০৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস মালয়েশিয়ায় একক মায়ের সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ছাড়াল, দারিদ্র্য ও জীবনযুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে চীনের নতুন বার্তা: দেশের টাকা দেশে রাখুন, বিদেশে বিনিয়োগে বাড়ছে কড়াকড়ি মালয়েশিয়ায় ডিজেলে বাড়ছে পাম অয়েলের ব্যবহার, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন পদক্ষেপ ইরান চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবিতে জি-৭ নেতারা সিঙ্গাপুরের নেতৃত্বে আসিয়ানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন যুগ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও তথ্যপ্রবাহে জোর ভারতে  টমেটো-পেঁয়াজ-আলুর দামে আগুন, কৃষকের হাতে নেই ন্যায্য মূল্য পশ্চিমবঙ্গে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে রাজপথে মমতা, হকারদের পক্ষে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন কোটা থেকে রাহুলের শিক্ষা বার্তা: ‘স্বপ্ন গড়ার বদলে শিক্ষাব্যবস্থা চাপ ও খরচ বাড়াচ্ছে’ টেলিগ্রামে প্রশ্নফাঁস আতঙ্ক, সতর্কবার্তার পরই ভারতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
  • 137

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

পুরুষপুর ছেড়ে আবার কাবুল নদী পার হ’য়ে হিউএনচাঙ কাবুল নদী আর শুভবস্ত (শ্বাট) নদীর সঙ্গমস্থলে পুস্কলাবতী এলেন। এখানে পুরাকালে গ্রীকদের এক রাজধানী ছিল। এখানে হিউএনচাঙ সম্রাট অশোক নির্মিত একটা স্তূপ দেখেন।

বুদ্ধ এক পূর্বজন্মে যেখানে তাঁর দুটি চোখ দান করেছিলেন, এ স্তূপ সেখানে নির্মিত।পূস্কলাবতী থেকে হিউএনচাঙ আবার উত্তরে পার্বত্য প্রদেশে প্রবেশ করে ‘হারিতী’ ‘একশৃঙ্গ’ ‘বেসান্তর’ ইত্যাদি স্তূপ দর্শন করেন। এসব বুদ্ধের জাতকে বণিত পূর্বজন্মের ঘটনাস্থল।

সর্বত্রই অশোকনির্মিত বহু স্তূপ ও সঙ্ঘারাম ছিল বেশীর ভাগই হ্রণদের অত্যাচারে প্রায় জনশূন্য। আধুনিক সাবাজগাড়ির কাছে ‘বিধর্মী’ (হিন্দু) দের দেবতা ভীমাদেবীর মূর্তি নীল পাথরের গায়ে খোদিত ছিল: ‘ইনি ঈশ্বরের পত্নী।

ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলেই বিশ্বাস করে যে, এই মূর্তির অলৌকিক ক্ষমতা আছে। আর ভারতের সর্বত্র থেকে লোকে এখানে পুজা দিতে আসে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৬)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৬)

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৭)

০৯:০০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

পুরুষপুর ছেড়ে আবার কাবুল নদী পার হ’য়ে হিউএনচাঙ কাবুল নদী আর শুভবস্ত (শ্বাট) নদীর সঙ্গমস্থলে পুস্কলাবতী এলেন। এখানে পুরাকালে গ্রীকদের এক রাজধানী ছিল। এখানে হিউএনচাঙ সম্রাট অশোক নির্মিত একটা স্তূপ দেখেন।

বুদ্ধ এক পূর্বজন্মে যেখানে তাঁর দুটি চোখ দান করেছিলেন, এ স্তূপ সেখানে নির্মিত।পূস্কলাবতী থেকে হিউএনচাঙ আবার উত্তরে পার্বত্য প্রদেশে প্রবেশ করে ‘হারিতী’ ‘একশৃঙ্গ’ ‘বেসান্তর’ ইত্যাদি স্তূপ দর্শন করেন। এসব বুদ্ধের জাতকে বণিত পূর্বজন্মের ঘটনাস্থল।

সর্বত্রই অশোকনির্মিত বহু স্তূপ ও সঙ্ঘারাম ছিল বেশীর ভাগই হ্রণদের অত্যাচারে প্রায় জনশূন্য। আধুনিক সাবাজগাড়ির কাছে ‘বিধর্মী’ (হিন্দু) দের দেবতা ভীমাদেবীর মূর্তি নীল পাথরের গায়ে খোদিত ছিল: ‘ইনি ঈশ্বরের পত্নী।

ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলেই বিশ্বাস করে যে, এই মূর্তির অলৌকিক ক্ষমতা আছে। আর ভারতের সর্বত্র থেকে লোকে এখানে পুজা দিতে আসে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৬)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৬)