০৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস মালয়েশিয়ায় একক মায়ের সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ছাড়াল, দারিদ্র্য ও জীবনযুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে চীনের নতুন বার্তা: দেশের টাকা দেশে রাখুন, বিদেশে বিনিয়োগে বাড়ছে কড়াকড়ি মালয়েশিয়ায় ডিজেলে বাড়ছে পাম অয়েলের ব্যবহার, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন পদক্ষেপ ইরান চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবিতে জি-৭ নেতারা সিঙ্গাপুরের নেতৃত্বে আসিয়ানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন যুগ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও তথ্যপ্রবাহে জোর ভারতে  টমেটো-পেঁয়াজ-আলুর দামে আগুন, কৃষকের হাতে নেই ন্যায্য মূল্য পশ্চিমবঙ্গে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে রাজপথে মমতা, হকারদের পক্ষে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন কোটা থেকে রাহুলের শিক্ষা বার্তা: ‘স্বপ্ন গড়ার বদলে শিক্ষাব্যবস্থা চাপ ও খরচ বাড়াচ্ছে’ টেলিগ্রামে প্রশ্নফাঁস আতঙ্ক, সতর্কবার্তার পরই ভারতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:১৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫
  • 151

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এখন প্রশ্ন হচ্ছে “গণিত” এর লেখক কে? ক্যে অনুমান করেন আলবিরূণী কুসুমপুরের যে আর্যভটের উল্লেখ করেছেন তিনিই এটির প্রকৃত লেখক। কার্ণ, বেবর, রডেট, খিবো, শঙ্কর বালকৃষ্ণ দীক্ষিত, সুধাকর দ্বিবেদী প্রমুখেরা এমতের সমর্থক নন। অবশ্য ক্যে মনে করেণ আর্যভটীয়ের বাকী সব কিছু সেই আর্যভটের লেখা যাঁর নামোল্লেখ পরবর্তী প্রায় সব ভারতীয় গণিতবিদরাই করেছেন। অনুমানের পিছনে এই যুক্তিগুলি থাকতে পারে: ক্যে’র

(১) আলবিরূণী দুজন আর্যভটের নামোল্লেখ করেছেন। একজন বৃদ্ধ আর্যভট ও দ্বিতীয়জন কুসুমপুরের আর্যভট। কুসুমপুরের আর্যভট বৃদ্ধ আর্যভটের অনুসরণকারী।

(২) মহাসিদ্ধান্তের আর্যভট তাঁর গ্রন্থে বৃদ্ধ আর্যভটের কাছে ঋণ স্বীকার করেছেন।

(৩) গণিতের প্রথম শ্লোকে বলা হয়েছে এটি কুসুমপুরের আর্যভট কর্তৃক লিখিত। [আর্যভটশ্বিহ নিগদতি কুসুমপুরেহভ্যচ্চিতং জ্ঞানম্। এটির দুটি অর্থ হতে পারে (ক) আর্যভট তাঁর গ্রন্থটি কুসুমপুরে লেখেন অথবা (খ) কুসুমপুরে যে জ্ঞান তিনি পেয়েছেন সেটিই এই গ্রন্থে লিখেছেন।]

(৪) ব্রহ্মগুপ্ত, বরাহমিহির, দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য প্রমুখেরা আর্যভটের লেখা থেকে উদ্ধৃতি বা উল্লেখ করেছেন কিন্তু “গণিত” থেকে কোন কিছু উল্লেখ করেন নাই।

এছাড়াও আরও নানা যুক্তি দিয়ে ক্যে বলতে চেয়েছেন গণিত ‘এর লেখক এবং মহাসিদ্ধান্তের লেখক একই ব্যক্তি।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৫)

০৩:১৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এখন প্রশ্ন হচ্ছে “গণিত” এর লেখক কে? ক্যে অনুমান করেন আলবিরূণী কুসুমপুরের যে আর্যভটের উল্লেখ করেছেন তিনিই এটির প্রকৃত লেখক। কার্ণ, বেবর, রডেট, খিবো, শঙ্কর বালকৃষ্ণ দীক্ষিত, সুধাকর দ্বিবেদী প্রমুখেরা এমতের সমর্থক নন। অবশ্য ক্যে মনে করেণ আর্যভটীয়ের বাকী সব কিছু সেই আর্যভটের লেখা যাঁর নামোল্লেখ পরবর্তী প্রায় সব ভারতীয় গণিতবিদরাই করেছেন। অনুমানের পিছনে এই যুক্তিগুলি থাকতে পারে: ক্যে’র

(১) আলবিরূণী দুজন আর্যভটের নামোল্লেখ করেছেন। একজন বৃদ্ধ আর্যভট ও দ্বিতীয়জন কুসুমপুরের আর্যভট। কুসুমপুরের আর্যভট বৃদ্ধ আর্যভটের অনুসরণকারী।

(২) মহাসিদ্ধান্তের আর্যভট তাঁর গ্রন্থে বৃদ্ধ আর্যভটের কাছে ঋণ স্বীকার করেছেন।

(৩) গণিতের প্রথম শ্লোকে বলা হয়েছে এটি কুসুমপুরের আর্যভট কর্তৃক লিখিত। [আর্যভটশ্বিহ নিগদতি কুসুমপুরেহভ্যচ্চিতং জ্ঞানম্। এটির দুটি অর্থ হতে পারে (ক) আর্যভট তাঁর গ্রন্থটি কুসুমপুরে লেখেন অথবা (খ) কুসুমপুরে যে জ্ঞান তিনি পেয়েছেন সেটিই এই গ্রন্থে লিখেছেন।]

(৪) ব্রহ্মগুপ্ত, বরাহমিহির, দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য প্রমুখেরা আর্যভটের লেখা থেকে উদ্ধৃতি বা উল্লেখ করেছেন কিন্তু “গণিত” থেকে কোন কিছু উল্লেখ করেন নাই।

এছাড়াও আরও নানা যুক্তি দিয়ে ক্যে বলতে চেয়েছেন গণিত ‘এর লেখক এবং মহাসিদ্ধান্তের লেখক একই ব্যক্তি।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৪)