১০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • 269

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘নগরে সুন্দরভাবে অলংকৃত একটি দেবমন্দির আছে। বিধর্মীরা বিশ্বাস করে। যে এ মন্দিরে জীবন ত্যাগ করলে স্বর্গে অনন্ত সুখভোগ হয়। এই মন্দিরের সম্মুখে একটা প্রকাণ্ড গাছ আছে, তার ডালপালায় ঘন ছায়া হয়। এই গাছে একটা দৈত্য আছে। সে সকলকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়।

‘এদেশের লোকের বিশ্বাস, সঙ্গমে স্নান করলে সমস্ত পাপ ক্ষয় হয়। তাই দলে দলে লোক এসে সাত দিন পর্যন্ত উপোস করে, তার পর কেউ কেউ জলে ডুবে মরে। এমন কি, সঙ্গমের নিকটে দলে দলে বানর আর হরিণ জড়ো হয়; তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্নান করে চলে যায়। কেউ উপোস করে প্রাণত্যাগ করে!

‘এদেশে শস্য আর ফলের গাছ খুব ভালো হয়। আবহাওয়া গরম, সুখদ। অধিবাসীরা ভদ্র ও বাধ্য। তারা বিদ্যার অনুরক্ত আর ঘোর বিধর্মী।’

প্রয়াগ ছেড়ে হিউএনচাঙ গভীর অরণ্যের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে গুপ্তসাম্রাজ্যের অন্য এক রাজধানী কৌশাম্বীতে গেলেন। ঐ অরণ্যে নানা হিংস্র পশু হাতি ইত্যাদি ছিল। আধুনিক কোশাম গ্রামে অল্পদিন হল কৌশাম্বীর ভগ্নাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে।

আর এর ভাস্কর্যের অনেক আশ্চর্য আশ্চর্য নিদর্শন প্রয়াগে যাদুঘরে রাখা হয়েছে।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯১)

০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘নগরে সুন্দরভাবে অলংকৃত একটি দেবমন্দির আছে। বিধর্মীরা বিশ্বাস করে। যে এ মন্দিরে জীবন ত্যাগ করলে স্বর্গে অনন্ত সুখভোগ হয়। এই মন্দিরের সম্মুখে একটা প্রকাণ্ড গাছ আছে, তার ডালপালায় ঘন ছায়া হয়। এই গাছে একটা দৈত্য আছে। সে সকলকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়।

‘এদেশের লোকের বিশ্বাস, সঙ্গমে স্নান করলে সমস্ত পাপ ক্ষয় হয়। তাই দলে দলে লোক এসে সাত দিন পর্যন্ত উপোস করে, তার পর কেউ কেউ জলে ডুবে মরে। এমন কি, সঙ্গমের নিকটে দলে দলে বানর আর হরিণ জড়ো হয়; তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্নান করে চলে যায়। কেউ উপোস করে প্রাণত্যাগ করে!

‘এদেশে শস্য আর ফলের গাছ খুব ভালো হয়। আবহাওয়া গরম, সুখদ। অধিবাসীরা ভদ্র ও বাধ্য। তারা বিদ্যার অনুরক্ত আর ঘোর বিধর্মী।’

প্রয়াগ ছেড়ে হিউএনচাঙ গভীর অরণ্যের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে গুপ্তসাম্রাজ্যের অন্য এক রাজধানী কৌশাম্বীতে গেলেন। ঐ অরণ্যে নানা হিংস্র পশু হাতি ইত্যাদি ছিল। আধুনিক কোশাম গ্রামে অল্পদিন হল কৌশাম্বীর ভগ্নাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে।

আর এর ভাস্কর্যের অনেক আশ্চর্য আশ্চর্য নিদর্শন প্রয়াগে যাদুঘরে রাখা হয়েছে।

(চলবে)