১১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
মানুষের রক্তেই ঝুঁকছে মশা! বন ধ্বংসে বাড়ছে নতুন বিপদ রোজার রাতে আমিরাতের ‘ঘাবগা’ ঐতিহ্য: পরিবার-বন্ধুদের মিলনে ভরে ওঠে রাত তেল সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কা, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে সতর্ক করল আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা কী এই ইরানের সমুদ্র মাইন: যা হয়ে উঠতে পারে এই যুদ্ধে আমেরিকার জন্য ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন ভারতে জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কা নেই, সংসদে আশ্বাস জ্বালানি মন্ত্রীর ইতিবাচক ধারায় সপ্তাহ শেষ করল ডিএসই ও সিএসই সূচক মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দম্পতির মৃত্যু বাগেরহাটে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: একই পরিবারের ১০ জনসহ নিহত ১২ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে সৌদি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধ ভারতের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে: সতর্ক করলেন রাহুল গান্ধী

প্রচলিত জীবনের গল্পে ‘ভালোবাসায় আদরে’

  • Sarakhon Report
  • ০১:৫০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪
  • 123

রেজাই রাব্বী

ভালোবাসায় আদরে, জনপ্রিয় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা ইয়াশ রোহান ও সুহাসিনী খ্যাত অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী। তটিনীর মিষ্টি হাসি ও কথা বলার ধরন মুগ্ধ করে দর্শক—শ্রোতাকে। অসাধারণ এ নাটকটিতে আমাদের বাস্তব জীবনের প্রচলিত কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে যা কোনো না কোনোভাবে মানুষের জীবনের সাথে মিলে যায় ।দেখে মনে হবে এ যেন নিজেরই জীবনের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি যা নাটকটিতে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে নাটকটিতে খুবই সুন্দর একটি মিষ্টি প্রেম কাহিনী দেখানো হয়েছে।

গল্পে দেখানো হয়েছে রোহান ছোট্ট একটি চাকরি করে তার কাছে তেমন টাকা থাকে না। সে তটিনী কে কিছু কিনে দিতে পারে না এমনকি একটা শার্ট প্রতিদিনই পড়ে থাকেন। তটিনী ও খুব কষ্টে থাকেন শত কষ্টে থাকার পরও দুজন দুজনকে দেখলে তাদের মন ভালো হয়ে যায়।একেই হয়তো বলে ভালোবাসা। টাকা না থাকলেও যে একজন আরেকজনকে কিভাবে ভালোবাসা যায় তা এই নাটকটিতে দেখানো হয়েছে।

নাটকটিতে আমরা দেখতে পাই ইয়াশ রোহান গ্রাম ছেড়ে শহরে আসেন চাকরির জন্য। ইয়াশ রোহানের বাবা নেই তার ফ্যামিলির খরচ ও ছোট ভাইবোনদের পড়াশোনা খরচ সবই তাকে বহন করতে হয়। গল্পে সে সেলসম্যানের চাকরি করে। রোহান দিনরাত পরিশ্রম করে অনেক কষ্ট করে চাকরি করে কিন্তু এই টাকায় বেতন খুবই কম। এই টাকায় পরিবারের সকল খরচ মেটাতেই সব শেষ হয়ে যায় সে নিজের জন্য কিছুই রাখতে পারে না। এই কাজ তাকে এতটাই কষ্ট দেয় যে সে মাঝে মাঝে লুকিয়ে লুকিয়ে কান্না করে।

অন্যদিকে তটিনীর বাবা—মা মারা যাবার পর সে মামা—মামির কাছে বড় হন। তার মামা মামিও তাকে খুব ভালোবাসতো কিন্তু হঠাৎ তার মামি মারা যাবার কারণে তার মামা আর একটা বিয়ে করেন। এদিকে তার মামার ব্যবসাও দিন দিন খারাপ হতে থাকে, ব্যবসায় লস হতে থাকে হঠাৎ তার মামা প্যারালাইসিস হয়ে যায়। আর এই প্যারালাইসিস হওয়ার পরেই মামী তার সাথে খারাপ আচরণ করে।

ধীরে ধীরে সে আদরের মেয়ের থেকে কাজের মেয়েতে পরিণত হন এভাবেই চলতে থাকে ইয়াশ ও তটিনীর জীবন। এরই মাঝে হঠাৎ মামী তটিনীর জন্য একটি টাকা ওয়ালা বয়স্ক ছেলে নিয়ে আসেন বিয়ে দেওয়ার জন্য। এরপর রোহান সিদ্ধান্ত নেন তারা পালিয়ে তাদের গ্রামের বাড়িতে যাবেন।

