০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
‘একটি ঝাপসা প্রার্থনার মতো’ কল্পকাহিনী চেষ্টা করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আগামীকাল এখনও বাকি, আজও আছে আশা ইউরোপের সেই প্রান্ত যেখানে মৃত্যুও নথিভুক্ত হয় না যৌবনের আর্থিক জ্ঞানে প্রেমের নতুন মানদণ্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির প্রভাব: আমেরিকান অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি: নতুন তথ্যপত্রে পালস সরানো, ৫০০ বিলিয়ন ডলারের ক্রয় পরিকল্পনা সংশোধন চট্টগ্রামের চন্দনাইশে মাইক্রোবাস থেকে সাড়ে ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা জব্দ, তিনজনকে আটক নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ড্রোনের মাধ্যমে ভোট মনিটরিং করছে বিমানবাহিনী নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের আগে উপদেষ্টারা দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন নির্বাচনের আগেরদিন সৈয়দপুর বিমানবন্দর কাণ্ডে জামায়াতের দেউলিয়াত্ব প্রকাশ: মাহদী আমিন

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০৭)

নীচস্থ যে কোন সংখ্যা (Penultimate) তার উপর সংখ্যা দিয়ে গুণ কর এবং তার নীচের সংখ্যা যোগ

প্রথম আর্যভট উপযুক্ত শ্লোকদুটিকে এইভাবে বর্ণনা করেছেন। বৃহত্তর ভাগশেষের সঙ্গে জড়িত ভাজককে ক্ষুদ্রতর ভাগশেষের সঙ্গে জড়িত ভাগশেষে দিয়ে ভাগ কর যা অবশিষ্ট রহিল তাকে ক্ষুদ্রতর ভাগশেষের ভাজক দিয়ে আবার ভাগ করা এবং এই পদ্ধতি চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত না শূক্ত ভাগশেষ হয়। শেভাগফলকে মতি দিয়ে গুণ করে এই গুণফলের সঙ্গে ভাগশেষদ্বয়ের পার্থক্য যোগ বা বিয়োগ কর।

(যুগ্ম সংখ্যক ভাগফল হলে যোগ করতে হবে, অনুগ্ম সংখ্যক ভাগফল হলে বিয়োগ-করতে হবে) এরপর ভাগফলগুলি একটি পঙ্ ক্তিতে একটির নীচে একটি বসাও তার নীচে সদ্য প্রাপ্ত ফল বসাও তার নীচে ‘মতি বসাও। নীচস্থ যে কোন সংখ্যা (Penultimate) তার উপর সংখ্যা দিয়ে গুণ কর এবং তার নীচের সংখ্যা যোগ। এইভাবে পুনঃ পুনঃ কর। (এইভাবে প্রাপ্ত) শেষ সংখ্যাটিকে ক্ষুদ্রতর ভাগশেষের সঙ্গে জড়িত ভাজক দিয়া ভাগ দাও। অবশিষ্টকে বৃহত্তর ভাগশেষের সঙ্গে জড়িত ভাজকদিয়া গুণ কর এবং বৃহত্তর ভাগশেষ যোগ কর তাহলেই ঈপ্সিত সংখ্যাটি পাওয়া যাবে।

যাই হোক আর্যভটের সূত্র থেকে আমরা নিম্নলিখিত সমীকরণটির সমাধান করার পদ্ধতি জানতে পারি।

N=ax+R1=by+R2.

এখানে a = বৃহত্তর ভাগশেষের সঙ্গে জড়িত ভাজক

b = ক্ষুদ্রতর ভাগশেষের সঙ্গে জড়িত ভাজক

R1 = বৃহত্তর ভাগশেষ,

R2 = ক্ষুদ্রতর ভাগশেষ,

এখন c =R1∼ R 2 ধরা যায় তাহলে আমরা নিম্নলিখিত দুটি সমীকরণ পাব।

(ক) by = ax + c যখন R1 >R2

(খ) ax = by + c যখন R2> R1

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০৬)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০৬)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

‘একটি ঝাপসা প্রার্থনার মতো’ কল্পকাহিনী চেষ্টা করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০৭)

০৩:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

নীচস্থ যে কোন সংখ্যা (Penultimate) তার উপর সংখ্যা দিয়ে গুণ কর এবং তার নীচের সংখ্যা যোগ

প্রথম আর্যভট উপযুক্ত শ্লোকদুটিকে এইভাবে বর্ণনা করেছেন। বৃহত্তর ভাগশেষের সঙ্গে জড়িত ভাজককে ক্ষুদ্রতর ভাগশেষের সঙ্গে জড়িত ভাগশেষে দিয়ে ভাগ কর যা অবশিষ্ট রহিল তাকে ক্ষুদ্রতর ভাগশেষের ভাজক দিয়ে আবার ভাগ করা এবং এই পদ্ধতি চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত না শূক্ত ভাগশেষ হয়। শেভাগফলকে মতি দিয়ে গুণ করে এই গুণফলের সঙ্গে ভাগশেষদ্বয়ের পার্থক্য যোগ বা বিয়োগ কর।

(যুগ্ম সংখ্যক ভাগফল হলে যোগ করতে হবে, অনুগ্ম সংখ্যক ভাগফল হলে বিয়োগ-করতে হবে) এরপর ভাগফলগুলি একটি পঙ্ ক্তিতে একটির নীচে একটি বসাও তার নীচে সদ্য প্রাপ্ত ফল বসাও তার নীচে ‘মতি বসাও। নীচস্থ যে কোন সংখ্যা (Penultimate) তার উপর সংখ্যা দিয়ে গুণ কর এবং তার নীচের সংখ্যা যোগ। এইভাবে পুনঃ পুনঃ কর। (এইভাবে প্রাপ্ত) শেষ সংখ্যাটিকে ক্ষুদ্রতর ভাগশেষের সঙ্গে জড়িত ভাজক দিয়া ভাগ দাও। অবশিষ্টকে বৃহত্তর ভাগশেষের সঙ্গে জড়িত ভাজকদিয়া গুণ কর এবং বৃহত্তর ভাগশেষ যোগ কর তাহলেই ঈপ্সিত সংখ্যাটি পাওয়া যাবে।

যাই হোক আর্যভটের সূত্র থেকে আমরা নিম্নলিখিত সমীকরণটির সমাধান করার পদ্ধতি জানতে পারি।

N=ax+R1=by+R2.

এখানে a = বৃহত্তর ভাগশেষের সঙ্গে জড়িত ভাজক

b = ক্ষুদ্রতর ভাগশেষের সঙ্গে জড়িত ভাজক

R1 = বৃহত্তর ভাগশেষ,

R2 = ক্ষুদ্রতর ভাগশেষ,

এখন c =R1∼ R 2 ধরা যায় তাহলে আমরা নিম্নলিখিত দুটি সমীকরণ পাব।

(ক) by = ax + c যখন R1 >R2

(খ) ax = by + c যখন R2> R1

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০৬)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০৬)