০১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫
  • 126

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

দুঃখের বিষয় হিউএনচাঙ ৬৩০ খৃস্টাব্দে যখন পুরুষপুরে আসেন তার দুইশত বছর আগে বর্বর মিহিরগুল এদেশ ধ্বংস করেছিল। তিনি বলেছেন, ‘নগর, গ্রাম সবই প্রায় জনশূন্য। পুরুষপুরের এক কোণে কেবল হাজার খানেক পরিবার বাস করে। লক্ষ লক্ষ বৌদ্ধ মঠের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়।

এগুলির উপর গাছ জন্মাচ্ছে। বেশির ভাগ স্তূপ ধ্বংস হয়েছে।’ পুরুষপুরে রক্ষিত বুদ্ধের ভিক্ষাপাত্র পর্যন্ত বর্বররা লুঠ করে নিয়ে গিয়েছিল।হিউএনচাঙের পূর্ববর্তী চৈনিক পরিব্রাজকরা পুরুষপুরে কণিষ্কনির্মিত একটা প্রকাণ্ড স্তূপের উল্লেখ করেছেন। এত প্রকাণ্ড স্তূপ জম্বুদ্বীপে আর দ্বিতীয় ছিল না।

একজন দর্শক এর এই বিবরণ দিয়েছেন: ‘ত্রিশ ফুট উঁচু ভিতের উপর, চমৎকার পালিশ করা কারুকার্যময় পাথরের একটা পাঁচতলা উঁচু অট্টালিকা। তার উপরে ১২০ ফুট উঁচু খোদাই কাজ করা কাঠের গৃহ। তার উপর তিন শত ফুট উঁচু লৌহস্তম্ভ।

এতে পর পর পনেরটা সোনালি ছাতা।’সমস্তটা কেউ কেউ বলেন সাত শত ফুট উঁচু ছিল, অন্যেরা বলেন এক হাজার ফুট। হিউএনচাঙ এর ভগ্নাবশেষ দেখেছিলেন। তখনও এর প্রধান অট্টালিকা চারি শত ফুট উঁচু ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৪)

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৫)

০৯:০০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

দুঃখের বিষয় হিউএনচাঙ ৬৩০ খৃস্টাব্দে যখন পুরুষপুরে আসেন তার দুইশত বছর আগে বর্বর মিহিরগুল এদেশ ধ্বংস করেছিল। তিনি বলেছেন, ‘নগর, গ্রাম সবই প্রায় জনশূন্য। পুরুষপুরের এক কোণে কেবল হাজার খানেক পরিবার বাস করে। লক্ষ লক্ষ বৌদ্ধ মঠের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়।

এগুলির উপর গাছ জন্মাচ্ছে। বেশির ভাগ স্তূপ ধ্বংস হয়েছে।’ পুরুষপুরে রক্ষিত বুদ্ধের ভিক্ষাপাত্র পর্যন্ত বর্বররা লুঠ করে নিয়ে গিয়েছিল।হিউএনচাঙের পূর্ববর্তী চৈনিক পরিব্রাজকরা পুরুষপুরে কণিষ্কনির্মিত একটা প্রকাণ্ড স্তূপের উল্লেখ করেছেন। এত প্রকাণ্ড স্তূপ জম্বুদ্বীপে আর দ্বিতীয় ছিল না।

একজন দর্শক এর এই বিবরণ দিয়েছেন: ‘ত্রিশ ফুট উঁচু ভিতের উপর, চমৎকার পালিশ করা কারুকার্যময় পাথরের একটা পাঁচতলা উঁচু অট্টালিকা। তার উপরে ১২০ ফুট উঁচু খোদাই কাজ করা কাঠের গৃহ। তার উপর তিন শত ফুট উঁচু লৌহস্তম্ভ।

এতে পর পর পনেরটা সোনালি ছাতা।’সমস্তটা কেউ কেউ বলেন সাত শত ফুট উঁচু ছিল, অন্যেরা বলেন এক হাজার ফুট। হিউএনচাঙ এর ভগ্নাবশেষ দেখেছিলেন। তখনও এর প্রধান অট্টালিকা চারি শত ফুট উঁচু ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৪)