১২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
সমুদ্রে উদ্ধার অভিযানে নতুন যুগ, মার্কিন বাহিনীর সদস্যদের বাঁচাল চালকবিহীন নৌযান হরমুজ ঘিরে নতুন সংঘাত: মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে লালমনিরহাটে কিশোর হত্যার জেরে উত্তেজনা, ভাঙচুরের পর মহাসড়ক অবরোধ বিশ্বকাপের স্বপ্ন ভাঙল সোমালি রেফারি ওমর আরতানের, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা হেরাতে নারীদের প্রতিবাদে রক্তপাত, দুজনের মৃত্যু নিয়ে উত্তেজনা মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে চাপে বিদ্রোহীরা, পাল্টা আক্রমণে শক্তি বাড়াচ্ছে সেনাবাহিনী মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের লড়াই অব্যাহত, যুদ্ধক্ষেত্রের হাসপাতালে জন্ম নিল ‘আশার সন্তান’ যুক্তরাষ্ট্রে মাংসখেকো স্ক্রুওয়ার্মের নতুন সংক্রমণ, আতঙ্কে খামারিরা চাঁদে ফেরার প্রস্তুতিতে বড় পদক্ষেপ, আর্টেমিস-৩ অভিযানের নভোচারী দল ঘোষণা নাসার তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে টহল ঘিরে নতুন উত্তেজনা, মুখোমুখি চীন ও তাইওয়ান

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪
  • 141

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

অর্থনৈতিক জীবন, বাণিজ্য এবং জীবিকা

আজ থেকে কমবেশি তিন হাজার বছর আগে শুরু হয়েছিল মায়া-সভ্যতা। জীবনযাত্রার নানাদিক,সামাজিক বিষয়,শিল্প এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সভ্যতার নানা বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়েছিল। সেসব দিকই ছিল নিজস্ব কায়দা এবং দেশজ পদ্ধতিতে সমৃদ্ধ। এই দৃষ্টিকোণকে প্রসারিত করেই এ অধ্যায়ের সূচনা। প্রশ্ন ও অনুসন্ধান হল মায়াদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, জীবিকা,পেশা।

রুটি-রোজগার, খেয়ে বেঁচে থাকার বিষয়টি সব সমাজ, সামাজিক গোষ্ঠীর মত মায়াদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। অর্থনীতির প্রসঙ্গে প্রথমেই বলে নেওয়া দরকার মায়া জনসংখ্যা খুব বেশি নয় এবং এদের মধ্যে ছোট অংশই শহরাঞ্চলে বসবাস করত। অর্থাৎ বেশিরভাগই থাকত বিভিন্ন প্রদেশ-শহরের গ্রামাঞ্চলে। এর অন্যতম কারণ হল মায়াদের অর্থনীতি প্রধানত কৃষি-নির্ভর। কৃষিসংক্রান্ত নানা পেশা ছিল তাদের জীবনযাত্রার প্রধান দিক।

এক্ষেত্রে বলা ভাল এই কৃষিকাজ, চাষবাস নির্ভরশীল ছিল বৃষ্টিপাত এবং বনাঞ্চলের উপর। মায়াদের বনজীবিকার মধ্যে একটা বিশেষ পদ্ধতি ছিল। প্রথমে তারা বনের কোনো ভাল গাছ কাটারির মত কিছু দিয়ে কাটে। এরপর ঐ গাছ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। মায়াদের চাষ পদ্ধতিতে এই দগ্ধ গাছের ডাল সারের কাজে লাগানো হয়। এরপরের স্তরে ঐ বনাঞ্চল (ছোট এলাকা) চাষ করার কাজ শুরু হয়। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা প্রয়োজন মায়ারা কখনো কৃত্রিম উপায়ে তৈরি সার ব্যবহার করত না। কেননা মায়ারা বিশ্বাস করত এই তথাকথিত উন্নত সার জমির উর্বরতা নষ্ট করে দেয় এবং জমিই হল তাদের জীবিকার অন্যতম পথ।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৫)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৫)

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রে উদ্ধার অভিযানে নতুন যুগ, মার্কিন বাহিনীর সদস্যদের বাঁচাল চালকবিহীন নৌযান

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)

০৬:০০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

অর্থনৈতিক জীবন, বাণিজ্য এবং জীবিকা

আজ থেকে কমবেশি তিন হাজার বছর আগে শুরু হয়েছিল মায়া-সভ্যতা। জীবনযাত্রার নানাদিক,সামাজিক বিষয়,শিল্প এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সভ্যতার নানা বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়েছিল। সেসব দিকই ছিল নিজস্ব কায়দা এবং দেশজ পদ্ধতিতে সমৃদ্ধ। এই দৃষ্টিকোণকে প্রসারিত করেই এ অধ্যায়ের সূচনা। প্রশ্ন ও অনুসন্ধান হল মায়াদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, জীবিকা,পেশা।

রুটি-রোজগার, খেয়ে বেঁচে থাকার বিষয়টি সব সমাজ, সামাজিক গোষ্ঠীর মত মায়াদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। অর্থনীতির প্রসঙ্গে প্রথমেই বলে নেওয়া দরকার মায়া জনসংখ্যা খুব বেশি নয় এবং এদের মধ্যে ছোট অংশই শহরাঞ্চলে বসবাস করত। অর্থাৎ বেশিরভাগই থাকত বিভিন্ন প্রদেশ-শহরের গ্রামাঞ্চলে। এর অন্যতম কারণ হল মায়াদের অর্থনীতি প্রধানত কৃষি-নির্ভর। কৃষিসংক্রান্ত নানা পেশা ছিল তাদের জীবনযাত্রার প্রধান দিক।

এক্ষেত্রে বলা ভাল এই কৃষিকাজ, চাষবাস নির্ভরশীল ছিল বৃষ্টিপাত এবং বনাঞ্চলের উপর। মায়াদের বনজীবিকার মধ্যে একটা বিশেষ পদ্ধতি ছিল। প্রথমে তারা বনের কোনো ভাল গাছ কাটারির মত কিছু দিয়ে কাটে। এরপর ঐ গাছ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। মায়াদের চাষ পদ্ধতিতে এই দগ্ধ গাছের ডাল সারের কাজে লাগানো হয়। এরপরের স্তরে ঐ বনাঞ্চল (ছোট এলাকা) চাষ করার কাজ শুরু হয়। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা প্রয়োজন মায়ারা কখনো কৃত্রিম উপায়ে তৈরি সার ব্যবহার করত না। কেননা মায়ারা বিশ্বাস করত এই তথাকথিত উন্নত সার জমির উর্বরতা নষ্ট করে দেয় এবং জমিই হল তাদের জীবিকার অন্যতম পথ।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৫)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৫)