০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • 302

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘নগরে সুন্দরভাবে অলংকৃত একটি দেবমন্দির আছে। বিধর্মীরা বিশ্বাস করে। যে এ মন্দিরে জীবন ত্যাগ করলে স্বর্গে অনন্ত সুখভোগ হয়। এই মন্দিরের সম্মুখে একটা প্রকাণ্ড গাছ আছে, তার ডালপালায় ঘন ছায়া হয়। এই গাছে একটা দৈত্য আছে। সে সকলকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়।

‘এদেশের লোকের বিশ্বাস, সঙ্গমে স্নান করলে সমস্ত পাপ ক্ষয় হয়। তাই দলে দলে লোক এসে সাত দিন পর্যন্ত উপোস করে, তার পর কেউ কেউ জলে ডুবে মরে। এমন কি, সঙ্গমের নিকটে দলে দলে বানর আর হরিণ জড়ো হয়; তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্নান করে চলে যায়। কেউ উপোস করে প্রাণত্যাগ করে!

‘এদেশে শস্য আর ফলের গাছ খুব ভালো হয়। আবহাওয়া গরম, সুখদ। অধিবাসীরা ভদ্র ও বাধ্য। তারা বিদ্যার অনুরক্ত আর ঘোর বিধর্মী।’

প্রয়াগ ছেড়ে হিউএনচাঙ গভীর অরণ্যের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে গুপ্তসাম্রাজ্যের অন্য এক রাজধানী কৌশাম্বীতে গেলেন। ঐ অরণ্যে নানা হিংস্র পশু হাতি ইত্যাদি ছিল। আধুনিক কোশাম গ্রামে অল্পদিন হল কৌশাম্বীর ভগ্নাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে।

আর এর ভাস্কর্যের অনেক আশ্চর্য আশ্চর্য নিদর্শন প্রয়াগে যাদুঘরে রাখা হয়েছে।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯১)

০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘নগরে সুন্দরভাবে অলংকৃত একটি দেবমন্দির আছে। বিধর্মীরা বিশ্বাস করে। যে এ মন্দিরে জীবন ত্যাগ করলে স্বর্গে অনন্ত সুখভোগ হয়। এই মন্দিরের সম্মুখে একটা প্রকাণ্ড গাছ আছে, তার ডালপালায় ঘন ছায়া হয়। এই গাছে একটা দৈত্য আছে। সে সকলকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়।

‘এদেশের লোকের বিশ্বাস, সঙ্গমে স্নান করলে সমস্ত পাপ ক্ষয় হয়। তাই দলে দলে লোক এসে সাত দিন পর্যন্ত উপোস করে, তার পর কেউ কেউ জলে ডুবে মরে। এমন কি, সঙ্গমের নিকটে দলে দলে বানর আর হরিণ জড়ো হয়; তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্নান করে চলে যায়। কেউ উপোস করে প্রাণত্যাগ করে!

‘এদেশে শস্য আর ফলের গাছ খুব ভালো হয়। আবহাওয়া গরম, সুখদ। অধিবাসীরা ভদ্র ও বাধ্য। তারা বিদ্যার অনুরক্ত আর ঘোর বিধর্মী।’

প্রয়াগ ছেড়ে হিউএনচাঙ গভীর অরণ্যের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে গুপ্তসাম্রাজ্যের অন্য এক রাজধানী কৌশাম্বীতে গেলেন। ঐ অরণ্যে নানা হিংস্র পশু হাতি ইত্যাদি ছিল। আধুনিক কোশাম গ্রামে অল্পদিন হল কৌশাম্বীর ভগ্নাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে।

আর এর ভাস্কর্যের অনেক আশ্চর্য আশ্চর্য নিদর্শন প্রয়াগে যাদুঘরে রাখা হয়েছে।

(চলবে)