০৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রের শক্তি কি দমন-পীড়নে, নাকি জনগণের আস্থায়? নবম পে-স্কেল এখনই নয়? আইএমএফের অবস্থানের অপেক্ষায় সরকার, বাস্তবায়ন পিছিয়ে যেতে পারে রাজধানীর মানিকদিতে এইচএসসি শিক্ষার্থীকে গুলি, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢামেকে ভর্তি সিলেটে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩ শ্রমিক, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন ছাড়া জুলাই অভ্যুত্থান সম্ভব ছিল না: এ্যানি কুষ্টিয়ায় এনসিপির জুলাই পদযাত্রা স্থগিত সোনার দাম বাড়ানোর একদিন পরই কমাল বাজুস, ভরিতে কমেছে ২,২১৬ টাকা সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় জাপানে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি উজান আসামে বন্যার ভয়াবহতায় জীবন বাঁচাতে দিনরাত উদ্ধারকর্মীরা

সৎপুত্রের হাতে আহত নারী ঢাকায় মারা গেলেন

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার সাবদালপুর গ্রামে বুধবার রাতে সৎপুত্রের হাতে কুপিয়ে আহত হওয়া এক নারী বৃহস্পতিবার ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

নিহতার নাম হালিমা খাতুন (৩৪)। তিনি ইমদাদুল হক মুনশির দ্বিতীয় স্ত্রী।

স্থানীয়দের উদ্ধৃত করে জানা যায়, ৭৫ বছর বয়সী ইমদাদুল প্রায় তিন বছর আগে তার প্রথম স্ত্রীকে হারিয়েছিলেন।

তার চার ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে — সবাই বিবাহিত। চার ছেলেই সৌদি আরবে কাজ করেন।

সর্বকনিষ্ঠ ছেলে শাহীন আট মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসেন। দুই মাস আগে ইমদাদুল দাউদকান্দির জয়নগর গ্রামের হালিমা খাতুনকে বিবাহ করেন।

ইমদাদুল জানান, তিনি শৌচাগারে ছিলেন, তখনই তার স্ত্রীকে কুপিয়ে আহত করা হয়।

পুলিশে নারী পুরুষ সমানতালে এগিয়ে

তিনি বলেন, “আমি ফিরে এসে দেখি আমার স্ত্রী রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছেন। আমি চিৎকার দিলে পরিবারের সদস্যরা ছুটে আসেন। আমরা তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করি, যেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

ইমদাদুলের তৃতীয় ছেলের স্ত্রী শিরিন আখতার বলেন, “আমরা চিৎকার শুনে জেগে উঠেছিলাম এবং দেখি শাহীন ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। আমার সৎমা রক্তে ভেসে পড়ে আছেন।”

পরিবারের আত্মীয় ও সাবেক বাতাঘাসি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজ জানান, “ইমদাদুলের দ্বিতীয় বিবাহ নিয়ে পরিবারে কোনো বিরোধ ছিল না। কেউ জানে না শাহীন কেন তার সৎমাকে আক্রমণ করেছিল। ঘটনার পর সে পালিয়ে যায়।”

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাভেদুল ইসলাম জানান, তারা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছেন।

তিনি আরও জানান, নিহতের স্বামী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

#কুমিল্লা #চান্দিনা #হত্যা #পারিবারিক_বিরোধ #সৎপুত্র #বাংলাদেশ_সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রের শক্তি কি দমন-পীড়নে, নাকি জনগণের আস্থায়?

সৎপুত্রের হাতে আহত নারী ঢাকায় মারা গেলেন

০৮:৫৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার সাবদালপুর গ্রামে বুধবার রাতে সৎপুত্রের হাতে কুপিয়ে আহত হওয়া এক নারী বৃহস্পতিবার ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

নিহতার নাম হালিমা খাতুন (৩৪)। তিনি ইমদাদুল হক মুনশির দ্বিতীয় স্ত্রী।

স্থানীয়দের উদ্ধৃত করে জানা যায়, ৭৫ বছর বয়সী ইমদাদুল প্রায় তিন বছর আগে তার প্রথম স্ত্রীকে হারিয়েছিলেন।

তার চার ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে — সবাই বিবাহিত। চার ছেলেই সৌদি আরবে কাজ করেন।

সর্বকনিষ্ঠ ছেলে শাহীন আট মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসেন। দুই মাস আগে ইমদাদুল দাউদকান্দির জয়নগর গ্রামের হালিমা খাতুনকে বিবাহ করেন।

ইমদাদুল জানান, তিনি শৌচাগারে ছিলেন, তখনই তার স্ত্রীকে কুপিয়ে আহত করা হয়।

পুলিশে নারী পুরুষ সমানতালে এগিয়ে

তিনি বলেন, “আমি ফিরে এসে দেখি আমার স্ত্রী রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছেন। আমি চিৎকার দিলে পরিবারের সদস্যরা ছুটে আসেন। আমরা তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করি, যেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

ইমদাদুলের তৃতীয় ছেলের স্ত্রী শিরিন আখতার বলেন, “আমরা চিৎকার শুনে জেগে উঠেছিলাম এবং দেখি শাহীন ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। আমার সৎমা রক্তে ভেসে পড়ে আছেন।”

পরিবারের আত্মীয় ও সাবেক বাতাঘাসি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজ জানান, “ইমদাদুলের দ্বিতীয় বিবাহ নিয়ে পরিবারে কোনো বিরোধ ছিল না। কেউ জানে না শাহীন কেন তার সৎমাকে আক্রমণ করেছিল। ঘটনার পর সে পালিয়ে যায়।”

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাভেদুল ইসলাম জানান, তারা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছেন।

তিনি আরও জানান, নিহতের স্বামী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

#কুমিল্লা #চান্দিনা #হত্যা #পারিবারিক_বিরোধ #সৎপুত্র #বাংলাদেশ_সংবাদ