০৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতৃত্বে পশ্চিম তীর ইস্যুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসএইডের পতন ছিল অশনি সংকেত ইরানের শর্ত স্পষ্ট: সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কমানোর পথ, শান্তিতে নোবেলজয়ী নার্গিসের কারাদণ্ড ঘিরে নতুন উত্তাপ লক্ষ্মীপুরে নির্বাচনী মিছিলে হৃদ্‌রোগে দুই কর্মীর মৃত্যু ২০২৫ সালে দুবাই পর্যটনে নতুন রেকর্ড, আন্তর্জাতিক দর্শনার্থী ১ কোটি ৯৫ লাখ ৯০ হাজার নির্বাচন ও গণভোটে টানা চার দিন বন্ধ ব্যাংকিং কার্যক্রম, আগাম লেনদেন শেষের পরামর্শ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এলে রাজনৈতিকভাবে লাভবান হবে আওয়ামী লীগ: মঞ্জু ভাঙ্গায় গভীর রাতে ডিবি পরিচয়ে অস্ত্রসহ হুমকি, আতঙ্কে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকেরা রংপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, নির্ণায়ক হতে পারে আ.লীগের সংরক্ষিত ভোট অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

চলছো কি দিগন্তের পথে?

আমি আসলেই যে কোন মুহূর্তে দিগন্ত রেখার সঙ্গে মিলিয়ে যেতে পারি-
কোন শেকল, কোন দুর্বাদল কোন মায়াবি ফুল-
না কোন অন্ধকার রাত-
কোন নদীর তীর-
হোক সে গঙ্গা, পদ্মা, মেকং, ডানিউব-
সকলেই মুহূর্ত মাত্র।
আমি অগ্নিজাত কি, অগ্নিজাত না-
তাও ভাবি না-

আসলে ভেবে দেখিনি কোন কিছুই-
চাইনি কোন কিছুই-
পায়ে পায়ে অনেক কিছুই জড়িয়ে যায়-
পায়ে পায়ে অনেক কিছুই ছাড়িয়ে যায়-

দূর থেকে গভীর নিস্তব্ধতায় হেঁকে ওঠে
অজানা সুর-
বলে “চলছো কি দিগন্তের পথে?”
অচেনা হাসি ভেঙে ভেঙে
রোদের রেখার মতো চলে যায় সামনে দিয়ে-
তাদের মুক্তো ছড়ানো পথে-
চাঁদনি রাতে হয়তো নেচে যায় কেউ –
হয়তো সে শরীরি, হয়তো অশরীরি-

মাঝে মাঝে তাই নিজের শরীরও
হয়ে যায় অশরীরি-
তখন অট্টহাসি ফেটে পড়ে চারপাশে –
মনে হয় শোনে সে হাসি কেউ বা শোনে না

ক্ষতি নেই, ক্ষতি হলেও ক্ষতি কি?
আনন্দ এসে আরও নিবিড় আলিঙ্গনে বাঁধলে
শরীরটি হারিয়ে যায়-
তখন নিজেই দিগন্ত রেখা-
শুধু দৃষ্টি সীমায়-
আর কিছু নই।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিয়েতনামে একশ কোটি ডলারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ক্লাউড বিনিয়োগে যুক্ত আরব আমিরাতের জি৪২, গড়ছে আঞ্চলিক প্রযুক্তি কেন্দ্র

চলছো কি দিগন্তের পথে?

০৮:১০:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

আমি আসলেই যে কোন মুহূর্তে দিগন্ত রেখার সঙ্গে মিলিয়ে যেতে পারি-
কোন শেকল, কোন দুর্বাদল কোন মায়াবি ফুল-
না কোন অন্ধকার রাত-
কোন নদীর তীর-
হোক সে গঙ্গা, পদ্মা, মেকং, ডানিউব-
সকলেই মুহূর্ত মাত্র।
আমি অগ্নিজাত কি, অগ্নিজাত না-
তাও ভাবি না-

আসলে ভেবে দেখিনি কোন কিছুই-
চাইনি কোন কিছুই-
পায়ে পায়ে অনেক কিছুই জড়িয়ে যায়-
পায়ে পায়ে অনেক কিছুই ছাড়িয়ে যায়-

দূর থেকে গভীর নিস্তব্ধতায় হেঁকে ওঠে
অজানা সুর-
বলে “চলছো কি দিগন্তের পথে?”
অচেনা হাসি ভেঙে ভেঙে
রোদের রেখার মতো চলে যায় সামনে দিয়ে-
তাদের মুক্তো ছড়ানো পথে-
চাঁদনি রাতে হয়তো নেচে যায় কেউ –
হয়তো সে শরীরি, হয়তো অশরীরি-

মাঝে মাঝে তাই নিজের শরীরও
হয়ে যায় অশরীরি-
তখন অট্টহাসি ফেটে পড়ে চারপাশে –
মনে হয় শোনে সে হাসি কেউ বা শোনে না

ক্ষতি নেই, ক্ষতি হলেও ক্ষতি কি?
আনন্দ এসে আরও নিবিড় আলিঙ্গনে বাঁধলে
শরীরটি হারিয়ে যায়-
তখন নিজেই দিগন্ত রেখা-
শুধু দৃষ্টি সীমায়-
আর কিছু নই।