১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিক্ষানীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বারবার বদল ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ‘সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ’ ম্যাচ, কড়া নিরাপত্তায় আটলান্টা ১৮ শতকের রুটির জাদু, প্রাচীন পদ্ধতিতে নতুন প্রজন্মের মুগ্ধতা হরমুজ প্রণালী নিরাপত্তায় ২০ শতাংশ ফি চাইল যুক্তরাষ্ট্র, তীব্র হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা বৈরিতা: ফুটবলের বাইরে দুই শতকের ইতিহাস, যুদ্ধ ও সম্পর্কের গল্প ভারতে পরীক্ষা সংস্কার ও জবাবদিহির দাবিতে অনশন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সোনম ওয়াংচুকের বার্তা সুপ্রিম কোর্টের বড় সিদ্ধান্ত, তামিলনাড়ুতে গরু জবাই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ রথযাত্রা উৎসবে বড় ঘোষণা, পশ্চিমবঙ্গে আয়োজকদের ৫ লাখ টাকা করে অনুদান আকাশ ছুঁতে মাটির নিচে শিল্পীর অনন্য যাত্রা, ডেনমার্কে খুলল শততম আলো-আকাশের স্থাপনা মনিপুর সংকট: কুকি-জোদের আলোচনার উদ্যোগে মিজোরামের দ্বারস্থ, শান্তির পথে নতুন চেষ্টা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫
  • 180

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কেহ কেহ আছেন যাঁরা শাস্ত্রে গভীর জ্ঞানী, সংসারত্যাগী, সরলচিত্ত, অর্থে ও সাংসারিক নিন্দা-স্তুতি সম্বন্ধে সম্পূর্ণ নিরাসক্ত। রাজারা ও দেশের প্রধান ব্যক্তিরা তাঁদের খুব সম্মান করেন কিন্তু রাজসভায় তাঁরা আকৃষ্ট হন না।

সম্মানে বা অর্থে নিস্পৃহ হয়ে নিজেদের সামান্য সম্বলের উপরেই নির্ভর করে উৎসাহের সঙ্গে তাঁরা বিদ্যা ও জ্ঞানের অন্বেষণে ব্যাপৃত থাকেন। নিজেদের যথেষ্ট ধন থাকলেও এঁরা নানাস্থানে ঘুরে বেড়িয়ে ভিক্ষান্নে জীবনধারণ করেন।

সত্যান্বেষণেই এঁদের সম্মান; দারিদ্র্যে এঁদের লজ্জা নেই। আবার এ রকম লোকও আছেন যাঁরা বিদ্যার মূল্য ভালো ক’রেই জানেন, তবু নির্লজ্জভাবে কর্তব্যে অবহেলা ক’রে, নিজেদের সুখের জন্যে ইতস্তত ঘুরে বেড়িয়ে অর্থ নষ্ট করেন। মহার্ঘ খাদ্য আর পোষাকেই তাঁরা সর্বস্ব ব্যয় করেন। এঁদের অখ্যাতি বহু দূর পর্যন্ত রটে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৯)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৯)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষানীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বারবার বদল

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫০)

০৯:০০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কেহ কেহ আছেন যাঁরা শাস্ত্রে গভীর জ্ঞানী, সংসারত্যাগী, সরলচিত্ত, অর্থে ও সাংসারিক নিন্দা-স্তুতি সম্বন্ধে সম্পূর্ণ নিরাসক্ত। রাজারা ও দেশের প্রধান ব্যক্তিরা তাঁদের খুব সম্মান করেন কিন্তু রাজসভায় তাঁরা আকৃষ্ট হন না।

সম্মানে বা অর্থে নিস্পৃহ হয়ে নিজেদের সামান্য সম্বলের উপরেই নির্ভর করে উৎসাহের সঙ্গে তাঁরা বিদ্যা ও জ্ঞানের অন্বেষণে ব্যাপৃত থাকেন। নিজেদের যথেষ্ট ধন থাকলেও এঁরা নানাস্থানে ঘুরে বেড়িয়ে ভিক্ষান্নে জীবনধারণ করেন।

সত্যান্বেষণেই এঁদের সম্মান; দারিদ্র্যে এঁদের লজ্জা নেই। আবার এ রকম লোকও আছেন যাঁরা বিদ্যার মূল্য ভালো ক’রেই জানেন, তবু নির্লজ্জভাবে কর্তব্যে অবহেলা ক’রে, নিজেদের সুখের জন্যে ইতস্তত ঘুরে বেড়িয়ে অর্থ নষ্ট করেন। মহার্ঘ খাদ্য আর পোষাকেই তাঁরা সর্বস্ব ব্যয় করেন। এঁদের অখ্যাতি বহু দূর পর্যন্ত রটে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৯)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৯)