০৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৭টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত প্রয়োজন হলে সৌদি আরবের পাশে থাকবে পাকিস্তান ইরানি ড্রোনের আঘাতে দুবাইতে ১ বাংলাদেশিসহ ৪ জন নিহত পেট্রোল পাম্পে নিরাপত্তা না দিলে ব্যবসা বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের উত্তর বাড্ডায় দেয়াল ধসে খেলতে থাকা দুই শিশুর মৃত্যু অর্থনীতি রক্ষায় আগাম নীতি নেওয়ার আহ্বান ডি সিসি আইয়ের শফিকুর রহমান সম্মতি দিলে জামায়াতের চিঠি প্রকাশে প্রস্তুত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জ্বালানির দামে হঠাৎ ঝড়: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় মিশরে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে বড় বড় বিমান সংস্থাগুলো টিকিটের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে বিধ্বংসী বোলিং, নাহিদ রানার প্রথম ওয়ানডে পাঁচ উইকেট

ব্র্যাকের আসিফ সালেহ যোগ দিচ্ছেন গ্লোবাল ফিউচার কাউন্সিল অন ইমার্জিং এইড’-এ

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ ২০২৫–২০২৬ সালের জন্য বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন অঙ্গনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম গ্লোবাল ফিউচার কাউন্সিল অন ইমার্জিং এইড’- যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন।

গ্লোবাল ফিউচার কাউন্সিল কী?

এই কাউন্সিলটি হলো বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্লোবাল ফিউচার কাউন্সিল নেটওয়ার্কের অংশ। এখানে ৭০০-রও বেশি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ একত্রিত হন। তাদের কাজ হলো—

  • বর্তমান বিশ্বের প্রধান প্রধান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা
  • ভবিষ্যতকেন্দ্রিক গবেষণা, পরিকল্পনা ও নীতি তৈরি করা
  • সরকার, ব্যবসা-বাণিজ্য, একাডেমিয়া, নাগরিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা

আসিফ সালেহর ভূমিকা

কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে আসিফ সালেহ বিশেষজ্ঞদের একটি দলের সঙ্গে কাজ করবেন। তার দায়িত্বের মধ্যে থাকবে—

  • দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সহায়তা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও টেকসই করার পরিকল্পনা তৈরি
  • নতুন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ধারণা প্রাধান্য দেওয়া
  • স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা ও চাহিদাকে উন্নয়ন কার্যক্রমে যুক্ত করা
  • উদ্ভাবন, সম্প্রীতি এবং কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করা

আসিফ সালেহর মন্তব্য

এ প্রসঙ্গে আসিফ সালেহ বলেন:
“ব্র্যাকের ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, স্থানীয় মানুষদের নেতৃত্বাধীন সমাধানই সবচেয়ে কার্যকর। আমি চাই, ব্র্যাকের অভিজ্ঞতা বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ভাগাভাগি হোক। একইসঙ্গে আমরা এমন একটি কাঠামো তৈরি করতে চাই যা হবে বাস্তবমুখী, টেকসই এবং মানুষের চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।”

ব্র্যাকের দৃষ্টিভঙ্গি

এই দায়িত্বপ্রাপ্তি ব্র্যাকের দীর্ঘদিনের উন্নয়নকেন্দ্রিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ব্র্যাক দারিদ্র্য ও বৈষম্যের শিকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। তাদের মডেল হলো— মানুষের অংশগ্রহণে টেকসই উন্নয়ন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৭টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত

ব্র্যাকের আসিফ সালেহ যোগ দিচ্ছেন গ্লোবাল ফিউচার কাউন্সিল অন ইমার্জিং এইড’-এ

০৫:০০:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ ২০২৫–২০২৬ সালের জন্য বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন অঙ্গনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম গ্লোবাল ফিউচার কাউন্সিল অন ইমার্জিং এইড’- যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন।

গ্লোবাল ফিউচার কাউন্সিল কী?

এই কাউন্সিলটি হলো বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্লোবাল ফিউচার কাউন্সিল নেটওয়ার্কের অংশ। এখানে ৭০০-রও বেশি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ একত্রিত হন। তাদের কাজ হলো—

  • বর্তমান বিশ্বের প্রধান প্রধান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা
  • ভবিষ্যতকেন্দ্রিক গবেষণা, পরিকল্পনা ও নীতি তৈরি করা
  • সরকার, ব্যবসা-বাণিজ্য, একাডেমিয়া, নাগরিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা

আসিফ সালেহর ভূমিকা

কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে আসিফ সালেহ বিশেষজ্ঞদের একটি দলের সঙ্গে কাজ করবেন। তার দায়িত্বের মধ্যে থাকবে—

  • দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সহায়তা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও টেকসই করার পরিকল্পনা তৈরি
  • নতুন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ধারণা প্রাধান্য দেওয়া
  • স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা ও চাহিদাকে উন্নয়ন কার্যক্রমে যুক্ত করা
  • উদ্ভাবন, সম্প্রীতি এবং কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করা

আসিফ সালেহর মন্তব্য

এ প্রসঙ্গে আসিফ সালেহ বলেন:
“ব্র্যাকের ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, স্থানীয় মানুষদের নেতৃত্বাধীন সমাধানই সবচেয়ে কার্যকর। আমি চাই, ব্র্যাকের অভিজ্ঞতা বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ভাগাভাগি হোক। একইসঙ্গে আমরা এমন একটি কাঠামো তৈরি করতে চাই যা হবে বাস্তবমুখী, টেকসই এবং মানুষের চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।”

ব্র্যাকের দৃষ্টিভঙ্গি

এই দায়িত্বপ্রাপ্তি ব্র্যাকের দীর্ঘদিনের উন্নয়নকেন্দ্রিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ব্র্যাক দারিদ্র্য ও বৈষম্যের শিকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। তাদের মডেল হলো— মানুষের অংশগ্রহণে টেকসই উন্নয়ন