১০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

২১০০ সালে বছরে ৫৭টি অতিরিক্ত ‘সুপারহট’ দিন—সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ছোট দেশগুলো

গরম দিনের হিসাব, অসম ভার ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন ও ক্লাইমেট সেন্ট্রালের নতুন বিশ্লেষণ বলছে—২১০০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে গড়ে বছরে ৫৭টি করে অতিরিক্ত ‘সুপারহট’ দিন দেখা যেতে পারে; ১৯৯১–২০২০ সময়কার অনুরূপ দিনের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশের চেয়েও বেশি গরম থাকলে তাকে ‘সুপারহট’ ধরা হয়েছে। ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির মতো নীতি না থাকলে সংখ্যাটি নাকি প্রায় দ্বিগুণ হতো। ভারসাম্যহীনতা স্পষ্ট—ছোট দ্বীপরাষ্ট্র ও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশগুলো সবচেয়ে বেশি বাড়তি তাপদিবসের চাপ নেবে, অথচ তাদের কার্বন নিঃসরণ সামান্য। উদাহরণস্বরূপ, পানামায় চার মাসের বেশি অতিরিক্ত ‘সুপারহট’ দিনের আশঙ্কা। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ভারত—বড় নির্গমনকারী দেশগুলো—গড়ে কম দিন পেলেও জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় ঝুঁকিতে পড়বে বিপুল মানুষ। গবেষকেরা মনে করিয়ে দেন, রেকর্ড ভাঙার আগেই স্বাস্থ্যঝুঁকি শুরু হয়—হিট স্ট্রেস, পানিশূন্যতা, এমনকি গ্রিড ব্যর্থতার হার বাড়ে যখন স্যাঁতসেঁতে গরম (ওয়েট-বাল্ব) দীর্ঘস্থায়ী হয়।

খাপ খাওয়ানো বনাম নির্গমন কমানো
বার্তাটি দ্বিমাত্রিক—অ্যাডাপটেশন এখনই প্রাণ বাঁচাতে পারে, কিন্তু শতকের ‘বাসযোগ্যতা’ নির্ধারণ করবে নিঃসরণ কমানো। শহরগুলো কুল-রুফ, ছায়াযুক্ত ট্রানজিট স্টপ ও বাইরের শ্রমিকদের লক্ষ্য করে সতর্কবার্তা চালু করছে। বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো পিক ক্যাপাসিটি ও ডিমান্ড-রেসপন্স যোগ করছে, কর্মসংস্থান নীতিতে বিশ্রাম-বিরতির নিয়ম হালনাগাদ হচ্ছে। কিন্তু বেসলাইন যত উষ্ণ হয়, খাপ খাওয়ানোর খরচ তত বাড়ে। লেখকদের পরামর্শ—পরিষ্কার বিদ্যুৎ, দক্ষ ভবন ও বৈদ্যুতিক কুলিং দ্রুত স্কেলে আনলে বিপজ্জনক দোরগোড়ায় পৌঁছানোর হার কমবে। একই সঙ্গে স্মরণ করিয়ে দেন—প্রজেকশন মডেলভিত্তিক; ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, নগর-নকশা ও সামাজিক বাস্তবতা স্থানীয় ফল বদলে দিতে পারে। তবু সারকথা এক—সবচেয়ে খারাপ পথ অনেকটাই এড়িয়ে যাওয়া গেছে, কিন্তু বছরে ডজন ডজন অতিরিক্ত তাপদিবসের ভবিষ্যৎ ঠেকাতে এখনই দ্রুত পদক্ষেপ দরকার।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

২১০০ সালে বছরে ৫৭টি অতিরিক্ত ‘সুপারহট’ দিন—সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ছোট দেশগুলো

১১:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

গরম দিনের হিসাব, অসম ভার ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন ও ক্লাইমেট সেন্ট্রালের নতুন বিশ্লেষণ বলছে—২১০০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে গড়ে বছরে ৫৭টি করে অতিরিক্ত ‘সুপারহট’ দিন দেখা যেতে পারে; ১৯৯১–২০২০ সময়কার অনুরূপ দিনের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশের চেয়েও বেশি গরম থাকলে তাকে ‘সুপারহট’ ধরা হয়েছে। ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির মতো নীতি না থাকলে সংখ্যাটি নাকি প্রায় দ্বিগুণ হতো। ভারসাম্যহীনতা স্পষ্ট—ছোট দ্বীপরাষ্ট্র ও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশগুলো সবচেয়ে বেশি বাড়তি তাপদিবসের চাপ নেবে, অথচ তাদের কার্বন নিঃসরণ সামান্য। উদাহরণস্বরূপ, পানামায় চার মাসের বেশি অতিরিক্ত ‘সুপারহট’ দিনের আশঙ্কা। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ভারত—বড় নির্গমনকারী দেশগুলো—গড়ে কম দিন পেলেও জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় ঝুঁকিতে পড়বে বিপুল মানুষ। গবেষকেরা মনে করিয়ে দেন, রেকর্ড ভাঙার আগেই স্বাস্থ্যঝুঁকি শুরু হয়—হিট স্ট্রেস, পানিশূন্যতা, এমনকি গ্রিড ব্যর্থতার হার বাড়ে যখন স্যাঁতসেঁতে গরম (ওয়েট-বাল্ব) দীর্ঘস্থায়ী হয়।

খাপ খাওয়ানো বনাম নির্গমন কমানো
বার্তাটি দ্বিমাত্রিক—অ্যাডাপটেশন এখনই প্রাণ বাঁচাতে পারে, কিন্তু শতকের ‘বাসযোগ্যতা’ নির্ধারণ করবে নিঃসরণ কমানো। শহরগুলো কুল-রুফ, ছায়াযুক্ত ট্রানজিট স্টপ ও বাইরের শ্রমিকদের লক্ষ্য করে সতর্কবার্তা চালু করছে। বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো পিক ক্যাপাসিটি ও ডিমান্ড-রেসপন্স যোগ করছে, কর্মসংস্থান নীতিতে বিশ্রাম-বিরতির নিয়ম হালনাগাদ হচ্ছে। কিন্তু বেসলাইন যত উষ্ণ হয়, খাপ খাওয়ানোর খরচ তত বাড়ে। লেখকদের পরামর্শ—পরিষ্কার বিদ্যুৎ, দক্ষ ভবন ও বৈদ্যুতিক কুলিং দ্রুত স্কেলে আনলে বিপজ্জনক দোরগোড়ায় পৌঁছানোর হার কমবে। একই সঙ্গে স্মরণ করিয়ে দেন—প্রজেকশন মডেলভিত্তিক; ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, নগর-নকশা ও সামাজিক বাস্তবতা স্থানীয় ফল বদলে দিতে পারে। তবু সারকথা এক—সবচেয়ে খারাপ পথ অনেকটাই এড়িয়ে যাওয়া গেছে, কিন্তু বছরে ডজন ডজন অতিরিক্ত তাপদিবসের ভবিষ্যৎ ঠেকাতে এখনই দ্রুত পদক্ষেপ দরকার।