০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার ও দূতাবাস বন্ধের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মার্কিন-ইরান শান্তি চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, আবারও বাড়ল তেলের দাম তিন বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে উদ্ধার সিলেটের অপহৃত স্কুলছাত্রী, গ্রেপ্তার গৃহশিক্ষক রেস্তোরাঁ মালিকদের দাবি: একক ভ্যাট, হয়রানিমুক্ত ব্যবসা পরীমণির আর্জেন্টিনা প্রেম: মেসি জার্সিতে তারকাদের সিগনেচার উদযাপন অনুকরণ নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ, আহত ১৫; নিরাপত্তা ত্রুটির অভিযোগে সড়ক অবরোধ আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খান ব্রিটিশ বার থেকে সাময়িক বরখাস্ত অস্ট্রেলিয়ার ১৯৬ রানও থামাতে পারল না বাংলাদেশ, সিরিজ জিতে নিল সফরকারীরা একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই মোহাম্মদপুরে কুপিয়ে জখম বিএনপি নেতা, রাজনৈতিক বিরোধের ইঙ্গিত

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১০)

আচার্য

আমাদের প্রচলিত ধারণা, আচার্য বা আচারজি [ইংরেজি) পূজো-পার্বণের সঙ্গে জড়িত। জেমস্ ওয়াইজের বই পড়লে এ ধারণা পাল্টে যাবে। ওয়াইজ লিখছেন, যেসব ব্রাহ্মণ বেদ শিক্ষা দেন তারা আচার্য। কিন্তু পূর্ববঙ্গে নিম্নশ্রেণির ব্রাহ্মণকে বলা হয় আচার্য।

এদের পেশা প্রধানত ভাগ্য গণনা করা বা গণক। এদের উৎপত্তি সম্পর্কে নানা ধরনের কিংবদন্তি প্রচলিত যা আর উল্লেখ করতে চাই না। প্রধানত কোষ্ঠি তৈরি করা আর পঞ্জিকা রচনা করা তাদের পেশা।

উনিশ শতকে তোলা আচার্যের ছবি 

ওয়াইজ বলেন, আচার্য বলতে বোঝায় স্বর্ণকার বা রৌপ্যকার। প্রতিমার নকশা করাও তার পেশা। কুমোর প্রতিমা গড়ার পর আচার্য রং লাগান। হাতুড়ে চিকিৎসাও তারা করেন। এরা সাধারণত বৈষ্ণব। কোনো তরুণ বিয়ে করতে চাইলে কনেকে তার পণ দিতে হয় কমপক্ষে ৩০০ টাকা।

এ কারণে, অনেক আচার্য বিয়ে করতে পারেননি, ফলে, তাদের সংখ্যা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। ১৮৮০ সালের দিকে ঢাকা জেলায় আচার্যের সংখ্যা ছিল ১৬টি পরিবার।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার ও দূতাবাস বন্ধের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১০)

০৭:০০:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

আচার্য

আমাদের প্রচলিত ধারণা, আচার্য বা আচারজি [ইংরেজি) পূজো-পার্বণের সঙ্গে জড়িত। জেমস্ ওয়াইজের বই পড়লে এ ধারণা পাল্টে যাবে। ওয়াইজ লিখছেন, যেসব ব্রাহ্মণ বেদ শিক্ষা দেন তারা আচার্য। কিন্তু পূর্ববঙ্গে নিম্নশ্রেণির ব্রাহ্মণকে বলা হয় আচার্য।

এদের পেশা প্রধানত ভাগ্য গণনা করা বা গণক। এদের উৎপত্তি সম্পর্কে নানা ধরনের কিংবদন্তি প্রচলিত যা আর উল্লেখ করতে চাই না। প্রধানত কোষ্ঠি তৈরি করা আর পঞ্জিকা রচনা করা তাদের পেশা।

উনিশ শতকে তোলা আচার্যের ছবি 

ওয়াইজ বলেন, আচার্য বলতে বোঝায় স্বর্ণকার বা রৌপ্যকার। প্রতিমার নকশা করাও তার পেশা। কুমোর প্রতিমা গড়ার পর আচার্য রং লাগান। হাতুড়ে চিকিৎসাও তারা করেন। এরা সাধারণত বৈষ্ণব। কোনো তরুণ বিয়ে করতে চাইলে কনেকে তার পণ দিতে হয় কমপক্ষে ৩০০ টাকা।

এ কারণে, অনেক আচার্য বিয়ে করতে পারেননি, ফলে, তাদের সংখ্যা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। ১৮৮০ সালের দিকে ঢাকা জেলায় আচার্যের সংখ্যা ছিল ১৬টি পরিবার।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৯)