১২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
ভল্ট ভেঙে ফিরছে বঙ্গবন্ধুর নোট: নগদ সংকটে নীতিপরিবর্তনে বাংলাদেশ ব্যাংক জ্বালানি আমদানির ব্যয় ৪৮০ কোটি ডলার বাড়ার আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে নতুন চাপ কুমিল্লার মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: মা-বাবা-ভাই-বোন হারিয়ে বাকরুদ্ধ ছোট্ট আবরার বিয়ের সাড়ে তিন মাসেই নিভে গেল দুই প্রাণ, পাশাপাশি চিরনিদ্রায় সৌম্য-অন্তী ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় সারাবিশ্বে সার সংকট, খাদ্য উৎপাদনে বড় ঝুঁকি ট্রাম্পের ঘোষণার পর শেয়ারবাজারে ধস, তেলের দামে উত্থান—যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা: জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ ও ‘নিরাপদ পথের’ ফি নিচ্ছে ইরান এআই বিভাজন আরও গভীর, মার্কিন সম্মেলন বয়কটের আহ্বান চীনের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ‘আক্রমণ’ বলছে এপি, টানা তিন সপ্তাহ স্থলযুদ্ধ ‘কিভাবে যে বের হইছি, উপরওয়ালা জানে’ বাসডুবির বেঁচে যাওয়া যাত্রী

চীনে বিয়ের নতুন ঢেউ: ক্লাব, মেট্রো স্টেশন আর বরফঢাকা পাহাড়েই হচ্ছে বিয়ে

নিয়ম শিথিল, তাই ভেন্যুতে সৃজনশীলতা
জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে সরকার বিয়ের নিবন্ধনের জায়গা নিয়ে বিধিনিষেধ শিথিল করার পর চীনে তরুণদের মধ্যে এক ধরনের উৎসবমুখরতা তৈরি হয়েছে। আগে নাগরিকদের নিজ নিজ হুকৌ বা নিবন্ধিত এলাকার অফিসেই বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে হতো; এখন তারা দেশের যেকোনো শহরে গিয়ে এটা করতে পারছে। ফলে দল বেঁধে তরুণ-তরুণীরা নাইটক্লাব, রেলস্টেশন, পাহাড়ি স্কি রিসোর্ট বা পুরোনো ঐতিহাসিক স্থানে গিয়ে ছোট আকারে অনুষ্ঠান করছে, যেগুলো ছবি ও ভিডিওতে অনেক বেশি আকর্ষণীয়। বিয়ের আয়োজকরা বলছেন, আজকের ক্রেতারা বড় ভোজসভার বদলে “ব্যক্তিগত ও শেয়ারযোগ্য মুহূর্ত” চাইছে এবং তারা চায় অনুষ্ঠানটি নিজেদের পছন্দের শহর বা অনলাইন পরিচয়ের সঙ্গে মেলে। স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টিকে পর্যটন ও ইতিবাচক প্রচারণার সুযোগ হিসেবে দেখছে, তাই অনেক জায়গায় পূর্বে নিষিদ্ধ ছিল এমন ভেন্যুও এখন ভাড়া দেওয়া হচ্ছে।
জনসংখ্যা সংকটের পটভূমি
চীন এখন জন্মহার ও বিয়ের হার কমে যাওয়ার চ্যালেঞ্জের মুখে; কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী কমে গেলে অর্থনীতিও ধীর হতে পারে—এই ভয় থেকেই বিয়ে প্রক্রিয়াকে সহজ করা হয়েছে। বিশেষ করে যারা অন্য শহরে পেশাগতভাবে থাকেন, তাদের জন্য পূর্বের নিয়ম বড় বাধা ছিল; নতুন নিয়মে তারা একই শহরে থাকা সঙ্গীর সঙ্গে সহজেই পরিণয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারছেন। সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, এতে পুরো জন্মহার হঠাৎ বাড়বে না, কিন্তু “ছোট ছোট ঝামেলা” কমে গেলে অনেকে বিয়েতে আগ্রহী হবে। নতুন ধরনের বিয়ে স্থানীয় ডিজে, ফটোগ্রাফার, সজ্জাশিল্পী ও খাবার সরবরাহকারীদেরও নতুন বাজার দিয়েছে। তবে সব অনুষ্ঠান যেন শৃঙ্খলা ভেঙে না ফেলে, সে জন্য কিছু শহর অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ও শব্দের মাত্রা সীমিত করেছে। তবু ক্লাব বা মেট্রো স্টেশনে বিয়ের ছবি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে, আর সরকার যে আনন্দঘন বার্তা ছড়াতে চেয়েছিল, সেটাই বেশি লোক দেখছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভল্ট ভেঙে ফিরছে বঙ্গবন্ধুর নোট: নগদ সংকটে নীতিপরিবর্তনে বাংলাদেশ ব্যাংক

