেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে৷

জাতীয় নিরাপত্তার কথা ভেবে বিনলাদিনকে ফ্রান্স থেকে ডিপোর্ট বা বের করে দেওয়া হয়েছিল৷ এরপর বিচার বিভাগ তাকে বের করে দেওয়ার এই সিদ্ধান্তটির আইনি বৈধতা দেয়৷ এবং তারপর বিনলাদিনের ফ্রান্সে ফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নথিতে সই করেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রেটাইও৷ এক্স-এ এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন তিনি৷ ‘‘অর্ন অঞ্চলে একজন ব্রিটিশ নাগরিকের স্বামী হিসেবে কয়েক বছর বসবাস করা বিনলাদিন সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে ২০২৩ সালে তার সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করেছিলেন,’’ বলে এক্স-এ লিখেছেন রেটাইও৷

তবে বিনলাদিনকে কবে এবং কোথায় ডিপোর্ট করা হয়েছে তা জানাননি তিনি৷

মন্তব্যের জন্য বিনলাদিনের কাছে পৌঁছতে পারেনি রয়টার্স৷

বিনলাদিনকে পেইন্টিং বিক্রিতে সহায়তা করা প্যাসকেল মার্টিন বলেন, ইসলামিস্ট মতাদর্শের বিরোধী ছিলেন বিনলাদিন৷ তিনি পেইন্টিং বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন এবং কর দিতেন বলেও জানান মার্টিন৷ তিনি বলেন, বিনলাদিন এখন কাতারে আছেন৷ ‘‘আমরা বন্ধু হয়ে গিয়েছিলাম এবং আমি আপনাকে বলতে পারি, যা বলা হচ্ছে সেগুলো আমার চেনা ওমরের সঙ্গে মেলে না,’’ রয়টার্সকে বলেন মার্টিন৷

ফ্রান্সের স্থানীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা লে পিবিক্যাটা লিবা জানিয়েছে, তার বাবার জন্মদিনে পোস্ট দিয়ে ফ্রেঞ্চ কর্তৃপক্ষের নজরে পড়েছিলেন বিনলাদিন৷

২০১১ সালে ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করে মার্কিন বাহিনী৷

রয়টার্স বিনলাদিনের ঐ পোস্ট চিহ্নিত করতে পারেনি৷

মার্টিন জানান, বিনলাদিন তার বন্ধুদের বলেছিলেন, তার সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল৷

২০২৩ সালের জুলাই মাসে বিনলাদিনকে খুঁজতে পুলিশ নরম্যান্ডির ডমফো গ্রামে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় ঐ পত্রিকা৷

ডিডাব্লিউ ডটকম