০৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
ডিগ্রি নয়, অভিজ্ঞতার দৌড়: তরুণ চাকরিপ্রার্থীদের জন্য নতুন বাস্তবতা জাপানে ভালুকের শহরমুখী যাত্রা: জলবায়ু পরিবর্তনের নীরব সতর্কবার্তা হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা চরমে: মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কবার্তা রোহিত-রিকেলটনের ঝড়ে মুম্বইয়ের দাপুটে জয়, প্লে-অফ আশায় নতুন আলো রাবিতে ১১ হলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা ঘিরে উত্তেজনা দামি চিকিৎসা মানেই ভালো নয়: নতুন প্রযুক্তি বেছে নেওয়ার আগে সহজভাবে বুঝে নিন বাস্তবতা নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে সোনালী সিকিউরিটিজের ট্রেক বাতিল, বিনিয়োগকারীদের সতর্কবার্তা বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় দাদি-নাতনির মর্মান্তিক মৃত্যু, বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই প্রাণহানি রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী নিহত, ক্ষোভে দুই ডাম্প ট্রাকে আগুন স্বাস্থ্যসেবায় বাড়ছে অপ্রাপ্তি, খরচের ৭৯ শতাংশই নিজের পকেট থেকে: বিআইডিএসের উদ্বেগজনক চিত্র

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 76

প্রদীপ কুমার মজুমদার

খরোষ্ঠী বা ব্রাহ্মীলিপির সাহায্যে ছোট ছোট সংখ্যাকে লিখতে বিশেষ অসুবিধা হোত না। অসুবিধা হোত বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে। মনে হয় বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে শূন্য ও দশমিক স্থানীয়মান পদ্ধতির আবিষ্কার হয়। আমরা পূর্বেই দেখেছি ভারতীয়রা স্থানীয়মান সহকারে অঙ্কপাতন পদ্ধতি ব্যবহার করতে গিয়ে ডান থেকে বাঁদিকে সংখ্যার মান উত্তরোত্তর দশগুণ বৃদ্ধি করতেন।

উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক ৬৬ সংখ্যাটিকে। এককের স্থানে ৬ এর যে মান দশকের স্থানে ৬ এর মান এর দশগুণ বেশী। দশমিক স্থানীয় অঙ্কপাতন পদ্ধতি যদি ভারতীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে না থাকতো তাহলে ভারতীয় পদ্ধতি অন্যান্ত দেশের সংখ্যা লিখন পদ্ধতি থেকে শ্রেষ্ঠ হোত না।

ভারতীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে শূল্পের ব্যবহার থাকায় এই পদ্ধতি সবচেয়ে বেশী বিজ্ঞানসম্মত বলে স্থির হয়েছে। এ ব্যাপারে একটু আলোচনা করা যাক। সাতশ দুই এই সংখ্যাটি লওয়া থাক। প্রথমে এককের ঘরে ২ এবং দশকের ঘরে ফাঁকটি রয়েছে। এটি এক অর্থে মূলাহীন আবার অন্য অর্থে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিগ্রি নয়, অভিজ্ঞতার দৌড়: তরুণ চাকরিপ্রার্থীদের জন্য নতুন বাস্তবতা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫)

১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

খরোষ্ঠী বা ব্রাহ্মীলিপির সাহায্যে ছোট ছোট সংখ্যাকে লিখতে বিশেষ অসুবিধা হোত না। অসুবিধা হোত বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে। মনে হয় বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে শূন্য ও দশমিক স্থানীয়মান পদ্ধতির আবিষ্কার হয়। আমরা পূর্বেই দেখেছি ভারতীয়রা স্থানীয়মান সহকারে অঙ্কপাতন পদ্ধতি ব্যবহার করতে গিয়ে ডান থেকে বাঁদিকে সংখ্যার মান উত্তরোত্তর দশগুণ বৃদ্ধি করতেন।

উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক ৬৬ সংখ্যাটিকে। এককের স্থানে ৬ এর যে মান দশকের স্থানে ৬ এর মান এর দশগুণ বেশী। দশমিক স্থানীয় অঙ্কপাতন পদ্ধতি যদি ভারতীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে না থাকতো তাহলে ভারতীয় পদ্ধতি অন্যান্ত দেশের সংখ্যা লিখন পদ্ধতি থেকে শ্রেষ্ঠ হোত না।

ভারতীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে শূল্পের ব্যবহার থাকায় এই পদ্ধতি সবচেয়ে বেশী বিজ্ঞানসম্মত বলে স্থির হয়েছে। এ ব্যাপারে একটু আলোচনা করা যাক। সাতশ দুই এই সংখ্যাটি লওয়া থাক। প্রথমে এককের ঘরে ২ এবং দশকের ঘরে ফাঁকটি রয়েছে। এটি এক অর্থে মূলাহীন আবার অন্য অর্থে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)