০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
‘একটি ঝাপসা প্রার্থনার মতো’ কল্পকাহিনী চেষ্টা করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আগামীকাল এখনও বাকি, আজও আছে আশা ইউরোপের সেই প্রান্ত যেখানে মৃত্যুও নথিভুক্ত হয় না যৌবনের আর্থিক জ্ঞানে প্রেমের নতুন মানদণ্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির প্রভাব: আমেরিকান অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি: নতুন তথ্যপত্রে পালস সরানো, ৫০০ বিলিয়ন ডলারের ক্রয় পরিকল্পনা সংশোধন চট্টগ্রামের চন্দনাইশে মাইক্রোবাস থেকে সাড়ে ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা জব্দ, তিনজনকে আটক নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ড্রোনের মাধ্যমে ভোট মনিটরিং করছে বিমানবাহিনী নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের আগে উপদেষ্টারা দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন নির্বাচনের আগেরদিন সৈয়দপুর বিমানবন্দর কাণ্ডে জামায়াতের দেউলিয়াত্ব প্রকাশ: মাহদী আমিন

জাপানে ভালুক-দেখা রেকর্ড, দেশজুড়ে নিরাপত্তা উদ্যোগ

কেন শহরপাড়ায় ভালুক বাড়ছে
জাপানে ভালুক দেখা ও আক্রমণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। হঠাৎ ঠান্ডা পড়া ও একোর্ন–চেস্টনাটের মতো বুনোফলের ঘাটতিতে প্রাণীরা শহরপাড়ায় খাবারের সন্ধানে নামছে। ফুকুশিমার ইইজাকা অনসেন এলাকায় এক ভালুক রাতভর ঘুরে বেড়ায়; ব্যবসা থেমে যায়, ভোরের আগে হঠাৎ অদৃশ্য হয়। পুলিশ–শিকারি দল বাগান ও নদীতীরে টহল জোরদার করেছে; সড়কের সাইনবোর্ডে ট্রাফিকের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সতর্কতাও দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ ঘটনায় প্রাণী চমকে ওঠে, শিকার করতে আসে না—তবু শাবক থাকলে ঝুঁকি বহুগুণ। গ্রামীণ জনসংখ্যা বৃদ্ধ হওয়ায় বসতি ঘিরে ‘বাফার’ জমি অবহেলায় ঝোপে ঢেকে যাচ্ছে—যা শহুরে প্রান্তে পশুদের আড়াল দেয়।

কীভাবে মানিয়ে নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ ও নাগরিক
প্রতিরোধই মূল কৌশল। স্কুল–বাসস্টপে ঝোপ ছাঁটা, মোশন লাইট বসানো ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনা কড়া করা হচ্ছে, যাতে আকর্ষণ কমে। পার্সিমন ও মিষ্টি আলুর ক্ষেতে কৃষকেরা পোর্টেবল ইলেকট্রিক ফেন্স দিচ্ছেন। হাইকিং গ্রুপ ছোট দলে চলা, শব্দ করা ও বাঁশি বহনের পরামর্শ দিচ্ছে। শহুরে এলাকায় সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে লক্ষ্যভিত্তিক গুলি চালানোর নির্দেশিকা রয়েছে, তবে স্থানান্তর কার্যত কঠিন—অনেক ভালুক ফিরে আসে বা নতুন জায়গায় টেকে না। প্রিফেকচারগুলোর ডেটা ভাগাভাগি করে চলাচলের করিডর চিহ্নিত করা হচ্ছে, যাতে ফেন্সিং–প্যাট্রোল সঠিক স্থানে হয়। দীর্ঘমেয়াদে কৃষি ক্ষতির বীমা ও নেটিং–ফেন্সিংয়ে ভর্তুকি দিলে প্রাণী নিধনের চাপ কমতে পারে। সচেতনতা, মৌসুমি সতর্কতা ও রিপোর্টিং অ্যাপ—এই শিক্ষা-ভিত্তিক উপায়গুলোই সবচেয়ে স্কেলযোগ্য।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘একটি ঝাপসা প্রার্থনার মতো’ কল্পকাহিনী চেষ্টা করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

জাপানে ভালুক-দেখা রেকর্ড, দেশজুড়ে নিরাপত্তা উদ্যোগ

০২:০০:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

কেন শহরপাড়ায় ভালুক বাড়ছে
জাপানে ভালুক দেখা ও আক্রমণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। হঠাৎ ঠান্ডা পড়া ও একোর্ন–চেস্টনাটের মতো বুনোফলের ঘাটতিতে প্রাণীরা শহরপাড়ায় খাবারের সন্ধানে নামছে। ফুকুশিমার ইইজাকা অনসেন এলাকায় এক ভালুক রাতভর ঘুরে বেড়ায়; ব্যবসা থেমে যায়, ভোরের আগে হঠাৎ অদৃশ্য হয়। পুলিশ–শিকারি দল বাগান ও নদীতীরে টহল জোরদার করেছে; সড়কের সাইনবোর্ডে ট্রাফিকের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সতর্কতাও দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ ঘটনায় প্রাণী চমকে ওঠে, শিকার করতে আসে না—তবু শাবক থাকলে ঝুঁকি বহুগুণ। গ্রামীণ জনসংখ্যা বৃদ্ধ হওয়ায় বসতি ঘিরে ‘বাফার’ জমি অবহেলায় ঝোপে ঢেকে যাচ্ছে—যা শহুরে প্রান্তে পশুদের আড়াল দেয়।

কীভাবে মানিয়ে নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ ও নাগরিক
প্রতিরোধই মূল কৌশল। স্কুল–বাসস্টপে ঝোপ ছাঁটা, মোশন লাইট বসানো ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনা কড়া করা হচ্ছে, যাতে আকর্ষণ কমে। পার্সিমন ও মিষ্টি আলুর ক্ষেতে কৃষকেরা পোর্টেবল ইলেকট্রিক ফেন্স দিচ্ছেন। হাইকিং গ্রুপ ছোট দলে চলা, শব্দ করা ও বাঁশি বহনের পরামর্শ দিচ্ছে। শহুরে এলাকায় সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে লক্ষ্যভিত্তিক গুলি চালানোর নির্দেশিকা রয়েছে, তবে স্থানান্তর কার্যত কঠিন—অনেক ভালুক ফিরে আসে বা নতুন জায়গায় টেকে না। প্রিফেকচারগুলোর ডেটা ভাগাভাগি করে চলাচলের করিডর চিহ্নিত করা হচ্ছে, যাতে ফেন্সিং–প্যাট্রোল সঠিক স্থানে হয়। দীর্ঘমেয়াদে কৃষি ক্ষতির বীমা ও নেটিং–ফেন্সিংয়ে ভর্তুকি দিলে প্রাণী নিধনের চাপ কমতে পারে। সচেতনতা, মৌসুমি সতর্কতা ও রিপোর্টিং অ্যাপ—এই শিক্ষা-ভিত্তিক উপায়গুলোই সবচেয়ে স্কেলযোগ্য।