চীনে বিয়ের নতুন ঢেউ: ক্লাব, মেট্রো স্টেশন আর বরফঢাকা পাহাড়েই হচ্ছে বিয়ে

১০:৪০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

নিয়ম শিথিল, তাই ভেন্যুতে সৃজনশীলতা
জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে সরকার বিয়ের নিবন্ধনের জায়গা নিয়ে বিধিনিষেধ শিথিল করার পর চীনে তরুণদের মধ্যে এক ধরনের উৎসবমুখরতা তৈরি হয়েছে। আগে নাগরিকদের নিজ নিজ হুকৌ বা নিবন্ধিত এলাকার অফিসেই বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে হতো; এখন তারা দেশের যেকোনো শহরে গিয়ে এটা করতে পারছে। ফলে দল বেঁধে তরুণ-তরুণীরা নাইটক্লাব, রেলস্টেশন, পাহাড়ি স্কি রিসোর্ট বা পুরোনো ঐতিহাসিক স্থানে গিয়ে ছোট আকারে অনুষ্ঠান করছে, যেগুলো ছবি ও ভিডিওতে অনেক বেশি আকর্ষণীয়। বিয়ের আয়োজকরা বলছেন, আজকের ক্রেতারা বড় ভোজসভার বদলে “ব্যক্তিগত ও শেয়ারযোগ্য মুহূর্ত” চাইছে এবং তারা চায় অনুষ্ঠানটি নিজেদের পছন্দের শহর বা অনলাইন পরিচয়ের সঙ্গে মেলে। স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টিকে পর্যটন ও ইতিবাচক প্রচারণার সুযোগ হিসেবে দেখছে, তাই অনেক জায়গায় পূর্বে নিষিদ্ধ ছিল এমন ভেন্যুও এখন ভাড়া দেওয়া হচ্ছে।
জনসংখ্যা সংকটের পটভূমি
চীন এখন জন্মহার ও বিয়ের হার কমে যাওয়ার চ্যালেঞ্জের মুখে; কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী কমে গেলে অর্থনীতিও ধীর হতে পারে—এই ভয় থেকেই বিয়ে প্রক্রিয়াকে সহজ করা হয়েছে। বিশেষ করে যারা অন্য শহরে পেশাগতভাবে থাকেন, তাদের জন্য পূর্বের নিয়ম বড় বাধা ছিল; নতুন নিয়মে তারা একই শহরে থাকা সঙ্গীর সঙ্গে সহজেই পরিণয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারছেন। সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, এতে পুরো জন্মহার হঠাৎ বাড়বে না, কিন্তু “ছোট ছোট ঝামেলা” কমে গেলে অনেকে বিয়েতে আগ্রহী হবে। নতুন ধরনের বিয়ে স্থানীয় ডিজে, ফটোগ্রাফার, সজ্জাশিল্পী ও খাবার সরবরাহকারীদেরও নতুন বাজার দিয়েছে। তবে সব অনুষ্ঠান যেন শৃঙ্খলা ভেঙে না ফেলে, সে জন্য কিছু শহর অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ও শব্দের মাত্রা সীমিত করেছে। তবু ক্লাব বা মেট্রো স্টেশনে বিয়ের ছবি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে, আর সরকার যে আনন্দঘন বার্তা ছড়াতে চেয়েছিল, সেটাই বেশি লোক দেখছে।