০২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে আবার সুযোগ, তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ, টানা বৃষ্টিতে বিচ্ছিন্ন জেলা কেরানীগঞ্জে গ্যাস পাইপলাইন বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩ বেনাপোল স্থলবন্দরে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, পানিতে তলিয়ে ক্ষতির মুখে আমদানিকৃত পণ্য জাপানের ‘সিলিকন দ্বীপ’ হতে চলেছে হোক্কাইডো, সেমিকন্ডাক্টর বিপ্লবে বদলে যেতে পারে অর্থনীতির ভবিষ্যৎ শিশু কখন অপরাধী? দায়িত্বের বয়স কমানো নয়, পুনর্বাসনেই সমাধান ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি ২০ শতাংশ কমাতে পারে একটি টিকা, বলছেন বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্প অ্যাকাউন্ট: নবজাতকের নামে বিনিয়োগ, বিতর্কের মাঝেও ভবিষ্যতের নতুন অর্থনৈতিক ভাবনা রাশিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা: প্রভাবশালী শিল্পপতির সতর্কবার্তা, একক শাসনের অবসানের ইঙ্গিত  হালান্ডের সামনে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা, কিন্তু সব আশা এখনও শেষ হয়ে যায়নি

চলছো কি দিগন্তের পথে?

আমি আসলেই যে কোন মুহূর্তে দিগন্ত রেখার সঙ্গে মিলিয়ে যেতে পারি-
কোন শেকল, কোন দুর্বাদল কোন মায়াবি ফুল-
না কোন অন্ধকার রাত-
কোন নদীর তীর-
হোক সে গঙ্গা, পদ্মা, মেকং, ডানিউব-
সকলেই মুহূর্ত মাত্র।
আমি অগ্নিজাত কি, অগ্নিজাত না-
তাও ভাবি না-

আসলে ভেবে দেখিনি কোন কিছুই-
চাইনি কোন কিছুই-
পায়ে পায়ে অনেক কিছুই জড়িয়ে যায়-
পায়ে পায়ে অনেক কিছুই ছাড়িয়ে যায়-

দূর থেকে গভীর নিস্তব্ধতায় হেঁকে ওঠে
অজানা সুর-
বলে “চলছো কি দিগন্তের পথে?”
অচেনা হাসি ভেঙে ভেঙে
রোদের রেখার মতো চলে যায় সামনে দিয়ে-
তাদের মুক্তো ছড়ানো পথে-
চাঁদনি রাতে হয়তো নেচে যায় কেউ –
হয়তো সে শরীরি, হয়তো অশরীরি-

মাঝে মাঝে তাই নিজের শরীরও
হয়ে যায় অশরীরি-
তখন অট্টহাসি ফেটে পড়ে চারপাশে –
মনে হয় শোনে সে হাসি কেউ বা শোনে না

ক্ষতি নেই, ক্ষতি হলেও ক্ষতি কি?
আনন্দ এসে আরও নিবিড় আলিঙ্গনে বাঁধলে
শরীরটি হারিয়ে যায়-
তখন নিজেই দিগন্ত রেখা-
শুধু দৃষ্টি সীমায়-
আর কিছু নই।

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে আবার সুযোগ, তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি

চলছো কি দিগন্তের পথে?

০৮:১০:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

আমি আসলেই যে কোন মুহূর্তে দিগন্ত রেখার সঙ্গে মিলিয়ে যেতে পারি-
কোন শেকল, কোন দুর্বাদল কোন মায়াবি ফুল-
না কোন অন্ধকার রাত-
কোন নদীর তীর-
হোক সে গঙ্গা, পদ্মা, মেকং, ডানিউব-
সকলেই মুহূর্ত মাত্র।
আমি অগ্নিজাত কি, অগ্নিজাত না-
তাও ভাবি না-

আসলে ভেবে দেখিনি কোন কিছুই-
চাইনি কোন কিছুই-
পায়ে পায়ে অনেক কিছুই জড়িয়ে যায়-
পায়ে পায়ে অনেক কিছুই ছাড়িয়ে যায়-

দূর থেকে গভীর নিস্তব্ধতায় হেঁকে ওঠে
অজানা সুর-
বলে “চলছো কি দিগন্তের পথে?”
অচেনা হাসি ভেঙে ভেঙে
রোদের রেখার মতো চলে যায় সামনে দিয়ে-
তাদের মুক্তো ছড়ানো পথে-
চাঁদনি রাতে হয়তো নেচে যায় কেউ –
হয়তো সে শরীরি, হয়তো অশরীরি-

মাঝে মাঝে তাই নিজের শরীরও
হয়ে যায় অশরীরি-
তখন অট্টহাসি ফেটে পড়ে চারপাশে –
মনে হয় শোনে সে হাসি কেউ বা শোনে না

ক্ষতি নেই, ক্ষতি হলেও ক্ষতি কি?
আনন্দ এসে আরও নিবিড় আলিঙ্গনে বাঁধলে
শরীরটি হারিয়ে যায়-
তখন নিজেই দিগন্ত রেখা-
শুধু দৃষ্টি সীমায়-
আর কিছু নই।