০২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদান চিরস্মরণীয় থাকবে: আসিফ মাহমুদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী-ছাত্রদের হেলমেট পরিধান, ছাদ ভেঙে পড়ার আতঙ্ক লক্ষ্মীপুরে স্কুলের ছাদ ধসে তিন শিক্ষার্থী আহত চীনের দূরদর্শী শক্তি নীতি হঠাৎ তেলের দাম বৃদ্ধির মধ্যেও অটল, বিনিয়োগকারীরা পাচ্ছে রেকর্ড লাভ দিল্লিতে রেঁস্তোরাস্দাম বাড়ানোর চিন্তা রাশিয়ার উরালস ক্রুডের দাম $১২৩.৪৫-এ পৌঁছালো, ব্রেন্ট $১০৯ ইরানে মার্কিন হামলা কি যুদ্ধাপরাধ? শতাধিক আইন বিশেষজ্ঞের তীব্র অভিযোগে নতুন বিতর্ক হরমুজ প্রণালী ঘিরে বিশ্বজুড়ে উৎকণ্ঠা, ট্রাম্প-ইরান হুমকিতে তেলের দামে ঝাঁকুনি মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রধানকে বরখাস্ত, মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মাঝেই নাটকীয় সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের ঝটকা সিদ্ধান্তে অ্যাটর্নি জেনারেল পদচ্যুত পাম বন্ডি, বিতর্কের কেন্দ্রে এপস্টিন ফাইল

 নারায়ণগঞ্জে স্বামীর নিক্ষেপ করা পেট্রল বোমায় দগ্ধ রিনা ও তার পুত্র ফারহাদের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জে স্বামীর নিক্ষেপ করা পেট্রল বোমায় দগ্ধ রিনা বেগম ও তার কিশোর পুত্র ফারহাদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় মারা গেছেন। পারিবারিক বিরোধ থেকে সংঘটিত এ মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দগ্ধ অবস্থায় ঢাকায় মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর দগ্ধ এক নারী ও তার কিশোর পুত্রের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. শাওন ইবনে রহমান জানান, মঙ্গলবার সকালে রিনা বেগম (৩৬) এবং তার ছেলে ফারহাদ (১৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ডা. শাওন বলেন, রিনা সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে এবং তার ছেলে ফারহাদ দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে মারা যান। তারা দুজনই ২৩ অক্টোবর থেকে ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবারের ওপর পেট্রল বোমা নিক্ষেপের অভিযোগ

চলন্ত কাভার্ডভ্যানে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ, দগ্ধ ২

ঘটনার সূত্রে জানা গেছে, রিনার স্বামী করিম নিজ বাড়িতে আগুন লাগানোর উদ্দেশ্যে পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করেন। এতে রিনা ও তার দুই ছেলে গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

দগ্ধদের অবস্থা ও চিকিৎসা

চিকিৎসক ডা. শাওন জানান, রিনা বেগমের শরীরের প্রায় ৫৮ শতাংশ, ফারহাদের ৪০ শতাংশ এবং অপর ছেলে তৌহিদের (১৬) শরীরেরও একটি বড় অংশ পুড়ে যায়। তিনজনকেই গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয়।

তৌহিদ এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার তদন্ত চলছে

এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও করিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধের জের ধরে সংঘটিত একটি নৃশংস অপরাধ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

# নারায়ণগঞ্জ, অগ্নিকাণ্ড, নারী হত্যা, পারিবারিক সহিংসতা, বার্ন ইনস্টিটিউট, সারাক্ষণ রিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদান চিরস্মরণীয় থাকবে: আসিফ মাহমুদ

 নারায়ণগঞ্জে স্বামীর নিক্ষেপ করা পেট্রল বোমায় দগ্ধ রিনা ও তার পুত্র ফারহাদের মৃত্যু

০৫:৪১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

নারায়ণগঞ্জে স্বামীর নিক্ষেপ করা পেট্রল বোমায় দগ্ধ রিনা বেগম ও তার কিশোর পুত্র ফারহাদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় মারা গেছেন। পারিবারিক বিরোধ থেকে সংঘটিত এ মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দগ্ধ অবস্থায় ঢাকায় মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর দগ্ধ এক নারী ও তার কিশোর পুত্রের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. শাওন ইবনে রহমান জানান, মঙ্গলবার সকালে রিনা বেগম (৩৬) এবং তার ছেলে ফারহাদ (১৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ডা. শাওন বলেন, রিনা সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে এবং তার ছেলে ফারহাদ দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে মারা যান। তারা দুজনই ২৩ অক্টোবর থেকে ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবারের ওপর পেট্রল বোমা নিক্ষেপের অভিযোগ

চলন্ত কাভার্ডভ্যানে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ, দগ্ধ ২

ঘটনার সূত্রে জানা গেছে, রিনার স্বামী করিম নিজ বাড়িতে আগুন লাগানোর উদ্দেশ্যে পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করেন। এতে রিনা ও তার দুই ছেলে গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

দগ্ধদের অবস্থা ও চিকিৎসা

চিকিৎসক ডা. শাওন জানান, রিনা বেগমের শরীরের প্রায় ৫৮ শতাংশ, ফারহাদের ৪০ শতাংশ এবং অপর ছেলে তৌহিদের (১৬) শরীরেরও একটি বড় অংশ পুড়ে যায়। তিনজনকেই গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয়।

তৌহিদ এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার তদন্ত চলছে

এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও করিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধের জের ধরে সংঘটিত একটি নৃশংস অপরাধ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

# নারায়ণগঞ্জ, অগ্নিকাণ্ড, নারী হত্যা, পারিবারিক সহিংসতা, বার্ন ইনস্টিটিউট, সারাক্ষণ রিপোর্ট