০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
হরমুজ বন্ধ, বিশ্ব বাণিজ্যের ঝুঁকির নতুন মানচিত্র হলিউড ছাড়ছে অস্কার, ২০২৯ থেকে নতুন ঠিকানা ডাউনটাউন লস অ্যাঞ্জেলেসে ব্রেক্সিটের পর ইংল্যান্ডের কৃষিনীতি: অন্য দেশের জন্য নতুন দৃষ্টান্ত তাডোবায় ডোরাকাটা রোমাঞ্চ জিপ সাফারির বাইরে বনভ্রমণের নতুন ধারা, প্রকৃতিকে বুঝেই আবিষ্কার করছেন পর্যটকরা ফোনমুক্ত শৈশবের পথে এক শহরের লড়াই: শিশুদের মানসিক সুস্থতায় আয়ারল্যান্ডের অনন্য উদ্যোগ টমি শেলবির শেষ লড়াই—‘পিকি ব্লাইন্ডার্স: দ্য ইমমর্টাল ম্যান’-এ বিদায়ের গল্প জেমস বন্ডের শেষ গল্পসংগ্রহ: অক্টোপাসি ও দ্য লিভিং ডেলাইটসের অন্তর্গত রহস্য হরমুজ প্রণালী খুলতে সামরিক অভিযান কতটা কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ পাম তেল শ্রমিকদের জীবন ধ্বংস করছে বিপজ্জনক কীটনাশক

কেভিন ফেডারলাইনের বই নিয়ে ব্রিটনির পাল্টা—‘আঘাতকর, ক্লান্তিকর’

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জোরালো প্রতিবাদ
কেভিন ফেডারলাইনের নতুন স্মৃতিকথা প্রকাশের আগ মুহূর্তে ইনস্টাগ্রামে দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে ব্রিটনি স্পিয়ার্স অভিযোগগুলো “অত্যন্ত আঘাতকর ও ক্লান্তিকর” বলে নাকচ করেছেন। প্যারেন্টিং নিয়ে উত্থাপিত বিভিন্ন দাবি তিনি ‘হোয়াইট লাইস’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এগুলো ব্যাংকে জমা পড়বে, ক্ষতিটা কেবল তাঁরই হবে। ট্যাবলয়েড সংস্কৃতির তাপে কৈশোর পার করা ছেলেদের কথা টেনে ব্রিটনি লিখেছেন, সম্পর্ক জটিল হলেও তাঁদের বাবার প্রকাশ্য অবস্থান বহুবার তাঁকে অপমানিত করেছে।
খ্যাতি, স্মৃতিকথা ও পারিবারিক সীমারেখা
ঘটনা আবারও দেখাল, সেলিব্রেটি সহপালন কত সহজে জনসমক্ষে ‘এভিডেন্স ম্যাচ’ হয়ে যায়—স্টোরি পোস্ট মানেই নথি, স্মৃতি মানেই রায়। পাঁচ বছরের নীরবতার ভাঙন ঘটল একটি উদ্ধৃত অংশে; ব্রিটনি তাই লেখকত্ব ফিরে পেতে চান। কনজারভেটরশিপ-পরবর্তী সময় তাঁর পারিবারিক সম্পর্কে কী ছাপ ফেলেছে—ভক্তদের পুরোনো প্রশ্নগুলো নতুন করে উঠেছে। প্রকাশনা জগতে এটি স্মৃতিকথার নৈতিকতা নিয়ে পাঠ: একই স্মৃতি যখন একাধিক জীবিত মানুষের। বই বাজারে যতই উত্তেজনা বাড়ুক, ব্যক্তিগত হিসেবটা আরও সংবেদনশীল—কারণ কেন্দ্রে আছে দুই তরুণ, যাদের সম্পর্কে ‘সবাই-জানা গল্প’ আসলে কারওই সম্পূর্ণ জানা নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ বন্ধ, বিশ্ব বাণিজ্যের ঝুঁকির নতুন মানচিত্র

কেভিন ফেডারলাইনের বই নিয়ে ব্রিটনির পাল্টা—‘আঘাতকর, ক্লান্তিকর’

০৩:৩০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জোরালো প্রতিবাদ
কেভিন ফেডারলাইনের নতুন স্মৃতিকথা প্রকাশের আগ মুহূর্তে ইনস্টাগ্রামে দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে ব্রিটনি স্পিয়ার্স অভিযোগগুলো “অত্যন্ত আঘাতকর ও ক্লান্তিকর” বলে নাকচ করেছেন। প্যারেন্টিং নিয়ে উত্থাপিত বিভিন্ন দাবি তিনি ‘হোয়াইট লাইস’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এগুলো ব্যাংকে জমা পড়বে, ক্ষতিটা কেবল তাঁরই হবে। ট্যাবলয়েড সংস্কৃতির তাপে কৈশোর পার করা ছেলেদের কথা টেনে ব্রিটনি লিখেছেন, সম্পর্ক জটিল হলেও তাঁদের বাবার প্রকাশ্য অবস্থান বহুবার তাঁকে অপমানিত করেছে।
খ্যাতি, স্মৃতিকথা ও পারিবারিক সীমারেখা
ঘটনা আবারও দেখাল, সেলিব্রেটি সহপালন কত সহজে জনসমক্ষে ‘এভিডেন্স ম্যাচ’ হয়ে যায়—স্টোরি পোস্ট মানেই নথি, স্মৃতি মানেই রায়। পাঁচ বছরের নীরবতার ভাঙন ঘটল একটি উদ্ধৃত অংশে; ব্রিটনি তাই লেখকত্ব ফিরে পেতে চান। কনজারভেটরশিপ-পরবর্তী সময় তাঁর পারিবারিক সম্পর্কে কী ছাপ ফেলেছে—ভক্তদের পুরোনো প্রশ্নগুলো নতুন করে উঠেছে। প্রকাশনা জগতে এটি স্মৃতিকথার নৈতিকতা নিয়ে পাঠ: একই স্মৃতি যখন একাধিক জীবিত মানুষের। বই বাজারে যতই উত্তেজনা বাড়ুক, ব্যক্তিগত হিসেবটা আরও সংবেদনশীল—কারণ কেন্দ্রে আছে দুই তরুণ, যাদের সম্পর্কে ‘সবাই-জানা গল্প’ আসলে কারওই সম্পূর্ণ জানা নয়।