০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী বৃষ্টিতে ডুবল চট্টগ্রাম, বুকসমান পানিতে অচল সড়ক—দুর্ভোগে নগরবাসী যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী, ২০২৬ সালে বাড়তে পারে ১৬% চট্টগ্রামে চার সামাজিক সংগঠনের হাতে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনুদান, তৃণমূলে উন্নয়নে জোর নেগেরি সেম্বিলানে ক্ষমতার টানাপোড়েন, আনোয়ার জোটে নতুন সংকট ‘দেশে জঙ্গি নেই’—এই বক্তব্য ভুল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: তথ্য উপদেষ্টা খালি পেটে ৪ ঘরোয়া পানীয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহজ অভ্যাস স্বামীর ছুরিকাঘাতে সিলেটে গৃহবধূ নিহত, অভিযুক্ত পলাতক ২০২৬ সালের সেরা বইগুলো: ‘কিন’, ‘লন্ডন ফলিং’সহ আরও কিছু আলোচিত বই অ্যানজ্যাক ডেতে একাই হাজির কেট মিডলটন, নজর কাড়ল বিরল রাজকীয় গয়নার গল্প

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩১)

নাগার্জুন ভারতের ইতিহাসে এক অদ্ভুত চরিত্র। ভারতবর্ষে, চীনে ও মহাযানী সাহিত্যে ইনি একজন অদ্ভুত প্রতিভাসম্পন্ন, সমস্ত শাস্ত্রে ও বিস্তায় অসাধারণ পণ্ডিত বলে বর্ণিত হয়েছেন। তাঁর সম্বন্ধে বহু অলৌকিক আখ্যায়িকাও প্রচলিত আছে।

তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতাব্দীর লোক ছিলেন। বিদর্ভ তাঁর জন্মভূমি ছিল, কিন্তু কনিষ্কের সভায় আর নালন্দাতেও অনেক সময় থাকতেন। মহাযানী ‘মাধ্যমিক’ মতের তিনিই প্রতিষ্ঠাতা।

কথিত আছে, দাক্ষিণাত্যের অরু একজন মহাযানী পণ্ডিত আর্যদের মৈত্রেয়নাথ নাগার্জুনকে তর্কযুদ্ধে আহ্বান করতে এসে উদ্ধতভাবে তাঁর দ্বারে করাঘাত করেন।

আর্যদেব এসেছেন শুনে নাগার্জুন তাঁকে সসম্মানে ভিতরে আসতে আহ্বান করলেন। তখন আর্যদের শুধু নাগার্জুনের অদ্ভুত প্রতিভামণ্ডিত মুণের দিকে চেয়েই বিস্ময়ে নির্বাক হন আর তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।

নাগার্জুনের লিখিত আর চীনা ভাষায় অনূদিত আঠারো-উনিশ খানা পাণ্ডিত্যপূর্ণ গ্রন্থ ও কবিতা আজও সে দেশে পড়া হয়। জ্যোতিষ, পরীক্ষামূলক রসায়ন ও চিকিৎসা শাস্ত্রেও তাঁর প্রতিভা ছিল।

তাঁর লেখা নানা রোগের প্রেপসন, বিশেষতঃ চক্ষুরোগের চিকিৎসা সম্বন্ধে গ্রন্থ চীন ভাষায় অনুদিত হয়েছিল। পাশ্চাত্য পণ্ডিতদের মধ্যে কেবল লেওনার্ডে-ডা-ভিঞ্চি কতকটা এ’র সঙ্গে তুলনীয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩০)

ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩১)

০৯:০০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

নাগার্জুন ভারতের ইতিহাসে এক অদ্ভুত চরিত্র। ভারতবর্ষে, চীনে ও মহাযানী সাহিত্যে ইনি একজন অদ্ভুত প্রতিভাসম্পন্ন, সমস্ত শাস্ত্রে ও বিস্তায় অসাধারণ পণ্ডিত বলে বর্ণিত হয়েছেন। তাঁর সম্বন্ধে বহু অলৌকিক আখ্যায়িকাও প্রচলিত আছে।

তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতাব্দীর লোক ছিলেন। বিদর্ভ তাঁর জন্মভূমি ছিল, কিন্তু কনিষ্কের সভায় আর নালন্দাতেও অনেক সময় থাকতেন। মহাযানী ‘মাধ্যমিক’ মতের তিনিই প্রতিষ্ঠাতা।

কথিত আছে, দাক্ষিণাত্যের অরু একজন মহাযানী পণ্ডিত আর্যদের মৈত্রেয়নাথ নাগার্জুনকে তর্কযুদ্ধে আহ্বান করতে এসে উদ্ধতভাবে তাঁর দ্বারে করাঘাত করেন।

আর্যদেব এসেছেন শুনে নাগার্জুন তাঁকে সসম্মানে ভিতরে আসতে আহ্বান করলেন। তখন আর্যদের শুধু নাগার্জুনের অদ্ভুত প্রতিভামণ্ডিত মুণের দিকে চেয়েই বিস্ময়ে নির্বাক হন আর তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।

নাগার্জুনের লিখিত আর চীনা ভাষায় অনূদিত আঠারো-উনিশ খানা পাণ্ডিত্যপূর্ণ গ্রন্থ ও কবিতা আজও সে দেশে পড়া হয়। জ্যোতিষ, পরীক্ষামূলক রসায়ন ও চিকিৎসা শাস্ত্রেও তাঁর প্রতিভা ছিল।

তাঁর লেখা নানা রোগের প্রেপসন, বিশেষতঃ চক্ষুরোগের চিকিৎসা সম্বন্ধে গ্রন্থ চীন ভাষায় অনুদিত হয়েছিল। পাশ্চাত্য পণ্ডিতদের মধ্যে কেবল লেওনার্ডে-ডা-ভিঞ্চি কতকটা এ’র সঙ্গে তুলনীয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩০)