০৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
শেয়ারবাজারে সূচকের ঊর্ধ্বগতি, তবে কমেছে লেনদেন হামে আরও ৩ শিশুর সন্দেহজনক মৃত্যু, দেশে মোট মৃত্যু ৭৪১ যুক্তরাজ্যে কেয়ার কর্মীদের পরিবার আনা নিয়ে নতুন বিতর্ক, বাংলাদেশিদের গড়েও পাঁচের বেশি নির্ভরশীল নরওয়ের বিশ্বকাপ স্বপ্ন আর কাকতালীয় নয়, এটি একটি সুপরিকল্পিত ফুটবল বিপ্লব মরণব্যাধির মুখে নিজের সঞ্চয়েও বাধা: পেনশন ব্যবস্থার মানবিক সংস্কারের এখনই সময় ‘খেলা শেষ, খোদা হাফেজ’—ফেসবুক পোস্টে ফার-রাইট রাজনীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মাহফুজ আলমের রাম মন্দির অনুদান কেলেঙ্কারি: সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের পদত্যাগ গ্রহণ, ২২ জুলাই বিশেষ তদন্ত দলের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষা উচ্চ-মধ্যম আয়ের স্বীকৃতি যথেষ্ট নয়, প্রকৃত পরীক্ষা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের আপেক্সে বিকাশে পেমেন্টে মিলছে ছাড়, উপহার জেতারও সুযোগ শ্রীলঙ্কার কারাগারে দাঙ্গায় ২৩ জন নিহত, আহত শতাধিক

বাংলার শাক (পর্ব-৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৪
  • 128

শুষনি
Marsilea minuta (Marsileaceae)

শুষনি শাক সবসময় পাওয়া যায়। আপনা থেকেই জলাশয়ের ধারে বা ধান ক্ষেতের আশেপাশে প্রচুর পরিমাণে হয়। ছড়ানো ধরণের লতানে গাছ। চাষ করতে হলে বর্ষায় ভিজে জমিতে লতা কেটে লাগাতে হয়। বীজ ও সংগ্রহ করে লাগানো যায়। এই শাকের পাতা অনেক নরম ও পাতলা হয়। পাতার রং সবুজ নরম ও সরু ডাল বিশিষ্ট ঘাস। থোকা থোকা জন্মে থাকে।

একটি ডালে একটি পাতা হয়।  বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সমতল গ্রামেগুলোতে এই শাক পাওয়া যায়। নিচু জমিতে, জলাভূমির কিনারে, ভেজা ও স্যাঁতস্যাতে জায়গায় বেশি জন্মে। যেখানে জন্মে সেখানেই বিস্তৃতি দেখা যায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই শাকের বিভিন্ন নাম আছে।

ভেজে ও ঝোল করে খাওয়া হয়। যাদের অনিদ্রা রোগ আছে, শুষনি শাক খেলে তাদের ঘুম ভালো হয়। দিনে ২-৩ বার ৪ চামচ রস কিংবা ঝোল খেলে ওজন কমায়। হজম শক্তি ও দেহের শক্তি বাড়ায়। মেধা বাড়ায়। হাঁপানী রোগীরা উপকৃত হয়। শুষনি শাকের বীজ বেটে ঘোলের সাথে পান করলে প্রস্রাব করায়।

(চলবে)

বাংলার শাক ( পর্ব-৩)

বাংলার শাক ( পর্ব-৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

শেয়ারবাজারে সূচকের ঊর্ধ্বগতি, তবে কমেছে লেনদেন

বাংলার শাক (পর্ব-৪)

০৯:০০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৪

শুষনি
Marsilea minuta (Marsileaceae)

শুষনি শাক সবসময় পাওয়া যায়। আপনা থেকেই জলাশয়ের ধারে বা ধান ক্ষেতের আশেপাশে প্রচুর পরিমাণে হয়। ছড়ানো ধরণের লতানে গাছ। চাষ করতে হলে বর্ষায় ভিজে জমিতে লতা কেটে লাগাতে হয়। বীজ ও সংগ্রহ করে লাগানো যায়। এই শাকের পাতা অনেক নরম ও পাতলা হয়। পাতার রং সবুজ নরম ও সরু ডাল বিশিষ্ট ঘাস। থোকা থোকা জন্মে থাকে।

একটি ডালে একটি পাতা হয়।  বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সমতল গ্রামেগুলোতে এই শাক পাওয়া যায়। নিচু জমিতে, জলাভূমির কিনারে, ভেজা ও স্যাঁতস্যাতে জায়গায় বেশি জন্মে। যেখানে জন্মে সেখানেই বিস্তৃতি দেখা যায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই শাকের বিভিন্ন নাম আছে।

ভেজে ও ঝোল করে খাওয়া হয়। যাদের অনিদ্রা রোগ আছে, শুষনি শাক খেলে তাদের ঘুম ভালো হয়। দিনে ২-৩ বার ৪ চামচ রস কিংবা ঝোল খেলে ওজন কমায়। হজম শক্তি ও দেহের শক্তি বাড়ায়। মেধা বাড়ায়। হাঁপানী রোগীরা উপকৃত হয়। শুষনি শাকের বীজ বেটে ঘোলের সাথে পান করলে প্রস্রাব করায়।

(চলবে)

বাংলার শাক ( পর্ব-৩)

বাংলার শাক ( পর্ব-৩)