০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী বৃষ্টিতে ডুবল চট্টগ্রাম, বুকসমান পানিতে অচল সড়ক—দুর্ভোগে নগরবাসী যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী, ২০২৬ সালে বাড়তে পারে ১৬% চট্টগ্রামে চার সামাজিক সংগঠনের হাতে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনুদান, তৃণমূলে উন্নয়নে জোর নেগেরি সেম্বিলানে ক্ষমতার টানাপোড়েন, আনোয়ার জোটে নতুন সংকট ‘দেশে জঙ্গি নেই’—এই বক্তব্য ভুল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: তথ্য উপদেষ্টা খালি পেটে ৪ ঘরোয়া পানীয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহজ অভ্যাস স্বামীর ছুরিকাঘাতে সিলেটে গৃহবধূ নিহত, অভিযুক্ত পলাতক ২০২৬ সালের সেরা বইগুলো: ‘কিন’, ‘লন্ডন ফলিং’সহ আরও কিছু আলোচিত বই অ্যানজ্যাক ডেতে একাই হাজির কেট মিডলটন, নজর কাড়ল বিরল রাজকীয় গয়নার গল্প

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৩০)

স্বাধীনতার পরও বেশ কিছুদিন ক্বাসিদার চল ছিল। এখন তা বিলুপ্ত। কারণ, পুরনো মহল্লাগুলি নেই।

বাইরের মহল্লার সঙ্গে আমাদের মহল্লার কাসিদার প্রতিযোগিতা হতো। বাইরে যারা আসত ওরা খবর দিয়ে আসত আজ আমরা আসব, তোমাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য।

আমাদের মহল্লায় দুটো দল হতো-একটা বড়দের, আরেকটা ছোটদের। বড়দের দলের নেতা ছিলেন আমার দাদাভাই নাজির হোসেন, আর ছোটদের। দলের নেতা ছিলাম আমি। আমরা বাড়ি বাড়ি যেতাম, কাসিদা গেয়ে একটাকা বা আটআনা বা চারআনা চাঁদা তুলতাম।

পরে সে-টাকা দিয়ে আবার সাতাশ রমজানের রাতে পোলাও রান্না করে নিজেরা খেতাম, মহল্লায়। বিলাতাম। মহল্লায় পুরো মাস ঘুরে ঘুরে চলত। আমাদের এই চাঁদা সংগ্রহের অভিযান।

আমাদের মতো আরেক ধরনের লোক ছিল যারা মহল্লার মধ্যে ঘুরে ঘুরে ‘উঠো রোজদারো, সেহরিকা ওয়াক্ত হো গিয়া’, ‘উঠো রোজদারো, চার বাজ গায়া’, কিংবা ‘উঠো রোজদারো, সেহেরিকা ওয়াক্ত খাতাম হো নে চালা’, বলে চেঁচিয়ে ঘুম থেকে তুলত লোকদের। ওদের হাতে থাকত টিনের একটা চোঙ। গ্রামগঞ্জে অনেক লোককে এরকম চোঙ হাতে নিয়ে ওষুধ বিক্রি করতে দেখা যায় এখনো।”

স্বাধীনতার পরও বেশ কিছুদিন ক্বাসিদার চল ছিল। এখন তা বিলুপ্ত। কারণ, পুরনো মহল্লাগুলি নেই। কৃৎকৌশল উন্নতির কারণে বাইরে থেকে ডেকে কাউকে আর জাগিয়ে দিতে হয় না।

(চলবে)

 

ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৩০)

০৭:০০:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

স্বাধীনতার পরও বেশ কিছুদিন ক্বাসিদার চল ছিল। এখন তা বিলুপ্ত। কারণ, পুরনো মহল্লাগুলি নেই।

বাইরের মহল্লার সঙ্গে আমাদের মহল্লার কাসিদার প্রতিযোগিতা হতো। বাইরে যারা আসত ওরা খবর দিয়ে আসত আজ আমরা আসব, তোমাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য।

আমাদের মহল্লায় দুটো দল হতো-একটা বড়দের, আরেকটা ছোটদের। বড়দের দলের নেতা ছিলেন আমার দাদাভাই নাজির হোসেন, আর ছোটদের। দলের নেতা ছিলাম আমি। আমরা বাড়ি বাড়ি যেতাম, কাসিদা গেয়ে একটাকা বা আটআনা বা চারআনা চাঁদা তুলতাম।

পরে সে-টাকা দিয়ে আবার সাতাশ রমজানের রাতে পোলাও রান্না করে নিজেরা খেতাম, মহল্লায়। বিলাতাম। মহল্লায় পুরো মাস ঘুরে ঘুরে চলত। আমাদের এই চাঁদা সংগ্রহের অভিযান।

আমাদের মতো আরেক ধরনের লোক ছিল যারা মহল্লার মধ্যে ঘুরে ঘুরে ‘উঠো রোজদারো, সেহরিকা ওয়াক্ত হো গিয়া’, ‘উঠো রোজদারো, চার বাজ গায়া’, কিংবা ‘উঠো রোজদারো, সেহেরিকা ওয়াক্ত খাতাম হো নে চালা’, বলে চেঁচিয়ে ঘুম থেকে তুলত লোকদের। ওদের হাতে থাকত টিনের একটা চোঙ। গ্রামগঞ্জে অনেক লোককে এরকম চোঙ হাতে নিয়ে ওষুধ বিক্রি করতে দেখা যায় এখনো।”

স্বাধীনতার পরও বেশ কিছুদিন ক্বাসিদার চল ছিল। এখন তা বিলুপ্ত। কারণ, পুরনো মহল্লাগুলি নেই। কৃৎকৌশল উন্নতির কারণে বাইরে থেকে ডেকে কাউকে আর জাগিয়ে দিতে হয় না।

(চলবে)