০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
মধ্য-এপ্রিলের মধ্যে হরমুজ না খুললে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হবে: তেল শিল্পের সতর্কবার্তা ইরান মার্কিন শর্ত মানতে রাজি, তবে খার্গ দ্বীপ দখলের ভাবনায় ট্রাম্প হরমুজ সংকটের আঘাতে বাংলাদেশ: বার্ষিক জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়বে ৪৮০ কোটি ডলার ইসলামাবাদে চার দেশের কূটনীতি: পাকিস্তান মার্কিন-ইরান সরাসরি আলোচনা আয়োজনের প্রস্তাব দিল বঙ্গের ধাঁধা — সামাজিক অগ্রগতি কেন উচ্চ আয়ে রূপান্তরিত হয়নি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপে মধ্যস্থতার উদ্যোগে পাকিস্তান, চীনের সমর্থন চাইতে বেইজিং সফরে ইসহাক দার ভারত কেন কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বেছে নেয় ভারত কেন কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বেছে নেয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের নেতৃত্বে বাঘের গালিবাফ, কে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল ও খারগ দ্বীপ নিয়ে নিতে পারে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

অস্ট্রেলিয়ার ২০৩৫ জলবায়ু লক্ষ্য সামনে, উচ্চতা নিয়ে দ্বিধায় ব্যবসায়ীরা

লক্ষ্য ঘোষণা আসন্ন

ক্যানবেরা ২০৩৫ সালের নির্গমন লক্ষ্য ঘোষণা করতে চলেছে। সরকার বলছে—লক্ষ্য হবে “দৃঢ় ও বাস্তবসম্মত।”

বোর্ডরুম বনাম জলবায়ু পক্ষ

বড় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, ৭০%-এর বেশি লক্ষ্য খরচ বাড়াতে পারে। জলবায়ু সংগঠনগুলো বলছে—বৈজ্ঞানিক হিসাব ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্রতিবেশীদের প্রত্যাশা মিলিয়ে অন্তত ৭৫% প্রয়োজন।

বিনিয়োগের সংকেত

যে লক্ষ্যই আসুক, হাইড্রোজেন, ট্রান্সমিশন ও স্টোরেজে স্পষ্ট রূপরেখা বিনিয়োগ “আনলক” করবে। সেক্টরভিত্তিক পরিকল্পনা ছাড়া টার্গেট বিশ্বাসযোগ্য হবে না—এমনটাই বিশ্লেষকদের মত।

আঞ্চলিক প্রভাব

অস্ট্রেলিয়ার সিদ্ধান্ত এশিয়ার জ্বালানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলবে। উচ্চ লক্ষ্য এলএনজি চুক্তি ও ক্লিন-টেক সরবরাহ শৃঙ্খলে পুনর্বিন্যাস আনতে পারে—যার প্রভাব দক্ষিণ এশিয়াতেও পড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্য-এপ্রিলের মধ্যে হরমুজ না খুললে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হবে: তেল শিল্পের সতর্কবার্তা

অস্ট্রেলিয়ার ২০৩৫ জলবায়ু লক্ষ্য সামনে, উচ্চতা নিয়ে দ্বিধায় ব্যবসায়ীরা

১২:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

লক্ষ্য ঘোষণা আসন্ন

ক্যানবেরা ২০৩৫ সালের নির্গমন লক্ষ্য ঘোষণা করতে চলেছে। সরকার বলছে—লক্ষ্য হবে “দৃঢ় ও বাস্তবসম্মত।”

বোর্ডরুম বনাম জলবায়ু পক্ষ

বড় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, ৭০%-এর বেশি লক্ষ্য খরচ বাড়াতে পারে। জলবায়ু সংগঠনগুলো বলছে—বৈজ্ঞানিক হিসাব ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্রতিবেশীদের প্রত্যাশা মিলিয়ে অন্তত ৭৫% প্রয়োজন।

বিনিয়োগের সংকেত

যে লক্ষ্যই আসুক, হাইড্রোজেন, ট্রান্সমিশন ও স্টোরেজে স্পষ্ট রূপরেখা বিনিয়োগ “আনলক” করবে। সেক্টরভিত্তিক পরিকল্পনা ছাড়া টার্গেট বিশ্বাসযোগ্য হবে না—এমনটাই বিশ্লেষকদের মত।

আঞ্চলিক প্রভাব

অস্ট্রেলিয়ার সিদ্ধান্ত এশিয়ার জ্বালানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলবে। উচ্চ লক্ষ্য এলএনজি চুক্তি ও ক্লিন-টেক সরবরাহ শৃঙ্খলে পুনর্বিন্যাস আনতে পারে—যার প্রভাব দক্ষিণ এশিয়াতেও পড়বে।