০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
কলমের কাছে ফিরে যাওয়ার সময় কি এসে গেছে? শিক্ষাব্যবস্থার সংকট: নম্বরের খাতা নয়, বদলাতে হবে শেখার ভিত্তি দারিদ্র্য অর্থায়ন: সংকট থেকে টেকসইতার পথে? মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ: আধিপত্যের রাজনীতি নাকি আঞ্চলিক আত্মনির্ধারণ? তোফায়েল আহমেদের জানাজায় জনসমুদ্র, স্মৃতি আর এক যুগের অবসান চীনের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি পুনর্বিবেচনায় সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, নতুন প্রধানমন্ত্রীর ইঙ্গিত বাংলাদেশি পণ্যে অতিরিক্ত ১০% শুল্কের প্রস্তাব, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নতুন চাপে রপ্তানি খাত সাতক্ষীরা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আহত দুই বাংলাদেশি শিক্ষাব্যবস্থার সংকট এবং সুবিধাভোগীদের চিরন্তন পলায়নপথ কিশোরদের বড় করে তোলা এখন শুধু পরিবারের কাজ নয়

রাজশাহীতে নার্স ধর্ষণের অভিযোগে চিকিৎসক গ্রেপ্তার

রাজশাহীর এক বেসরকারি ক্লিনিকে বিয়ের প্রলোভনে এক নার্সকে ধর্ষণের অভিযোগে আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকস সেন্টারের রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার আহসান হাবিবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সারসংক্ষেপ

গ্রেপ্তারকৃত চিকিৎসকের নাম আহসান হাবিব (২৯)। তিনি আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকস সেন্টারের রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার ছিলেন। সোমবার বিকেলে রাজশাহীর লক্ষ্মীপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

শারীরিক সম্পর্কের পর ঘনিষ্ঠ ছবি ফেইসবুকে, পুলিশের দ্বারস্থ তরুণী - প্রবাসীর  দিগন্ত

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্ক

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে আহসান হাবিব বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২৫ বছর বয়সী এক নার্সকে ক্লিনিকের একটি চেম্বারে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী নার্স অন্য একটি বেসরকারি ক্লিনিকে কর্মরত ছিলেন। দুই বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তার সঙ্গে আহসান হাবিবের পরিচয় হয়। এরপর চিকিৎসক তাকে ঢাকায় চাকরি ছেড়ে রাজশাহীতে আসতে রাজি করান, বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে।

সম্পর্ক ভেঙে প্রতারণা

মামলায় উল্লেখ করা হয়, রাজশাহীতে আসার পর আহসান হাবিব ওই নার্সের সঙ্গে ভাড়া বাসায় ও ক্লিনিকে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন, কিন্তু বিয়ের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেননি। সম্পর্ক কিছুদিন চলতে থাকার পর হঠাৎ তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরে ভুক্তভোগী জানতে পারেন যে চিকিৎসক অন্য এক নারীকে বিয়ে করেছেন। ঘটনা জানার পর ২৩ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী নারী রাজপাড়া থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

গোপন তথ্য ফাঁস করছেন পুলিশ কর্মকর্তারাই

পুলিশের বক্তব্য ও তদন্ত

রাজপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল আলিম বলেন, ভুক্তভোগী নারীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ‘ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার’-এ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবস্থান

আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকস সেন্টারের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ক্লিনিকের নাম মামলায় জড়িত হওয়ার পর চিকিৎসক আহসান হাবিবকে তার পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

#রাজশাহী #ধর্ষণ #চিকিৎসকগ্রেপ্তার #নার্সনির্যাতন #বাংলাদেশনিউজ #সারাক্ষণরিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

কলমের কাছে ফিরে যাওয়ার সময় কি এসে গেছে?

রাজশাহীতে নার্স ধর্ষণের অভিযোগে চিকিৎসক গ্রেপ্তার

১১:২২:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

রাজশাহীর এক বেসরকারি ক্লিনিকে বিয়ের প্রলোভনে এক নার্সকে ধর্ষণের অভিযোগে আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকস সেন্টারের রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার আহসান হাবিবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সারসংক্ষেপ

গ্রেপ্তারকৃত চিকিৎসকের নাম আহসান হাবিব (২৯)। তিনি আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকস সেন্টারের রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার ছিলেন। সোমবার বিকেলে রাজশাহীর লক্ষ্মীপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

শারীরিক সম্পর্কের পর ঘনিষ্ঠ ছবি ফেইসবুকে, পুলিশের দ্বারস্থ তরুণী - প্রবাসীর  দিগন্ত

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্ক

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে আহসান হাবিব বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২৫ বছর বয়সী এক নার্সকে ক্লিনিকের একটি চেম্বারে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী নার্স অন্য একটি বেসরকারি ক্লিনিকে কর্মরত ছিলেন। দুই বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তার সঙ্গে আহসান হাবিবের পরিচয় হয়। এরপর চিকিৎসক তাকে ঢাকায় চাকরি ছেড়ে রাজশাহীতে আসতে রাজি করান, বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে।

সম্পর্ক ভেঙে প্রতারণা

মামলায় উল্লেখ করা হয়, রাজশাহীতে আসার পর আহসান হাবিব ওই নার্সের সঙ্গে ভাড়া বাসায় ও ক্লিনিকে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন, কিন্তু বিয়ের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেননি। সম্পর্ক কিছুদিন চলতে থাকার পর হঠাৎ তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরে ভুক্তভোগী জানতে পারেন যে চিকিৎসক অন্য এক নারীকে বিয়ে করেছেন। ঘটনা জানার পর ২৩ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী নারী রাজপাড়া থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

গোপন তথ্য ফাঁস করছেন পুলিশ কর্মকর্তারাই

পুলিশের বক্তব্য ও তদন্ত

রাজপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল আলিম বলেন, ভুক্তভোগী নারীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ‘ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার’-এ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবস্থান

আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকস সেন্টারের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ক্লিনিকের নাম মামলায় জড়িত হওয়ার পর চিকিৎসক আহসান হাবিবকে তার পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

#রাজশাহী #ধর্ষণ #চিকিৎসকগ্রেপ্তার #নার্সনির্যাতন #বাংলাদেশনিউজ #সারাক্ষণরিপোর্ট