১১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
  • 159

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 ক্যে’র এ অনুমান কতটা যুক্তি সঙ্গত তা ঐতিহাসিকেরাই বলতে পারেন তবে আমরা লক্ষ্য করেছি:

(১) আলবিরূণী তাঁর গ্রন্থে কুসুমপুরের আর্যভটের গণিত থেকে কোন উদ্ধৃতি দেন নাই। তিনি অল্প বিস্তর আর্যভটীয় থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন।

(২) আর্যভটীয় এবং মহাসিদ্ধান্তের মধ্যে গরমিলই বেশী দেখা যায় এবং পরস্পর বিরোধীতায় দুটি গ্রন্থ সমুজ্জ্বল লক্ষ্য করা যায়। এ থেকে স্পষ্টই বলা যায় যে বৃদ্ধ আর্যভটের নিকট ঋণ স্বীকার কালে মহাসিদ্ধান্তের লেখকের মনে এ বিষয়ে কোন কিছু উদয় হয়েছিল কিনা তা যথেষ্ট সেেন্দহের অবকাশ রাখে।

(৩) কুসুমপুরে মহাসিদ্ধান্তের লেখক কোন কিছু করেছিলেন সে কথা মহা-সিদ্ধান্তের লেখক কোথাও উল্লেখ করেননি।

(৪) ব্রহ্মগুপ্ত আর্যভটের সমালোচনা করতে গিয়ে বলেছেন “গণিত” আর্যভটের লেখার একটি অংশ।

(৫) আলবিরূণী কুসুমপুরের আর্যভট সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেন ইনি অষ্টম শতাব্দীর পূর্বে ছিলেন। সম্ভবতঃ ব্রহ্মগুপ্তের পূর্বসূরী।

(৬) আলবিরূণী এবং অন্যান্য ভারতীয়রা দুই আর্যভট সম্বন্ধে যে সব তথ্যের সাহায্য নিয়েছেন সেগুলি অনেকক্ষেত্রে সঠিক মূল্যায়নে সাহায্য করেনি। এবং এঁরা প্রকৃত গ্রন্থকারের মূল গ্রন্থগুলি না দেখায় অনেকক্ষেত্রে রীতিমত বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন।

(৭) অনেকক্ষেত্রে আলবিরূণীর লেখার সত্য উদ্‌ঘাটিত হয়নি।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৫)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৫)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৬)

০৩:০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 ক্যে’র এ অনুমান কতটা যুক্তি সঙ্গত তা ঐতিহাসিকেরাই বলতে পারেন তবে আমরা লক্ষ্য করেছি:

(১) আলবিরূণী তাঁর গ্রন্থে কুসুমপুরের আর্যভটের গণিত থেকে কোন উদ্ধৃতি দেন নাই। তিনি অল্প বিস্তর আর্যভটীয় থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন।

(২) আর্যভটীয় এবং মহাসিদ্ধান্তের মধ্যে গরমিলই বেশী দেখা যায় এবং পরস্পর বিরোধীতায় দুটি গ্রন্থ সমুজ্জ্বল লক্ষ্য করা যায়। এ থেকে স্পষ্টই বলা যায় যে বৃদ্ধ আর্যভটের নিকট ঋণ স্বীকার কালে মহাসিদ্ধান্তের লেখকের মনে এ বিষয়ে কোন কিছু উদয় হয়েছিল কিনা তা যথেষ্ট সেেন্দহের অবকাশ রাখে।

(৩) কুসুমপুরে মহাসিদ্ধান্তের লেখক কোন কিছু করেছিলেন সে কথা মহা-সিদ্ধান্তের লেখক কোথাও উল্লেখ করেননি।

(৪) ব্রহ্মগুপ্ত আর্যভটের সমালোচনা করতে গিয়ে বলেছেন “গণিত” আর্যভটের লেখার একটি অংশ।

(৫) আলবিরূণী কুসুমপুরের আর্যভট সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেন ইনি অষ্টম শতাব্দীর পূর্বে ছিলেন। সম্ভবতঃ ব্রহ্মগুপ্তের পূর্বসূরী।

(৬) আলবিরূণী এবং অন্যান্য ভারতীয়রা দুই আর্যভট সম্বন্ধে যে সব তথ্যের সাহায্য নিয়েছেন সেগুলি অনেকক্ষেত্রে সঠিক মূল্যায়নে সাহায্য করেনি। এবং এঁরা প্রকৃত গ্রন্থকারের মূল গ্রন্থগুলি না দেখায় অনেকক্ষেত্রে রীতিমত বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন।

(৭) অনেকক্ষেত্রে আলবিরূণীর লেখার সত্য উদ্‌ঘাটিত হয়নি।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৫)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৫)