০৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬
কাবুলে পানির সংকট নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা, শহরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নও ঝুঁকিতে ‘দ্য ওডিসি’ প্রচারে দেবী-প্রেরণার সাজে জেনডায়া, ফ্যাশনে চরিত্রের ভাষা কঙ্গোয় ইবোলা চিকিৎসায় প্রথম ট্রায়াল শুরু, ১৪০০ জন আক্রান্ত অং সান সু চির সঙ্গে দেখা করতে দিল না মিয়ানমার জান্তা থাই বিমানসেবিকার মাধ্যমে হেরোইন পাচার, উৎস মিয়ানমার সন্দেহ পঁচিশ বছর পর তাইওয়ান সেনায় ফিরল কমিউনিস্ট বিরোধী শিক্ষা আমির খানের ব্যক্তিগত আয়োজনে বিয়ে, গৌরী স্প্রাটের সঙ্গে নতুন অধ্যায় এআই এখনো বাস্তব পৃথিবী বোঝে না, গবেষকদের নতুন সতর্কবার্তা অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যু, বাংলা সাহিত্য ও চিন্তাজগতে শূন্যতা তাইওয়ানের পূর্বে চীনা কোস্টগার্ডের দ্বিতীয় টহল, তাইপের প্রতিবাদ

প্রচলিত জীবনের গল্পে ‘ভালোবাসায় আদরে’

  • Sarakhon Report
  • ০১:৫০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪
  • 162

রেজাই রাব্বী

ভালোবাসায় আদরে, জনপ্রিয় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা ইয়াশ রোহান ও সুহাসিনী খ্যাত অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী। তটিনীর মিষ্টি হাসি ও কথা বলার ধরন মুগ্ধ করে দর্শক—শ্রোতাকে। অসাধারণ এ নাটকটিতে আমাদের বাস্তব জীবনের প্রচলিত কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে যা কোনো না কোনোভাবে মানুষের জীবনের সাথে মিলে যায় ।দেখে মনে হবে এ যেন নিজেরই জীবনের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি যা নাটকটিতে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে নাটকটিতে খুবই সুন্দর একটি মিষ্টি প্রেম কাহিনী দেখানো হয়েছে।

গল্পে দেখানো হয়েছে রোহান ছোট্ট একটি চাকরি করে তার কাছে তেমন টাকা থাকে না। সে তটিনী কে কিছু কিনে দিতে পারে না এমনকি একটা শার্ট প্রতিদিনই পড়ে থাকেন। তটিনী ও খুব কষ্টে থাকেন শত কষ্টে থাকার পরও দুজন দুজনকে দেখলে তাদের মন ভালো হয়ে যায়।একেই হয়তো বলে ভালোবাসা। টাকা না থাকলেও যে একজন আরেকজনকে কিভাবে ভালোবাসা যায় তা এই নাটকটিতে দেখানো হয়েছে।

নাটকটিতে আমরা দেখতে পাই ইয়াশ রোহান গ্রাম ছেড়ে শহরে আসেন চাকরির জন্য। ইয়াশ রোহানের বাবা নেই তার ফ্যামিলির খরচ ও ছোট ভাইবোনদের পড়াশোনা খরচ সবই তাকে বহন করতে হয়। গল্পে সে সেলসম্যানের চাকরি করে। রোহান দিনরাত পরিশ্রম করে অনেক কষ্ট করে চাকরি করে কিন্তু এই টাকায় বেতন খুবই কম। এই টাকায় পরিবারের সকল খরচ মেটাতেই সব শেষ হয়ে যায় সে নিজের জন্য কিছুই রাখতে পারে না। এই কাজ তাকে এতটাই কষ্ট দেয় যে সে মাঝে মাঝে লুকিয়ে লুকিয়ে কান্না করে।

অন্যদিকে তটিনীর বাবা—মা মারা যাবার পর সে মামা—মামির কাছে বড় হন। তার মামা মামিও তাকে খুব ভালোবাসতো কিন্তু হঠাৎ তার মামি মারা যাবার কারণে তার মামা আর একটা বিয়ে করেন। এদিকে তার মামার ব্যবসাও দিন দিন খারাপ হতে থাকে, ব্যবসায় লস হতে থাকে হঠাৎ তার মামা প্যারালাইসিস হয়ে যায়। আর এই প্যারালাইসিস হওয়ার পরেই মামী তার সাথে খারাপ আচরণ করে।

ধীরে ধীরে সে আদরের মেয়ের থেকে কাজের মেয়েতে পরিণত হন এভাবেই চলতে থাকে ইয়াশ ও তটিনীর জীবন। এরই মাঝে হঠাৎ মামী তটিনীর জন্য একটি টাকা ওয়ালা বয়স্ক ছেলে নিয়ে আসেন বিয়ে দেওয়ার জন্য। এরপর রোহান সিদ্ধান্ত নেন তারা পালিয়ে তাদের গ্রামের বাড়িতে যাবেন।

