০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
ঢাকার শিশুদের দিনে প্রায় ৫ ঘণ্টা স্ক্রিনে আসক্তি, বাড়ছে ঘুমের সমস্যা ও মানসিক ঝুঁকি জেলবন্দী  অবস্থায়  গুরুতর অসুস্থ হওয়া  আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের প্রথম জানাজায় মানুষের ঢল  চট্টগ্রামে গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমির মৃত্যু, আইসিইউতে শেষ নিঃশ্বাস সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু, বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকের আলোচনা ওমানে রহস্যজনক মৃত্যু: চট্টগ্রামের চার প্রবাসী ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের দুধ কম হওয়ার পেছনে মিলল নতুন কারণ, বদলাচ্ছে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ধারণা ফিলিপাইনের রাজনীতিতে নতুন ঝড়, ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতার্তের বিরুদ্ধে অভিশংসন দিল্লিতে গ্রেপ্তার ‘দ্য স্কিন ডক্টর’, কপুর পরিবারের বিরুদ্ধে পোস্ট ঘিরে বিতর্ক নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে তোলপাড় ভারত, অনিশ্চয়তায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ দিল্লিতে চলন্ত বাসে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার চালক-সহকারী

একটি নতুন কবিতা শোনার জন্যে

আজকাল এক খন্ড ভাঙ্গা ইট, এক মুঠো মাটি
আমার সব থেকে বেশি ভালো লাগে—
যেমন একদিন ভালো লেগেছিলো,
তোমার কিশোরী মুখ।
তুমি কি মনে করতে পারো
সেই মেঘলা দিনে—
সেই পাতা ঝরা পথে—
আমারা অনেক মুখ এক হয়েছিলাম—
আমিও তো সেদিন কিশোর ছিলাম—
তখন পদ্মা অনেক বিশাল ছিলো—
মেঘনার বুকে ছিলো তুমুল গর্জন—
অথচ সে সব আমাদের কাছে ছিলো অতি তুচ্ছ—
সেদিন তুমি আর আমি হাত ধরাধরি করে
কি পারতাম না পৃথিবীর সব থেকে দুর্লভ ফুলটি ছিড়ে আনতে?

অথচ জানো আজ আমি চোখ মেললেই মরা বিড়াল দেখি—
আহা! কী অপয়া এই মরা বিড়াল—
পদ্মা, মেঘনা, যমুনা কোথাও একে ছুড়ে ফেলা যায় না—
না আমার বঙ্গোপসাগর,
যার থেকে উঠে এসেছে আমার সবুজ গাছ আর পলল ভূমি—
তার বুকে মরা বিড়াল ছুড়ে ফেলা—
হতেই পারে না।
তার থেকে বসে প্রার্থনা করি—
পদ্মার স্রোত থেকে উঠে আসুক তোমার মতো কিশোরী,
মেঘনার প্রবল গর্জনের থেকে আমার পাশে যে কিশোররা ছিলো
তাদের মত মুখ নিয়ে উঠে আসুক—
যেমন বাসুকি নাগের দোলায় সাগর থেকে উঠে আসে সাগরের সন্তানেরা।
আমারা ততক্ষণে এক মুষ্টি মাটি হাতে করে নিয়ে
বসে থাকি—
একটি মেঘলা দিন—
একটি পাতা ঝরা দিন—
আর একটি নতুন কবিতা শোনার জন্যে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার শিশুদের দিনে প্রায় ৫ ঘণ্টা স্ক্রিনে আসক্তি, বাড়ছে ঘুমের সমস্যা ও মানসিক ঝুঁকি

একটি নতুন কবিতা শোনার জন্যে

০৮:৪২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

আজকাল এক খন্ড ভাঙ্গা ইট, এক মুঠো মাটি
আমার সব থেকে বেশি ভালো লাগে—
যেমন একদিন ভালো লেগেছিলো,
তোমার কিশোরী মুখ।
তুমি কি মনে করতে পারো
সেই মেঘলা দিনে—
সেই পাতা ঝরা পথে—
আমারা অনেক মুখ এক হয়েছিলাম—
আমিও তো সেদিন কিশোর ছিলাম—
তখন পদ্মা অনেক বিশাল ছিলো—
মেঘনার বুকে ছিলো তুমুল গর্জন—
অথচ সে সব আমাদের কাছে ছিলো অতি তুচ্ছ—
সেদিন তুমি আর আমি হাত ধরাধরি করে
কি পারতাম না পৃথিবীর সব থেকে দুর্লভ ফুলটি ছিড়ে আনতে?

অথচ জানো আজ আমি চোখ মেললেই মরা বিড়াল দেখি—
আহা! কী অপয়া এই মরা বিড়াল—
পদ্মা, মেঘনা, যমুনা কোথাও একে ছুড়ে ফেলা যায় না—
না আমার বঙ্গোপসাগর,
যার থেকে উঠে এসেছে আমার সবুজ গাছ আর পলল ভূমি—
তার বুকে মরা বিড়াল ছুড়ে ফেলা—
হতেই পারে না।
তার থেকে বসে প্রার্থনা করি—
পদ্মার স্রোত থেকে উঠে আসুক তোমার মতো কিশোরী,
মেঘনার প্রবল গর্জনের থেকে আমার পাশে যে কিশোররা ছিলো
তাদের মত মুখ নিয়ে উঠে আসুক—
যেমন বাসুকি নাগের দোলায় সাগর থেকে উঠে আসে সাগরের সন্তানেরা।
আমারা ততক্ষণে এক মুষ্টি মাটি হাতে করে নিয়ে
বসে থাকি—
একটি মেঘলা দিন—
একটি পাতা ঝরা দিন—
আর একটি নতুন কবিতা শোনার জন্যে।