০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
ওজন কমানোর ওষুধ নিয়ে নতুন তথ্য: উপকারের পাশাপাশি বাড়ছে সতর্কতার বার্তা নতুন জলবায়ু পূর্বাভাসে বড় পরিবর্তন, বাতিল হলো সবচেয়ে বিতর্কিত উষ্ণায়ন দৃশ্যপট ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার ও দূতাবাস বন্ধের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মার্কিন-ইরান শান্তি চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, আবারও বাড়ল তেলের দাম তিন বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে উদ্ধার সিলেটের অপহৃত স্কুলছাত্রী, গ্রেপ্তার গৃহশিক্ষক রেস্তোরাঁ মালিকদের দাবি: একক ভ্যাট, হয়রানিমুক্ত ব্যবসা পরীমণির আর্জেন্টিনা প্রেম: মেসি জার্সিতে তারকাদের সিগনেচার উদযাপন অনুকরণ নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ, আহত ১৫; নিরাপত্তা ত্রুটির অভিযোগে সড়ক অবরোধ আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খান ব্রিটিশ বার থেকে সাময়িক বরখাস্ত অস্ট্রেলিয়ার ১৯৬ রানও থামাতে পারল না বাংলাদেশ, সিরিজ জিতে নিল সফরকারীরা

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩১)

নাগার্জুন ভারতের ইতিহাসে এক অদ্ভুত চরিত্র। ভারতবর্ষে, চীনে ও মহাযানী সাহিত্যে ইনি একজন অদ্ভুত প্রতিভাসম্পন্ন, সমস্ত শাস্ত্রে ও বিস্তায় অসাধারণ পণ্ডিত বলে বর্ণিত হয়েছেন। তাঁর সম্বন্ধে বহু অলৌকিক আখ্যায়িকাও প্রচলিত আছে।

তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতাব্দীর লোক ছিলেন। বিদর্ভ তাঁর জন্মভূমি ছিল, কিন্তু কনিষ্কের সভায় আর নালন্দাতেও অনেক সময় থাকতেন। মহাযানী ‘মাধ্যমিক’ মতের তিনিই প্রতিষ্ঠাতা।

কথিত আছে, দাক্ষিণাত্যের অরু একজন মহাযানী পণ্ডিত আর্যদের মৈত্রেয়নাথ নাগার্জুনকে তর্কযুদ্ধে আহ্বান করতে এসে উদ্ধতভাবে তাঁর দ্বারে করাঘাত করেন।

আর্যদেব এসেছেন শুনে নাগার্জুন তাঁকে সসম্মানে ভিতরে আসতে আহ্বান করলেন। তখন আর্যদের শুধু নাগার্জুনের অদ্ভুত প্রতিভামণ্ডিত মুণের দিকে চেয়েই বিস্ময়ে নির্বাক হন আর তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।

নাগার্জুনের লিখিত আর চীনা ভাষায় অনূদিত আঠারো-উনিশ খানা পাণ্ডিত্যপূর্ণ গ্রন্থ ও কবিতা আজও সে দেশে পড়া হয়। জ্যোতিষ, পরীক্ষামূলক রসায়ন ও চিকিৎসা শাস্ত্রেও তাঁর প্রতিভা ছিল।

তাঁর লেখা নানা রোগের প্রেপসন, বিশেষতঃ চক্ষুরোগের চিকিৎসা সম্বন্ধে গ্রন্থ চীন ভাষায় অনুদিত হয়েছিল। পাশ্চাত্য পণ্ডিতদের মধ্যে কেবল লেওনার্ডে-ডা-ভিঞ্চি কতকটা এ’র সঙ্গে তুলনীয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩০)

জনপ্রিয় সংবাদ

ওজন কমানোর ওষুধ নিয়ে নতুন তথ্য: উপকারের পাশাপাশি বাড়ছে সতর্কতার বার্তা

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩১)

০৯:০০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

নাগার্জুন ভারতের ইতিহাসে এক অদ্ভুত চরিত্র। ভারতবর্ষে, চীনে ও মহাযানী সাহিত্যে ইনি একজন অদ্ভুত প্রতিভাসম্পন্ন, সমস্ত শাস্ত্রে ও বিস্তায় অসাধারণ পণ্ডিত বলে বর্ণিত হয়েছেন। তাঁর সম্বন্ধে বহু অলৌকিক আখ্যায়িকাও প্রচলিত আছে।

তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতাব্দীর লোক ছিলেন। বিদর্ভ তাঁর জন্মভূমি ছিল, কিন্তু কনিষ্কের সভায় আর নালন্দাতেও অনেক সময় থাকতেন। মহাযানী ‘মাধ্যমিক’ মতের তিনিই প্রতিষ্ঠাতা।

কথিত আছে, দাক্ষিণাত্যের অরু একজন মহাযানী পণ্ডিত আর্যদের মৈত্রেয়নাথ নাগার্জুনকে তর্কযুদ্ধে আহ্বান করতে এসে উদ্ধতভাবে তাঁর দ্বারে করাঘাত করেন।

আর্যদেব এসেছেন শুনে নাগার্জুন তাঁকে সসম্মানে ভিতরে আসতে আহ্বান করলেন। তখন আর্যদের শুধু নাগার্জুনের অদ্ভুত প্রতিভামণ্ডিত মুণের দিকে চেয়েই বিস্ময়ে নির্বাক হন আর তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।

নাগার্জুনের লিখিত আর চীনা ভাষায় অনূদিত আঠারো-উনিশ খানা পাণ্ডিত্যপূর্ণ গ্রন্থ ও কবিতা আজও সে দেশে পড়া হয়। জ্যোতিষ, পরীক্ষামূলক রসায়ন ও চিকিৎসা শাস্ত্রেও তাঁর প্রতিভা ছিল।

তাঁর লেখা নানা রোগের প্রেপসন, বিশেষতঃ চক্ষুরোগের চিকিৎসা সম্বন্ধে গ্রন্থ চীন ভাষায় অনুদিত হয়েছিল। পাশ্চাত্য পণ্ডিতদের মধ্যে কেবল লেওনার্ডে-ডা-ভিঞ্চি কতকটা এ’র সঙ্গে তুলনীয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩০)