০৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
আট জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে আবহাওয়া অফিস কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও ভারতে দায়িত্বে বাংলাদেশি আম্পায়ার শারফুদ্দৌলা আত্মসাতের মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন ও ভাই অব্যাহতি পেলেন আইনের শাসনের বিকল্প হতে পারে না সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম: লারা ট্রাম্প সবাই রাস্তায় নেমেছে, দমন সত্ত্বেও ইরানে বিক্ষোভে অটল জনতা ঢাকায় সড়কের পাশে পড়ে থাকা অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার আলেপ্পোর কুর্দি এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে সিরীয় সরকারের, সহিংসতার পর বাস্তুচ্যুতদের ঘরে ফেরার চেষ্টা জেদ্দায় ওআইসি বৈঠকের ফাঁকে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের অপেক্ষায় অর্থনীতি গাজায় এমএসএফ ছাড়া চিকিৎসার আশঙ্কা, ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞায় দিশাহারা রোগী ও পরিবার

জাতি হিসেবে আমাদের সকল প্রাপ্তির দ্বার উন্মোচন করে গেছে মুজিবনগর সরকার -ধর্মমন্ত্রী

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪
  • 101

ধর্মমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান বলেছেন, পৃথিবীতে জাতি হিসেবে আমাদের সকল প্রাপ্তির দ্বার উন্মোচন করে গেছে মুজিবনগর সরকার।

আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সম্মেলন কক্ষে ‘মুজিবনগর সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের সফলতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মন্ত্রী একথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল থেকে ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ছিলো মুজিবনগর সরকারের কার্যকাল। এই সরকারের সফল নেতৃত্বে নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। সফলতার মানদন্ডে কিংবা বাঙালি জাতির প্রাপ্তি বিবেচনায় মুজিবনগর সরকার জাতিকে দিয়ে গেছে সবচেয়ে অমূল্য সম্পদ -স্বাধীনতা। একটি জাতির জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে! মুজিবনগর সরকারের সফলতাই আমাদেরকে আজকের এই বাস্তবতায় নিয়ে এসেছে।

ধর্মমন্ত্রী আরো বলেন, মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে যা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি অনন্য দলিল। এই ঘোষণাপত্রে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও যৌক্তিতা তুলে ধরা হয়েছে। এই সরকার সম্পূর্ণরূপে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে নিয়ে গঠন করা হয়। এই সরকার ছিলো সুসংগঠিত এবং নিয়মতান্ত্রিক। সেসময় এই সরকার গঠিত না হলে আমরা আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী অথবা বিদ্রোহী হয়ে পড়তাম। এমনকি স্বাধীনতাও আমাদের কাছে অধরা থেকে যেতে পারতো।

মোঃ ফরিদুল হক খান বলেন, মহান স্বাধীনতার ৫৪ বছরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। দারিদ্র্য ও অতি দারিদ্র্যের হার কমেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর প্রভূত উন্নয়ন ঘটেছে। মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমেছে। নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বের প্রথম সারিতে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন বিশাল একটি জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও মেট্রোরেল নির্মাণ করা হয়েছে। আমরা মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি। তিনি আরো বলেন, আমরা সাবমেরিনের গর্বিত মালিক হয়েছি। পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজও নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের রোল মডেল। মুজিবনগর সরকারের সফলতার ধারাবাহিকতায় আমরা এখানে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি।

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা। অন্যান্যের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট ড. মশিউর মালেক, সহসভাপতি কাজী মফিজুল হক ও বা. আবদুর সালাম প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আট জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে আবহাওয়া অফিস

জাতি হিসেবে আমাদের সকল প্রাপ্তির দ্বার উন্মোচন করে গেছে মুজিবনগর সরকার -ধর্মমন্ত্রী

০৮:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

ধর্মমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান বলেছেন, পৃথিবীতে জাতি হিসেবে আমাদের সকল প্রাপ্তির দ্বার উন্মোচন করে গেছে মুজিবনগর সরকার।

আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সম্মেলন কক্ষে ‘মুজিবনগর সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের সফলতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মন্ত্রী একথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল থেকে ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ছিলো মুজিবনগর সরকারের কার্যকাল। এই সরকারের সফল নেতৃত্বে নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। সফলতার মানদন্ডে কিংবা বাঙালি জাতির প্রাপ্তি বিবেচনায় মুজিবনগর সরকার জাতিকে দিয়ে গেছে সবচেয়ে অমূল্য সম্পদ -স্বাধীনতা। একটি জাতির জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে! মুজিবনগর সরকারের সফলতাই আমাদেরকে আজকের এই বাস্তবতায় নিয়ে এসেছে।

ধর্মমন্ত্রী আরো বলেন, মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে যা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি অনন্য দলিল। এই ঘোষণাপত্রে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও যৌক্তিতা তুলে ধরা হয়েছে। এই সরকার সম্পূর্ণরূপে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে নিয়ে গঠন করা হয়। এই সরকার ছিলো সুসংগঠিত এবং নিয়মতান্ত্রিক। সেসময় এই সরকার গঠিত না হলে আমরা আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী অথবা বিদ্রোহী হয়ে পড়তাম। এমনকি স্বাধীনতাও আমাদের কাছে অধরা থেকে যেতে পারতো।

মোঃ ফরিদুল হক খান বলেন, মহান স্বাধীনতার ৫৪ বছরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। দারিদ্র্য ও অতি দারিদ্র্যের হার কমেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর প্রভূত উন্নয়ন ঘটেছে। মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমেছে। নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বের প্রথম সারিতে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন বিশাল একটি জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও মেট্রোরেল নির্মাণ করা হয়েছে। আমরা মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি। তিনি আরো বলেন, আমরা সাবমেরিনের গর্বিত মালিক হয়েছি। পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজও নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের রোল মডেল। মুজিবনগর সরকারের সফলতার ধারাবাহিকতায় আমরা এখানে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি।

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা। অন্যান্যের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট ড. মশিউর মালেক, সহসভাপতি কাজী মফিজুল হক ও বা. আবদুর সালাম প্রমুখ বক্তৃতা করেন।