০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা সয়াবিন তেলের সংকটে বাজারে চাপ, আমদানি-ব্যাংকিং ও বৈশ্বিক দামের বড় পরীক্ষা কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশু সহ নিহত ৩, আহত অন্তত ১১ হবিগঞ্জ হাওরে জ্বালানি সংকট ও বৃষ্টির ধাক্কা: ধানের দাম অর্ধেকে নেমে কৃষকের দুশ্চিন্তা ইরান যুদ্ধ থামাবে না যুদ্ধবিরতি, বরং নতুন এক অন্তহীন সংঘাতের পথ খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা দরপত্রেও সাড়া কম, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় সার বাজারে গভীর সংকট গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ খান পশ্চিমবঙ্গের ভোটে চূড়ান্ত লড়াই, কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত শেষ ধাপ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আজ লড়াই, সিমিওনের দুর্গ ভাঙতে পারবে কি আর্সেনাল?

পাকিস্তানের বিপক্ষে বিধ্বংসী বোলিং, নাহিদ রানার প্রথম ওয়ানডে পাঁচ উইকেট

ঢাকার শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে একাই ভেঙে দেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা। ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট নিয়ে তিনি দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান।

শুরুতেই চাপে পাকিস্তান

ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। পাকিস্তান দলে ছিল চারজন নতুন খেলোয়াড়, যা ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো এমন ঘটনা।

নতুন বলে বাংলাদেশের বোলার তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের বিপক্ষে সতর্ক সূচনা করার চেষ্টা করেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার সাহেবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত। প্রথম ছয় ওভারে তারা খুব ধীরে খেলেন এবং ২৪টি ডট বল খেলতে বাধ্য হন।

নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ে ১১৪ রানে অলআউট পাকিস্তান

নাহিদ রানার আগমনেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র

দশম ওভারে বোলিংয়ে এসে ম্যাচের গতিপথই পাল্টে দেন নাহিদ রানা। নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে তিনি সাহেবজাদা ফারহানকে ২৭ রানে আউট করেন। পয়েন্টে আফিফ হোসেন তার ক্যাচটি নেন।

পরের ওভারেই আবার আঘাত হানেন রানা। অভিষেক হওয়া শামিল হুসাইনকে ছোট লেন্থের বলে বিভ্রান্ত করে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলতে বাধ্য করেন তিনি। শামিল আউট হন মাত্র ৪ রানে।

ধারাবাহিক আঘাতে বিপর্যস্ত পাকিস্তান

এরপর শর্ট পিচ বোলিংয়ের ধারাবাহিক আক্রমণে পাকিস্তানের ব্যাটারদের চাপে ফেলেন রানা। ১৪তম ওভারে তিনি মাজ সাদাকাতকে ১৮ রানে আউট করেন।

১৭তম ওভারে অভিজ্ঞ ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ১০ রানে ফিরিয়ে দেন তিনি, যিনি আবারও লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন।

এরপর সালমান আগাকে মাত্র ৫ রানে আউট করে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন নাহিদ রানা। শর্ট স্কয়ার লেগে তানজিদ হাসান তার ক্যাচটি নেন।

এই অসাধারণ বোলিং স্পেলে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ দ্রুত ভেঙে পড়ে এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে আসে বাংলাদেশের হাতে।

১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা

পাকিস্তানের বিপক্ষে বিধ্বংসী বোলিং, নাহিদ রানার প্রথম ওয়ানডে পাঁচ উইকেট

০৬:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ঢাকার শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে একাই ভেঙে দেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা। ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট নিয়ে তিনি দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান।

শুরুতেই চাপে পাকিস্তান

ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। পাকিস্তান দলে ছিল চারজন নতুন খেলোয়াড়, যা ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো এমন ঘটনা।

নতুন বলে বাংলাদেশের বোলার তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের বিপক্ষে সতর্ক সূচনা করার চেষ্টা করেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার সাহেবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত। প্রথম ছয় ওভারে তারা খুব ধীরে খেলেন এবং ২৪টি ডট বল খেলতে বাধ্য হন।

নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ে ১১৪ রানে অলআউট পাকিস্তান

নাহিদ রানার আগমনেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র

দশম ওভারে বোলিংয়ে এসে ম্যাচের গতিপথই পাল্টে দেন নাহিদ রানা। নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে তিনি সাহেবজাদা ফারহানকে ২৭ রানে আউট করেন। পয়েন্টে আফিফ হোসেন তার ক্যাচটি নেন।

পরের ওভারেই আবার আঘাত হানেন রানা। অভিষেক হওয়া শামিল হুসাইনকে ছোট লেন্থের বলে বিভ্রান্ত করে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলতে বাধ্য করেন তিনি। শামিল আউট হন মাত্র ৪ রানে।

ধারাবাহিক আঘাতে বিপর্যস্ত পাকিস্তান

এরপর শর্ট পিচ বোলিংয়ের ধারাবাহিক আক্রমণে পাকিস্তানের ব্যাটারদের চাপে ফেলেন রানা। ১৪তম ওভারে তিনি মাজ সাদাকাতকে ১৮ রানে আউট করেন।

১৭তম ওভারে অভিজ্ঞ ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ১০ রানে ফিরিয়ে দেন তিনি, যিনি আবারও লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন।

এরপর সালমান আগাকে মাত্র ৫ রানে আউট করে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন নাহিদ রানা। শর্ট স্কয়ার লেগে তানজিদ হাসান তার ক্যাচটি নেন।

এই অসাধারণ বোলিং স্পেলে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ দ্রুত ভেঙে পড়ে এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে আসে বাংলাদেশের হাতে।