০৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
হার্ট অ্যাটাকে দেরি মানেই মৃত্যু ঝুঁকি, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতায় বাড়ছে বিপদ আখচাষিদের বকেয়া ৩২ গুণ বৃদ্ধি, কোটি কোটি টাকা আটকে—চাপ বাড়ছে কৃষকের জীবনে উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে ৮ জেলায় তেল সংকট: শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে জ্বালানি সরবরাহ থমকে গেছে জনসংখ্যা বদল থামাতে বিজেপিই শেষ ভরসা, তৃণমূলকে ঘিরে শাহের বিস্ফোরক চার্জশিট থাইল্যান্ডে নতুন জীবন খুঁজছেন মিয়ানমারের লাখো মানুষ, নিরাপত্তা ও স্বপ্নের লড়াই তীব্রতর ইরান যুদ্ধের ছায়ায় তাইওয়ান সংকট: চীনের হামলার ঝুঁকি কি বাড়ছে? চীনের রাজনীতিতে জিয়াং শেংনানের দৃপ্ত কণ্ঠ, নারীর অধিকারের নতুন অধ্যায় শুরু ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচার মামলায় সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিনের ৬ দিনের নতুন রিমান্ড মমতার তোপে বিজেপি: বাংলা ধ্বংসের চক্রান্তের অভিযোগ, ভোটের আগে তীব্র রাজনৈতিক উত্তাপ

একটি নতুন কবিতা শোনার জন্যে

আজকাল এক খন্ড ভাঙ্গা ইট, এক মুঠো মাটি
আমার সব থেকে বেশি ভালো লাগে—
যেমন একদিন ভালো লেগেছিলো,
তোমার কিশোরী মুখ।
তুমি কি মনে করতে পারো
সেই মেঘলা দিনে—
সেই পাতা ঝরা পথে—
আমারা অনেক মুখ এক হয়েছিলাম—
আমিও তো সেদিন কিশোর ছিলাম—
তখন পদ্মা অনেক বিশাল ছিলো—
মেঘনার বুকে ছিলো তুমুল গর্জন—
অথচ সে সব আমাদের কাছে ছিলো অতি তুচ্ছ—
সেদিন তুমি আর আমি হাত ধরাধরি করে
কি পারতাম না পৃথিবীর সব থেকে দুর্লভ ফুলটি ছিড়ে আনতে?

অথচ জানো আজ আমি চোখ মেললেই মরা বিড়াল দেখি—
আহা! কী অপয়া এই মরা বিড়াল—
পদ্মা, মেঘনা, যমুনা কোথাও একে ছুড়ে ফেলা যায় না—
না আমার বঙ্গোপসাগর,
যার থেকে উঠে এসেছে আমার সবুজ গাছ আর পলল ভূমি—
তার বুকে মরা বিড়াল ছুড়ে ফেলা—
হতেই পারে না।
তার থেকে বসে প্রার্থনা করি—
পদ্মার স্রোত থেকে উঠে আসুক তোমার মতো কিশোরী,
মেঘনার প্রবল গর্জনের থেকে আমার পাশে যে কিশোররা ছিলো
তাদের মত মুখ নিয়ে উঠে আসুক—
যেমন বাসুকি নাগের দোলায় সাগর থেকে উঠে আসে সাগরের সন্তানেরা।
আমারা ততক্ষণে এক মুষ্টি মাটি হাতে করে নিয়ে
বসে থাকি—
একটি মেঘলা দিন—
একটি পাতা ঝরা দিন—
আর একটি নতুন কবিতা শোনার জন্যে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হার্ট অ্যাটাকে দেরি মানেই মৃত্যু ঝুঁকি, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতায় বাড়ছে বিপদ

একটি নতুন কবিতা শোনার জন্যে

০৮:৪২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

আজকাল এক খন্ড ভাঙ্গা ইট, এক মুঠো মাটি
আমার সব থেকে বেশি ভালো লাগে—
যেমন একদিন ভালো লেগেছিলো,
তোমার কিশোরী মুখ।
তুমি কি মনে করতে পারো
সেই মেঘলা দিনে—
সেই পাতা ঝরা পথে—
আমারা অনেক মুখ এক হয়েছিলাম—
আমিও তো সেদিন কিশোর ছিলাম—
তখন পদ্মা অনেক বিশাল ছিলো—
মেঘনার বুকে ছিলো তুমুল গর্জন—
অথচ সে সব আমাদের কাছে ছিলো অতি তুচ্ছ—
সেদিন তুমি আর আমি হাত ধরাধরি করে
কি পারতাম না পৃথিবীর সব থেকে দুর্লভ ফুলটি ছিড়ে আনতে?

অথচ জানো আজ আমি চোখ মেললেই মরা বিড়াল দেখি—
আহা! কী অপয়া এই মরা বিড়াল—
পদ্মা, মেঘনা, যমুনা কোথাও একে ছুড়ে ফেলা যায় না—
না আমার বঙ্গোপসাগর,
যার থেকে উঠে এসেছে আমার সবুজ গাছ আর পলল ভূমি—
তার বুকে মরা বিড়াল ছুড়ে ফেলা—
হতেই পারে না।
তার থেকে বসে প্রার্থনা করি—
পদ্মার স্রোত থেকে উঠে আসুক তোমার মতো কিশোরী,
মেঘনার প্রবল গর্জনের থেকে আমার পাশে যে কিশোররা ছিলো
তাদের মত মুখ নিয়ে উঠে আসুক—
যেমন বাসুকি নাগের দোলায় সাগর থেকে উঠে আসে সাগরের সন্তানেরা।
আমারা ততক্ষণে এক মুষ্টি মাটি হাতে করে নিয়ে
বসে থাকি—
একটি মেঘলা দিন—
একটি পাতা ঝরা দিন—
আর একটি নতুন কবিতা শোনার জন্যে।