০২:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডলি পার্টন: ভালোবাসা, গান আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য জীবন নরওয়ের রাজা হারাল্ড পঞ্চমের মৃত্যু, শোকে ওসলো বিতর্ক পেরিয়ে নতুন উচ্চতায় র‍্যাচেল জেগলার, এবার ব্রডওয়েতে ইভা পেরন শিল্পের নতুন প্রভাবশালীদের খোঁজে টাইম, ৫০ বছর পর প্রচ্ছদে জীবিত চিত্রশিল্পী ৯/১১-এর ২৫ বছর: যে ক্ষত আজও বয়ে বেড়াচ্ছে এক প্রজন্ম নিজের ঘরেও পরবাসী: ‘কারা আমাদের মানুষ’—এই প্রশ্নের রাজনীতি ট্রাম্প-শির নৈশভোজে জাঁকজমক, আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের গভীর টানাপোড়েন ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ায় লাভবান তারেক রহমান, ক্ষতি বাংলাদেশের জানুয়ারিতে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, পরীক্ষার সময় এড়িয়ে ইসির প্রস্তুতি ইতালির ব্যাংকিং খাতে নতুন শক্তি, আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান থেকে জাতীয় জায়ান্ট বিএপিইআর

তিন বিচারপতিকে শোকজ করা হয়নি, তথ্য চাওয়া হয়েছে: সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

বিপুল সংখ্যক জামিন প্রদান করায় তিন হাইকোর্ট বিচারপতিকে শোকজ করা হয়েছে—এমন খবরকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। তারা বলছে, কোনো শোকজ নয়, প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কেবল মামলা সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

সংবাদে বিভ্রান্তি সৃষ্টি

বিপুল সংখ্যক জামিন প্রদান করায় হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে শোকজ করা হয়েছে—এমন খবর প্রকাশের পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন একটি ব্যাখ্যা দেয়। আদালতের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ ধরনের সংবাদ সঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর।

তিন বিচারপতির বিষয়ে ব্যাখ্যা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে যে বিপুল সংখ্যক জামিন দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের তিন বিচারপতিকে শোকজ করে ব্যাখ্যা চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মো. মোয়াজ্জেম হোছাইন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এবং ফোন করে তিন বিচারপতিকে নোটিশ অবহিত করেছেন বলে ওইসব প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। তারা হলেন বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেন।

বাস্তবতা জানাল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

বাস্তবে প্রধান বিচারপতি উল্লেখিত বিচারপতিদের কাউকেই শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি। প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কেবল মামলা সংক্রান্ত কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে। এটি আদালত ব্যবস্থাপনার অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার একটি নিয়মিত দাপ্তরিক বিষয়।

গণমাধ্যমের প্রতি নির্দেশনা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংবাদে ব্যবহৃত তথ্যে মূল বিষয়টি বিকৃত ও ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপনীয় একটি প্রশাসনিক যোগাযোগ। তাই আদালত সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের আগে প্রতিটি গণমাধ্যমকে তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রচার করতে বলা হয়েছে, যাতে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকে এবং জনগণ বিভ্রান্ত না হয়।

 

# সুপ্রিম_কোর্ট, বিচারপতি, শোকজ, হাইকোর্ট, জামিন, সংবাদ_বিবৃতি, বিচার_বিভাগ, সারাক্ষণ_রিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

ডলি পার্টন: ভালোবাসা, গান আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য জীবন

তিন বিচারপতিকে শোকজ করা হয়নি, তথ্য চাওয়া হয়েছে: সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

০৬:০০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

বিপুল সংখ্যক জামিন প্রদান করায় তিন হাইকোর্ট বিচারপতিকে শোকজ করা হয়েছে—এমন খবরকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। তারা বলছে, কোনো শোকজ নয়, প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কেবল মামলা সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

সংবাদে বিভ্রান্তি সৃষ্টি

বিপুল সংখ্যক জামিন প্রদান করায় হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে শোকজ করা হয়েছে—এমন খবর প্রকাশের পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন একটি ব্যাখ্যা দেয়। আদালতের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ ধরনের সংবাদ সঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর।

তিন বিচারপতির বিষয়ে ব্যাখ্যা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে যে বিপুল সংখ্যক জামিন দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের তিন বিচারপতিকে শোকজ করে ব্যাখ্যা চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মো. মোয়াজ্জেম হোছাইন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এবং ফোন করে তিন বিচারপতিকে নোটিশ অবহিত করেছেন বলে ওইসব প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। তারা হলেন বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেন।

বাস্তবতা জানাল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

বাস্তবে প্রধান বিচারপতি উল্লেখিত বিচারপতিদের কাউকেই শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি। প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কেবল মামলা সংক্রান্ত কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে। এটি আদালত ব্যবস্থাপনার অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার একটি নিয়মিত দাপ্তরিক বিষয়।

গণমাধ্যমের প্রতি নির্দেশনা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংবাদে ব্যবহৃত তথ্যে মূল বিষয়টি বিকৃত ও ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপনীয় একটি প্রশাসনিক যোগাযোগ। তাই আদালত সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের আগে প্রতিটি গণমাধ্যমকে তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রচার করতে বলা হয়েছে, যাতে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকে এবং জনগণ বিভ্রান্ত না হয়।

 

# সুপ্রিম_কোর্ট, বিচারপতি, শোকজ, হাইকোর্ট, জামিন, সংবাদ_বিবৃতি, বিচার_বিভাগ, সারাক্ষণ_রিপোর্ট