১১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • 302

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এই অলৌকিক দৃশ্য দেখবার পর ধর্মগুরু দেখলেন, ছয়টি লোক বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। ধর্মগুরু তাদের ধূপধুনা আর আগুন আনতে বললেন। আগুন ভিতরে আনতেই বুদ্ধের ছায়া অদৃশ্য হল। তখনই তিনি আগুন নিবিয়ে ফেললেন, আর ছায়া আবার আভিভূত হল।

ঐ ছয় ব্যক্তির মধ্যে পাঁচ জন ছায়া দেখতে পেয়েছিল। কিন্তু একজন কিছুই দেখতে পায় নি। এও কেবল মুহূর্ত মাত্র থেকে আবার মিলিয়ে গেল। হিউএন-চাঙ ভক্তিভরে প্রণত হয়ে বুদ্ধের আরাধনা করতে করতে ফুল আর পূজা নিবেদন করলেন। তার পর সেখান থেকে বিদায় নিলেন।

নগরহার ছেড়ে হিউএনচাঙ খাইবার পাশের ভিতর দিয়ে এসে গান্ধারের প্রধান নগর পুরুষপুর (পেশাওয়ার) এলেন। এইখানেই কুষাণ সম্রাট কণিষ্কের শীতকালের রাজধানী ছিল। গ্রীষ্মকালে তিনি কাপিশীতে থাকতেন।

‘হিউএনচাঙ মহাযানের যে শাখার অনুগামী ছিলেন, তার স্থাপয়িতা দার্শনিক ভ্রাতৃদ্বয় অসঙ্গ ও বসুবন্ধু, হিউএনচাঙের দুই শত বর্ষ আগে পুরুষপুরেই জন্মগ্রহণ করেন। এখানে এসে তিনি এ কথা আনন্দে স্মরণ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৪)

০৯:০০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এই অলৌকিক দৃশ্য দেখবার পর ধর্মগুরু দেখলেন, ছয়টি লোক বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। ধর্মগুরু তাদের ধূপধুনা আর আগুন আনতে বললেন। আগুন ভিতরে আনতেই বুদ্ধের ছায়া অদৃশ্য হল। তখনই তিনি আগুন নিবিয়ে ফেললেন, আর ছায়া আবার আভিভূত হল।

ঐ ছয় ব্যক্তির মধ্যে পাঁচ জন ছায়া দেখতে পেয়েছিল। কিন্তু একজন কিছুই দেখতে পায় নি। এও কেবল মুহূর্ত মাত্র থেকে আবার মিলিয়ে গেল। হিউএন-চাঙ ভক্তিভরে প্রণত হয়ে বুদ্ধের আরাধনা করতে করতে ফুল আর পূজা নিবেদন করলেন। তার পর সেখান থেকে বিদায় নিলেন।

নগরহার ছেড়ে হিউএনচাঙ খাইবার পাশের ভিতর দিয়ে এসে গান্ধারের প্রধান নগর পুরুষপুর (পেশাওয়ার) এলেন। এইখানেই কুষাণ সম্রাট কণিষ্কের শীতকালের রাজধানী ছিল। গ্রীষ্মকালে তিনি কাপিশীতে থাকতেন।

‘হিউএনচাঙ মহাযানের যে শাখার অনুগামী ছিলেন, তার স্থাপয়িতা দার্শনিক ভ্রাতৃদ্বয় অসঙ্গ ও বসুবন্ধু, হিউএনচাঙের দুই শত বর্ষ আগে পুরুষপুরেই জন্মগ্রহণ করেন। এখানে এসে তিনি এ কথা আনন্দে স্মরণ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)