০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • 300

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

তার পর সমস্ত ব্যাপার শুনেও তিনি আগের মতই ধীরভাবে দস্যুদের উপদেশ দিলেন যে, তারা যেন ঐ দস্থ্যর ব্যাবসা ত্যাগ করে। তারাও ‘তাই প্রতিজ্ঞা করল আর সব অস্ত্রশস্ত্র গঙ্গায় ফেলে দিল। শীঘ্রই ঝড় ঢেউ থেমে গেল। দস্যুরা আনন্দে ধর্মগুরুকে প্রণাম করে চলে গেল।

এই বিপদ থেকে উদ্ধার পেয়ে হিউএনচাঙ গঙ্গার দক্ষিণ তীরে, গঙ্গাযমুনার সঙ্গমে, প্রয়াগে উপস্থিত হলেন। চতুর্থ ও পঞ্চম শতাব্দীতে প্রয়াগ গুপ্তসম্রাটদের অন্যতম রাজধানী ছিল। কিন্তু হিউএনচাঙের সময়ে এখানকার অধিবাসীদের মধ্যে বৌদ্ধ কমই ছিল।

এখানে এক চম্পকবৃক্ষের কুঞ্জে অশোক রাজার নির্মিত একটা স্তুপ ছিল। এর ভিৎ বসে গিয়েছিল, তবু এখনো দেওয়াল ১০০ ফুট উঁচু ছিল। হীনযানী বৌদ্ধদের মাত্র দুইটি সঙ্ঘারাম ছিল, কিন্তু বিধর্মীদের শত শত দেবমন্দিরে অসংখ্য ভক্তের ভিড় ছিল।

‘সঙ্গমস্থলে একটা প্রশস্ত বালুর চর আছে। এখানে জমি সম্পূর্ণ সমতল। প্রাচীনকাল থেকে রাজারা আর সম্ভ্রান্ত লোকরা দান করবার জন্যে এখানে আসেন। সেই জন্যে এ জায়গাকে মহাদানের মাঠ বলা হয়। একালে শীলাদিত্য রাজা ৭৫ দিন ধরে তাঁর পঞ্চম বাৎসরিক দান এখানে করেছেন।

ত্রিরত্ব থেকে আরম্ভ করে দীনহীন ভিখারী পর্যন্ত কেউ তাঁর দান থেকে বঞ্চিত হয় নি।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯০)

০৯:০০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

তার পর সমস্ত ব্যাপার শুনেও তিনি আগের মতই ধীরভাবে দস্যুদের উপদেশ দিলেন যে, তারা যেন ঐ দস্থ্যর ব্যাবসা ত্যাগ করে। তারাও ‘তাই প্রতিজ্ঞা করল আর সব অস্ত্রশস্ত্র গঙ্গায় ফেলে দিল। শীঘ্রই ঝড় ঢেউ থেমে গেল। দস্যুরা আনন্দে ধর্মগুরুকে প্রণাম করে চলে গেল।

এই বিপদ থেকে উদ্ধার পেয়ে হিউএনচাঙ গঙ্গার দক্ষিণ তীরে, গঙ্গাযমুনার সঙ্গমে, প্রয়াগে উপস্থিত হলেন। চতুর্থ ও পঞ্চম শতাব্দীতে প্রয়াগ গুপ্তসম্রাটদের অন্যতম রাজধানী ছিল। কিন্তু হিউএনচাঙের সময়ে এখানকার অধিবাসীদের মধ্যে বৌদ্ধ কমই ছিল।

এখানে এক চম্পকবৃক্ষের কুঞ্জে অশোক রাজার নির্মিত একটা স্তুপ ছিল। এর ভিৎ বসে গিয়েছিল, তবু এখনো দেওয়াল ১০০ ফুট উঁচু ছিল। হীনযানী বৌদ্ধদের মাত্র দুইটি সঙ্ঘারাম ছিল, কিন্তু বিধর্মীদের শত শত দেবমন্দিরে অসংখ্য ভক্তের ভিড় ছিল।

‘সঙ্গমস্থলে একটা প্রশস্ত বালুর চর আছে। এখানে জমি সম্পূর্ণ সমতল। প্রাচীনকাল থেকে রাজারা আর সম্ভ্রান্ত লোকরা দান করবার জন্যে এখানে আসেন। সেই জন্যে এ জায়গাকে মহাদানের মাঠ বলা হয়। একালে শীলাদিত্য রাজা ৭৫ দিন ধরে তাঁর পঞ্চম বাৎসরিক দান এখানে করেছেন।

ত্রিরত্ব থেকে আরম্ভ করে দীনহীন ভিখারী পর্যন্ত কেউ তাঁর দান থেকে বঞ্চিত হয় নি।

(চলবে)