০৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
পরিকল্পনা ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনা নয়, প্রতিপক্ষকে তীব্র আক্রমণে তারেক রহমান পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ পুনর্বিবেচনা সম্পন্নে এক সপ্তাহ সময় বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট এখন থেকেই ভোট পাহারার ডাক: জালিয়াতি ঠেকাতে কঠোর অবস্থানের আহ্বান শফিকুর রহমানের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ জিম্বাবুয়ের দুর্দান্ত জয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানকে আট উইকেটে হার শিল্পায়িত খাদ্যকে ভালোবাসতে শিখুন, দুশ্চিন্তা নয় শয়তানের দালাল ছিলেন এপস্টিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে ৮২ ঘণ্টার চলাচলে নিষেধাজ্ঞা কথা বলতে চাইলে সাবেক এমপি তুহিনের মুখ চেপে ধরলো পুলিশ গাজা পুনর্গঠনে বৈশ্বিক বৈঠক ডাকছেন ট্রাম্প, শান্তি কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ

টিকটক বিক্রি? নীতির চেয়ে ‘ক্ষমতা বণ্টন’—নতুন প্রশ্ন

আইন, নির্বাহী আদেশ ও কারা লাভবান হতে পারে

টিকটকের মার্কিন অংশ বিক্রির চাপ এখন কেবল ডাটার নিরাপত্তা নয়; সমালোচকদের মতে এটি মিত্রপোষণ ও মিডিয়া শক্তির পুনর্বণ্টনের হাতিয়ারও হয়ে উঠছে। ২০২৪ সালের আইনের পর দীর্ঘ টানাপোড়েন শেষে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে নির্বাহী আদেশে সময়রেখা বেঁধে দেওয়া হয়। বহু তথ্য গোপন থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচিত বিনিয়োগকারী গোষ্ঠী সুবিধাজনক শর্ত, নজরদারির শৈথিল্য বা প্রভাবশালী অবস্থান পেতে পারে। এর বিরোধিতা হবে আদালতে—জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তির সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও অ্যান্টিট্রাস্ট প্রশ্নের সংঘাত অনিবার্য।

সমাধানের রূপরেখা ও বাস্তব জটিলতা

মালিকানা বদলালেও রিকমেন্ডেশন সিস্টেম, কনটেন্ট মডারেশন ও ডাটা প্রবাহে কঠোর নিয়ম থাকতেই হবে। কোডবেস আলাদা করা, ক্লাউড অবকাঠামো বদলানো ও রেগুলেটরি আস্থা গড়তে দীর্ঘ ট্রানজিশন দরকার হতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতা ও ব্যবহারকারীর জন্য অনিশ্চয়তা হচ্ছে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি—কিছু ফিচার ও আয়করণ থমকে যেতে পারে। প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য এটি নিষেধাজ্ঞার অভিঘাত কমাতে পারে, কিন্তু বাজার ক্ষমতার মানচিত্র বদলাতে সক্ষম। শেষত, কার্যকর সমাধানকে জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতা ও মতপ্রকাশ—এই তিন লক্ষ্যকে একসঙ্গে সামলাতে হবে, যাতে প্রযুক্তিনীতি ব্যক্তিপ্রীতিতে পরিণত না হয়। নজরদারির নকশাই ঠিক করবে, সমাধান টেকসই হবে কি না।

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিকল্পনা ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনা নয়, প্রতিপক্ষকে তীব্র আক্রমণে তারেক রহমান

টিকটক বিক্রি? নীতির চেয়ে ‘ক্ষমতা বণ্টন’—নতুন প্রশ্ন

০৬:২০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

আইন, নির্বাহী আদেশ ও কারা লাভবান হতে পারে

টিকটকের মার্কিন অংশ বিক্রির চাপ এখন কেবল ডাটার নিরাপত্তা নয়; সমালোচকদের মতে এটি মিত্রপোষণ ও মিডিয়া শক্তির পুনর্বণ্টনের হাতিয়ারও হয়ে উঠছে। ২০২৪ সালের আইনের পর দীর্ঘ টানাপোড়েন শেষে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে নির্বাহী আদেশে সময়রেখা বেঁধে দেওয়া হয়। বহু তথ্য গোপন থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচিত বিনিয়োগকারী গোষ্ঠী সুবিধাজনক শর্ত, নজরদারির শৈথিল্য বা প্রভাবশালী অবস্থান পেতে পারে। এর বিরোধিতা হবে আদালতে—জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তির সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও অ্যান্টিট্রাস্ট প্রশ্নের সংঘাত অনিবার্য।

সমাধানের রূপরেখা ও বাস্তব জটিলতা

মালিকানা বদলালেও রিকমেন্ডেশন সিস্টেম, কনটেন্ট মডারেশন ও ডাটা প্রবাহে কঠোর নিয়ম থাকতেই হবে। কোডবেস আলাদা করা, ক্লাউড অবকাঠামো বদলানো ও রেগুলেটরি আস্থা গড়তে দীর্ঘ ট্রানজিশন দরকার হতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতা ও ব্যবহারকারীর জন্য অনিশ্চয়তা হচ্ছে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি—কিছু ফিচার ও আয়করণ থমকে যেতে পারে। প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য এটি নিষেধাজ্ঞার অভিঘাত কমাতে পারে, কিন্তু বাজার ক্ষমতার মানচিত্র বদলাতে সক্ষম। শেষত, কার্যকর সমাধানকে জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতা ও মতপ্রকাশ—এই তিন লক্ষ্যকে একসঙ্গে সামলাতে হবে, যাতে প্রযুক্তিনীতি ব্যক্তিপ্রীতিতে পরিণত না হয়। নজরদারির নকশাই ঠিক করবে, সমাধান টেকসই হবে কি না।