০২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সুপার ফাইনালে কর্ণাটকের অভিজ্ঞতা বনাম ঝাড়খন্ডির পেস থ্রিলার শক্তি: ইতিহাসের নির্ণয় ম্যাচে রণজি ট্রফির টাকার লড়াই ভারতের প্রথম প্রতিরুদ্ধ teror নীতি ‘প্রহাার’ ঘোষণা: কেন্দ্র দৃঢ় অবস্থানে চীনা পর্যটকদের জাপান সফর লুনার নিউ ইয়োরে ৫০% কমে গেছে, থাইল্যান্ড লাভে চীনা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় জাপানি কোম্পানি, টোকিয়োর উপর চাপ বাড়ল আলঝেইমারের নতুন ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে ক্যান্সার গবেষণার কৌশল থেকে শিক্ষা নতুন NCERT বইতে ভারত ভাগকে ‘অপরিহার্য’ বলে প্রকাশ, বিতর্কের ঝড় চীন বনাম পশ্চিমা দেশ? ওয়াং ই বললেন, কোনো দেশ ‘মানবাধিকার শিক্ষক’ নয় ঈদুল ফিতরে টানা চার দিনের ছুটি, সম্ভাব্য তারিখ জানাল বিশেষজ্ঞরা সারওয়ার আলম আবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এনবিআর গঠন করল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুতি কমিটি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 57

প্রদীপ কুমার মজুমদার

খরোষ্ঠী বা ব্রাহ্মীলিপির সাহায্যে ছোট ছোট সংখ্যাকে লিখতে বিশেষ অসুবিধা হোত না। অসুবিধা হোত বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে। মনে হয় বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে শূন্য ও দশমিক স্থানীয়মান পদ্ধতির আবিষ্কার হয়। আমরা পূর্বেই দেখেছি ভারতীয়রা স্থানীয়মান সহকারে অঙ্কপাতন পদ্ধতি ব্যবহার করতে গিয়ে ডান থেকে বাঁদিকে সংখ্যার মান উত্তরোত্তর দশগুণ বৃদ্ধি করতেন।

উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক ৬৬ সংখ্যাটিকে। এককের স্থানে ৬ এর যে মান দশকের স্থানে ৬ এর মান এর দশগুণ বেশী। দশমিক স্থানীয় অঙ্কপাতন পদ্ধতি যদি ভারতীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে না থাকতো তাহলে ভারতীয় পদ্ধতি অন্যান্ত দেশের সংখ্যা লিখন পদ্ধতি থেকে শ্রেষ্ঠ হোত না।

ভারতীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে শূল্পের ব্যবহার থাকায় এই পদ্ধতি সবচেয়ে বেশী বিজ্ঞানসম্মত বলে স্থির হয়েছে। এ ব্যাপারে একটু আলোচনা করা যাক। সাতশ দুই এই সংখ্যাটি লওয়া থাক। প্রথমে এককের ঘরে ২ এবং দশকের ঘরে ফাঁকটি রয়েছে। এটি এক অর্থে মূলাহীন আবার অন্য অর্থে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

সুপার ফাইনালে কর্ণাটকের অভিজ্ঞতা বনাম ঝাড়খন্ডির পেস থ্রিলার শক্তি: ইতিহাসের নির্ণয় ম্যাচে রণজি ট্রফির টাকার লড়াই

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫)

১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

খরোষ্ঠী বা ব্রাহ্মীলিপির সাহায্যে ছোট ছোট সংখ্যাকে লিখতে বিশেষ অসুবিধা হোত না। অসুবিধা হোত বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে। মনে হয় বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে শূন্য ও দশমিক স্থানীয়মান পদ্ধতির আবিষ্কার হয়। আমরা পূর্বেই দেখেছি ভারতীয়রা স্থানীয়মান সহকারে অঙ্কপাতন পদ্ধতি ব্যবহার করতে গিয়ে ডান থেকে বাঁদিকে সংখ্যার মান উত্তরোত্তর দশগুণ বৃদ্ধি করতেন।

উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক ৬৬ সংখ্যাটিকে। এককের স্থানে ৬ এর যে মান দশকের স্থানে ৬ এর মান এর দশগুণ বেশী। দশমিক স্থানীয় অঙ্কপাতন পদ্ধতি যদি ভারতীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে না থাকতো তাহলে ভারতীয় পদ্ধতি অন্যান্ত দেশের সংখ্যা লিখন পদ্ধতি থেকে শ্রেষ্ঠ হোত না।

ভারতীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে শূল্পের ব্যবহার থাকায় এই পদ্ধতি সবচেয়ে বেশী বিজ্ঞানসম্মত বলে স্থির হয়েছে। এ ব্যাপারে একটু আলোচনা করা যাক। সাতশ দুই এই সংখ্যাটি লওয়া থাক। প্রথমে এককের ঘরে ২ এবং দশকের ঘরে ফাঁকটি রয়েছে। এটি এক অর্থে মূলাহীন আবার অন্য অর্থে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)