০৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
নেপালের অর্থনীতির নীরব সংকট: প্রবাসী আয়ের ওপর অতিনির্ভরতার মূল্য বার্সেলোনায় কাচের গয়নার জ্বর, আগুন আর শিল্পের মিশেলে বদলে যাচ্ছে ফ্যাশনের ভাষা ভারি চুড়ির ঝলকে ফিরছে শক্তিশালী ফ্যাশনের বার্তা নারী নেতৃত্ব আর বিলাসী সংগ্রহের বিস্ময়, নিলামে উঠছে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী গয়না ও শিল্পকর্ম পুরুষদের ফ্যাশনে নতুন ঝড়, ব্রোচ এখন শুধু কোটের কলারে নয় স্পেনের পাঠ: ডানপন্থার উত্থানের যুগে ভিন্ন এক রাজনৈতিক মডেলের সন্ধান দেশের আর্থিক খাত এখন ‘পেইনফুল’ অবস্থায় রয়েছে: অর্থমন্ত্রী জিএম কাদেরের অভিনন্দন বার্তা, পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে নতুন প্রত্যাশা আমিরাতে পাকিস্তানিদের গণবিতাড়ন, চাপে ইসলামাবাদ পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের সাবেক মন্ত্রী সুজিত বসু গ্রেপ্তার, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

তিন বিচারপতিকে শোকজ করা হয়নি, তথ্য চাওয়া হয়েছে: সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

বিপুল সংখ্যক জামিন প্রদান করায় তিন হাইকোর্ট বিচারপতিকে শোকজ করা হয়েছে—এমন খবরকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। তারা বলছে, কোনো শোকজ নয়, প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কেবল মামলা সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

সংবাদে বিভ্রান্তি সৃষ্টি

বিপুল সংখ্যক জামিন প্রদান করায় হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে শোকজ করা হয়েছে—এমন খবর প্রকাশের পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন একটি ব্যাখ্যা দেয়। আদালতের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ ধরনের সংবাদ সঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর।

তিন বিচারপতির বিষয়ে ব্যাখ্যা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে যে বিপুল সংখ্যক জামিন দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের তিন বিচারপতিকে শোকজ করে ব্যাখ্যা চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মো. মোয়াজ্জেম হোছাইন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এবং ফোন করে তিন বিচারপতিকে নোটিশ অবহিত করেছেন বলে ওইসব প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। তারা হলেন বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেন।

বাস্তবতা জানাল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

বাস্তবে প্রধান বিচারপতি উল্লেখিত বিচারপতিদের কাউকেই শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি। প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কেবল মামলা সংক্রান্ত কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে। এটি আদালত ব্যবস্থাপনার অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার একটি নিয়মিত দাপ্তরিক বিষয়।

গণমাধ্যমের প্রতি নির্দেশনা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংবাদে ব্যবহৃত তথ্যে মূল বিষয়টি বিকৃত ও ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপনীয় একটি প্রশাসনিক যোগাযোগ। তাই আদালত সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের আগে প্রতিটি গণমাধ্যমকে তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রচার করতে বলা হয়েছে, যাতে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকে এবং জনগণ বিভ্রান্ত না হয়।

 

# সুপ্রিম_কোর্ট, বিচারপতি, শোকজ, হাইকোর্ট, জামিন, সংবাদ_বিবৃতি, বিচার_বিভাগ, সারাক্ষণ_রিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালের অর্থনীতির নীরব সংকট: প্রবাসী আয়ের ওপর অতিনির্ভরতার মূল্য

তিন বিচারপতিকে শোকজ করা হয়নি, তথ্য চাওয়া হয়েছে: সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

০৬:০০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

বিপুল সংখ্যক জামিন প্রদান করায় তিন হাইকোর্ট বিচারপতিকে শোকজ করা হয়েছে—এমন খবরকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। তারা বলছে, কোনো শোকজ নয়, প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কেবল মামলা সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

সংবাদে বিভ্রান্তি সৃষ্টি

বিপুল সংখ্যক জামিন প্রদান করায় হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে শোকজ করা হয়েছে—এমন খবর প্রকাশের পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন একটি ব্যাখ্যা দেয়। আদালতের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ ধরনের সংবাদ সঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর।

তিন বিচারপতির বিষয়ে ব্যাখ্যা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে যে বিপুল সংখ্যক জামিন দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের তিন বিচারপতিকে শোকজ করে ব্যাখ্যা চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মো. মোয়াজ্জেম হোছাইন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এবং ফোন করে তিন বিচারপতিকে নোটিশ অবহিত করেছেন বলে ওইসব প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। তারা হলেন বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেন।

বাস্তবতা জানাল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

বাস্তবে প্রধান বিচারপতি উল্লেখিত বিচারপতিদের কাউকেই শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি। প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কেবল মামলা সংক্রান্ত কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে। এটি আদালত ব্যবস্থাপনার অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার একটি নিয়মিত দাপ্তরিক বিষয়।

গণমাধ্যমের প্রতি নির্দেশনা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংবাদে ব্যবহৃত তথ্যে মূল বিষয়টি বিকৃত ও ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপনীয় একটি প্রশাসনিক যোগাযোগ। তাই আদালত সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের আগে প্রতিটি গণমাধ্যমকে তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রচার করতে বলা হয়েছে, যাতে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকে এবং জনগণ বিভ্রান্ত না হয়।

 

# সুপ্রিম_কোর্ট, বিচারপতি, শোকজ, হাইকোর্ট, জামিন, সংবাদ_বিবৃতি, বিচার_বিভাগ, সারাক্ষণ_রিপোর্ট