০৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
ব্রিটিশ ভারত ভাগ: স্মৃতি, দায়বদ্ধতা ও ভাষায় প্রকাশের অতীত এক শোক মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ১ বিলিয়ন ডলারের তহবিল, তবু ট্রাম্পের অর্থ ছাড় নিয়ে অনিশ্চয়তা জেন-জি থেকে জেন-আলফা: তরুণদের ক্ষোভ কি আসলে ব্যর্থ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে? কোয়ান্টাম জগতের কোয়ান্টাম কমপিউটিং আগুন নেভাতে সুপারম্যান সেজে মাঠে ১৭ বছরের কিশোর আরও চড়া দামে দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার, ইউনিটপ্রতি দাম ২৪ ডলার ছাড়াল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মাসের সর্বনিম্ন লেনদেন, টানা দুই দিনে ১৪১ পয়েন্ট সূচক পতন রাশিয়ার বন্দিশালায় ইউক্রেনীয়দের খোঁজ: রাষ্ট্রীয় নীরবতার দেয়াল ভাঙার লড়াই নারীদের জন্য বছরে ৩টি বিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার, বাসে ফ্রি যাত্রা—বড় ঘোষণা বিজয়ের খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হবিগঞ্জে পানিবন্দি ৫ হাজার, ডুবেছে শত শত হেক্টর ফসল

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 99

প্রদীপ কুমার মজুমদার

খরোষ্ঠী বা ব্রাহ্মীলিপির সাহায্যে ছোট ছোট সংখ্যাকে লিখতে বিশেষ অসুবিধা হোত না। অসুবিধা হোত বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে। মনে হয় বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে শূন্য ও দশমিক স্থানীয়মান পদ্ধতির আবিষ্কার হয়। আমরা পূর্বেই দেখেছি ভারতীয়রা স্থানীয়মান সহকারে অঙ্কপাতন পদ্ধতি ব্যবহার করতে গিয়ে ডান থেকে বাঁদিকে সংখ্যার মান উত্তরোত্তর দশগুণ বৃদ্ধি করতেন।

উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক ৬৬ সংখ্যাটিকে। এককের স্থানে ৬ এর যে মান দশকের স্থানে ৬ এর মান এর দশগুণ বেশী। দশমিক স্থানীয় অঙ্কপাতন পদ্ধতি যদি ভারতীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে না থাকতো তাহলে ভারতীয় পদ্ধতি অন্যান্ত দেশের সংখ্যা লিখন পদ্ধতি থেকে শ্রেষ্ঠ হোত না।

ভারতীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে শূল্পের ব্যবহার থাকায় এই পদ্ধতি সবচেয়ে বেশী বিজ্ঞানসম্মত বলে স্থির হয়েছে। এ ব্যাপারে একটু আলোচনা করা যাক। সাতশ দুই এই সংখ্যাটি লওয়া থাক। প্রথমে এককের ঘরে ২ এবং দশকের ঘরে ফাঁকটি রয়েছে। এটি এক অর্থে মূলাহীন আবার অন্য অর্থে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রিটিশ ভারত ভাগ: স্মৃতি, দায়বদ্ধতা ও ভাষায় প্রকাশের অতীত এক শোক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫)

১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

খরোষ্ঠী বা ব্রাহ্মীলিপির সাহায্যে ছোট ছোট সংখ্যাকে লিখতে বিশেষ অসুবিধা হোত না। অসুবিধা হোত বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে। মনে হয় বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে শূন্য ও দশমিক স্থানীয়মান পদ্ধতির আবিষ্কার হয়। আমরা পূর্বেই দেখেছি ভারতীয়রা স্থানীয়মান সহকারে অঙ্কপাতন পদ্ধতি ব্যবহার করতে গিয়ে ডান থেকে বাঁদিকে সংখ্যার মান উত্তরোত্তর দশগুণ বৃদ্ধি করতেন।

উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক ৬৬ সংখ্যাটিকে। এককের স্থানে ৬ এর যে মান দশকের স্থানে ৬ এর মান এর দশগুণ বেশী। দশমিক স্থানীয় অঙ্কপাতন পদ্ধতি যদি ভারতীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে না থাকতো তাহলে ভারতীয় পদ্ধতি অন্যান্ত দেশের সংখ্যা লিখন পদ্ধতি থেকে শ্রেষ্ঠ হোত না।

ভারতীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে শূল্পের ব্যবহার থাকায় এই পদ্ধতি সবচেয়ে বেশী বিজ্ঞানসম্মত বলে স্থির হয়েছে। এ ব্যাপারে একটু আলোচনা করা যাক। সাতশ দুই এই সংখ্যাটি লওয়া থাক। প্রথমে এককের ঘরে ২ এবং দশকের ঘরে ফাঁকটি রয়েছে। এটি এক অর্থে মূলাহীন আবার অন্য অর্থে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)