একসময় ইয়াশ তটিনীকে নিয়ে তার গ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয় আর এভাবেই নাটকের সমাপ্তি ঘটে।উল্লেখ্য, ইয়াশ—তটিনী জুটির পাশাপাশি বিভিন্ন চরিত্রে সমু চৌধুরী, শিল্পী সরকার, জিলস্নুর রহমান, আনোয়ার, সাজ্জাদ চৌধুরী সহ আরও অনেকেই অভিনয় করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাবুলে পানির সংকট নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা, শহরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নও ঝুঁকিতে

প্রচলিত জীবনের গল্পে ‘ভালোবাসায় আদরে’

০১:৫০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪

রেজাই রাব্বী

ভালোবাসায় আদরে, জনপ্রিয় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা ইয়াশ রোহান ও সুহাসিনী খ্যাত অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী। তটিনীর মিষ্টি হাসি ও কথা বলার ধরন মুগ্ধ করে দর্শক—শ্রোতাকে। অসাধারণ এ নাটকটিতে আমাদের বাস্তব জীবনের প্রচলিত কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে যা কোনো না কোনোভাবে মানুষের জীবনের সাথে মিলে যায় ।দেখে মনে হবে এ যেন নিজেরই জীবনের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি যা নাটকটিতে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে নাটকটিতে খুবই সুন্দর একটি মিষ্টি প্রেম কাহিনী দেখানো হয়েছে।

গল্পে দেখানো হয়েছে রোহান ছোট্ট একটি চাকরি করে তার কাছে তেমন টাকা থাকে না। সে তটিনী কে কিছু কিনে দিতে পারে না এমনকি একটা শার্ট প্রতিদিনই পড়ে থাকেন। তটিনী ও খুব কষ্টে থাকেন শত কষ্টে থাকার পরও দুজন দুজনকে দেখলে তাদের মন ভালো হয়ে যায়।একেই হয়তো বলে ভালোবাসা। টাকা না থাকলেও যে একজন আরেকজনকে কিভাবে ভালোবাসা যায় তা এই নাটকটিতে দেখানো হয়েছে।

নাটকটিতে আমরা দেখতে পাই ইয়াশ রোহান গ্রাম ছেড়ে শহরে আসেন চাকরির জন্য। ইয়াশ রোহানের বাবা নেই তার ফ্যামিলির খরচ ও ছোট ভাইবোনদের পড়াশোনা খরচ সবই তাকে বহন করতে হয়। গল্পে সে সেলসম্যানের চাকরি করে। রোহান দিনরাত পরিশ্রম করে অনেক কষ্ট করে চাকরি করে কিন্তু এই টাকায় বেতন খুবই কম। এই টাকায় পরিবারের সকল খরচ মেটাতেই সব শেষ হয়ে যায় সে নিজের জন্য কিছুই রাখতে পারে না। এই কাজ তাকে এতটাই কষ্ট দেয় যে সে মাঝে মাঝে লুকিয়ে লুকিয়ে কান্না করে।

অন্যদিকে তটিনীর বাবা—মা মারা যাবার পর সে মামা—মামির কাছে বড় হন। তার মামা মামিও তাকে খুব ভালোবাসতো কিন্তু হঠাৎ তার মামি মারা যাবার কারণে তার মামা আর একটা বিয়ে করেন। এদিকে তার মামার ব্যবসাও দিন দিন খারাপ হতে থাকে, ব্যবসায় লস হতে থাকে হঠাৎ তার মামা প্যারালাইসিস হয়ে যায়। আর এই প্যারালাইসিস হওয়ার পরেই মামী তার সাথে খারাপ আচরণ করে।

ধীরে ধীরে সে আদরের মেয়ের থেকে কাজের মেয়েতে পরিণত হন এভাবেই চলতে থাকে ইয়াশ ও তটিনীর জীবন। এরই মাঝে হঠাৎ মামী তটিনীর জন্য একটি টাকা ওয়ালা বয়স্ক ছেলে নিয়ে আসেন বিয়ে দেওয়ার জন্য। এরপর রোহান সিদ্ধান্ত নেন তারা পালিয়ে তাদের গ্রামের বাড়িতে যাবেন।

একসময় ইয়াশ তটিনীকে নিয়ে তার গ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয় আর এভাবেই নাটকের সমাপ্তি ঘটে।উল্লেখ্য, ইয়াশ—তটিনী জুটির পাশাপাশি বিভিন্ন চরিত্রে সমু চৌধুরী, শিল্পী সরকার, জিলস্নুর রহমান, আনোয়ার, সাজ্জাদ চৌধুরী সহ আরও অনেকেই অভিনয় করেছেন।