একসময় ইয়াশ তটিনীকে নিয়ে তার গ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয় আর এভাবেই নাটকের সমাপ্তি ঘটে।উল্লেখ্য, ইয়াশ—তটিনী জুটির পাশাপাশি বিভিন্ন চরিত্রে সমু চৌধুরী, শিল্পী সরকার, জিলস্নুর রহমান, আনোয়ার, সাজ্জাদ চৌধুরী সহ আরও অনেকেই অভিনয় করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মানুষের রক্তেই ঝুঁকছে মশা! বন ধ্বংসে বাড়ছে নতুন বিপদ

প্রচলিত জীবনের গল্পে ‘ভালোবাসায় আদরে’

০১:৫০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪

রেজাই রাব্বী

ভালোবাসায় আদরে, জনপ্রিয় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা ইয়াশ রোহান ও সুহাসিনী খ্যাত অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী। তটিনীর মিষ্টি হাসি ও কথা বলার ধরন মুগ্ধ করে দর্শক—শ্রোতাকে। অসাধারণ এ নাটকটিতে আমাদের বাস্তব জীবনের প্রচলিত কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে যা কোনো না কোনোভাবে মানুষের জীবনের সাথে মিলে যায় ।দেখে মনে হবে এ যেন নিজেরই জীবনের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি যা নাটকটিতে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে নাটকটিতে খুবই সুন্দর একটি মিষ্টি প্রেম কাহিনী দেখানো হয়েছে।

গল্পে দেখানো হয়েছে রোহান ছোট্ট একটি চাকরি করে তার কাছে তেমন টাকা থাকে না। সে তটিনী কে কিছু কিনে দিতে পারে না এমনকি একটা শার্ট প্রতিদিনই পড়ে থাকেন। তটিনী ও খুব কষ্টে থাকেন শত কষ্টে থাকার পরও দুজন দুজনকে দেখলে তাদের মন ভালো হয়ে যায়।একেই হয়তো বলে ভালোবাসা। টাকা না থাকলেও যে একজন আরেকজনকে কিভাবে ভালোবাসা যায় তা এই নাটকটিতে দেখানো হয়েছে।

নাটকটিতে আমরা দেখতে পাই ইয়াশ রোহান গ্রাম ছেড়ে শহরে আসেন চাকরির জন্য। ইয়াশ রোহানের বাবা নেই তার ফ্যামিলির খরচ ও ছোট ভাইবোনদের পড়াশোনা খরচ সবই তাকে বহন করতে হয়। গল্পে সে সেলসম্যানের চাকরি করে। রোহান দিনরাত পরিশ্রম করে অনেক কষ্ট করে চাকরি করে কিন্তু এই টাকায় বেতন খুবই কম। এই টাকায় পরিবারের সকল খরচ মেটাতেই সব শেষ হয়ে যায় সে নিজের জন্য কিছুই রাখতে পারে না। এই কাজ তাকে এতটাই কষ্ট দেয় যে সে মাঝে মাঝে লুকিয়ে লুকিয়ে কান্না করে।

অন্যদিকে তটিনীর বাবা—মা মারা যাবার পর সে মামা—মামির কাছে বড় হন। তার মামা মামিও তাকে খুব ভালোবাসতো কিন্তু হঠাৎ তার মামি মারা যাবার কারণে তার মামা আর একটা বিয়ে করেন। এদিকে তার মামার ব্যবসাও দিন দিন খারাপ হতে থাকে, ব্যবসায় লস হতে থাকে হঠাৎ তার মামা প্যারালাইসিস হয়ে যায়। আর এই প্যারালাইসিস হওয়ার পরেই মামী তার সাথে খারাপ আচরণ করে।

ধীরে ধীরে সে আদরের মেয়ের থেকে কাজের মেয়েতে পরিণত হন এভাবেই চলতে থাকে ইয়াশ ও তটিনীর জীবন। এরই মাঝে হঠাৎ মামী তটিনীর জন্য একটি টাকা ওয়ালা বয়স্ক ছেলে নিয়ে আসেন বিয়ে দেওয়ার জন্য। এরপর রোহান সিদ্ধান্ত নেন তারা পালিয়ে তাদের গ্রামের বাড়িতে যাবেন।

একসময় ইয়াশ তটিনীকে নিয়ে তার গ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয় আর এভাবেই নাটকের সমাপ্তি ঘটে।উল্লেখ্য, ইয়াশ—তটিনী জুটির পাশাপাশি বিভিন্ন চরিত্রে সমু চৌধুরী, শিল্পী সরকার, জিলস্নুর রহমান, আনোয়ার, সাজ্জাদ চৌধুরী সহ আরও অনেকেই অভিনয় করেছেন।