০৩:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
বৈশ্বিক অর্থনীতির ‘মহাভুল’: সংকটের সমাধান মুদ্রার দরে নয় জাতীয় নিরাপত্তার  ওডিসিউস তীব্র লোডশেডিংয়ে রাজশাহীর ১৪ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা, ঘাটতি ২৫ শতাংশ বন্যার সঙ্গে সহাবস্থান, নদীকে বুঝে বাঁচার শিক্ষা আসামের বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি এডিবি বিনিয়োগ পাইপলাইন, সংস্কারে জোর বাংলাদেশকে ব্যবহার করে এশিয়ায় ঘাঁটি গড়ার চেষ্টা আল-কায়েদার পানির নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ গড়বে নতুন প্রজন্ম হত্যার আশঙ্কায় তুরস্ক থেকে ট্রাম্পের বিমান বদল, গোপনে ছোট সামরিক বিমানে সরানো হয়েছিল প্রেসিডেন্টকে তুরস্কে ইরানি হামলার আশঙ্কা, গোপনে বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হতেই বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১৫)

একাদশ পরিচ্ছেদ

তারপর খুলে রাখতি ভুলে বসেছিল আর কি। অবিশ্যি মালটা ছিল শস্তাগণ্ডার, শান্তির সময় বাজারে ওর দাম রুল পাঁচেকের বেশি হবে না। শেবালভের কাছে সাবুদ করা দায়। শেবালভ কিনা ওই পাদ্রিটার পক্ষ নিলে আর ওরে নাথিয়ে দিলে বের করে।’

ফেদিয়াকে আমার বলতে ইচ্ছে হল যে পাদ্রির পক্ষ নেয়ার মতো লোক শেবালভমোটেই নন, সম্ভবত গ্রিশা আঙটিটা নিজে মেরে দেবার ফন্দি করছিল বলেই শেবালভওই ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে এও মনে হল, আমার ওকথা ফেদিয়া খুব সম্ভব পছন্দ করবে না, ফলে আমাকে ওর সন্ধানী ঘোড়সওয়ার দলে নেয়ার বিষয়ে ওর মতটাই হয়তো বদলে ফেলবে। এদিকে অনেকদিন থেকেই আমি আবার ওই ঘোড়সওয়ার স্কাউটের দলে যোগ দেয়ার জন্যে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলুম কিনা। তাই সাতপাঁচ ভেবে চেপে গেলুম কথাটা।

শেবালভের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার জন্যে দেখা করতে গেলুম আমরা।

এক নম্বর কোম্পানি থেকে আমাকে বদলি করতে অনিচ্ছাসত্ত্বেও রাজী হলেন শেবালভ। গোমড়ামুখো মালিগিনের কাছ থেকে কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে সমর্থন পাওয়া গেল।

তিনি বললেন, ‘ওরে যেতি দাও, শেবালভ। অল্প বয়েস ওর, চটপটে ছোকরা আচে, ভালোই হবে। তাছাড়া চুবুক না-থাকায় ও এমনিতেই এটু একা পড়ে গ্যাচে, একা-একাই থাকে আজকাল। আগে ও চুবুকের সঙ্গে জুটি ছিল, এখন সঙ্গী নেই ওর।’

শেবালভ যেতে দিলেন আমাকে। তবে ফেদিয়ার দিকে রহস্যভরা চোখে তাকিয়ে যেন খানিক ঠাট্টা আর খানিক আন্তরিক সুরে বললেন:

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈশ্বিক অর্থনীতির ‘মহাভুল’: সংকটের সমাধান মুদ্রার দরে নয়

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১৫)

০৮:০০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

একাদশ পরিচ্ছেদ

তারপর খুলে রাখতি ভুলে বসেছিল আর কি। অবিশ্যি মালটা ছিল শস্তাগণ্ডার, শান্তির সময় বাজারে ওর দাম রুল পাঁচেকের বেশি হবে না। শেবালভের কাছে সাবুদ করা দায়। শেবালভ কিনা ওই পাদ্রিটার পক্ষ নিলে আর ওরে নাথিয়ে দিলে বের করে।’

ফেদিয়াকে আমার বলতে ইচ্ছে হল যে পাদ্রির পক্ষ নেয়ার মতো লোক শেবালভমোটেই নন, সম্ভবত গ্রিশা আঙটিটা নিজে মেরে দেবার ফন্দি করছিল বলেই শেবালভওই ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে এও মনে হল, আমার ওকথা ফেদিয়া খুব সম্ভব পছন্দ করবে না, ফলে আমাকে ওর সন্ধানী ঘোড়সওয়ার দলে নেয়ার বিষয়ে ওর মতটাই হয়তো বদলে ফেলবে। এদিকে অনেকদিন থেকেই আমি আবার ওই ঘোড়সওয়ার স্কাউটের দলে যোগ দেয়ার জন্যে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলুম কিনা। তাই সাতপাঁচ ভেবে চেপে গেলুম কথাটা।

শেবালভের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার জন্যে দেখা করতে গেলুম আমরা।

এক নম্বর কোম্পানি থেকে আমাকে বদলি করতে অনিচ্ছাসত্ত্বেও রাজী হলেন শেবালভ। গোমড়ামুখো মালিগিনের কাছ থেকে কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে সমর্থন পাওয়া গেল।

তিনি বললেন, ‘ওরে যেতি দাও, শেবালভ। অল্প বয়েস ওর, চটপটে ছোকরা আচে, ভালোই হবে। তাছাড়া চুবুক না-থাকায় ও এমনিতেই এটু একা পড়ে গ্যাচে, একা-একাই থাকে আজকাল। আগে ও চুবুকের সঙ্গে জুটি ছিল, এখন সঙ্গী নেই ওর।’

শেবালভ যেতে দিলেন আমাকে। তবে ফেদিয়ার দিকে রহস্যভরা চোখে তাকিয়ে যেন খানিক ঠাট্টা আর খানিক আন্তরিক সুরে বললেন: