০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ায় ইন্দোনেশিয়ায় মূল্যস্ফীতি ৩.৩৪ শতাংশে ইন্দোনেশিয়ার উৎপাদন খাতে বড় ধাক্কা, চাহিদা কমে কারখানাগুলো সংকোচনে রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন তহবিল নাকি আইনের আড়ালে বিশেষ সুবিধা? ডানান্তারা বন্ডের বিতর্ক বিশ্বব্যবস্থার নতুন বাস্তবতা: ভূখণ্ড নয়, ক্ষমতার জালেই টিকে আছে মার্কিন আধিপত্য ১২ লাখ ৭০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের আয়ের বিস্ফোরণ! হোয়াইট হাউসে ফিরেই নজিরবিহীন ব্যবসায়িক লাভ নিয়ে নতুন বিতর্ক ‘এখন ক্ষমতা আছে, গ্রেফতার দেখান, আমরাও শেষ দেখে নেবো’—আদালতে মাসুদ উদ্দিনের মন্তব্যের অভিযোগ সত্যের বিচারক কে? ভুয়া তথ্য দমনের নামে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নতুন সংকট বিশ্বরাজনীতির বিশৃঙ্খলা আসলে দীর্ঘ ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ইরানের নতুন পারমাণবিক চুক্তির সামনে সবচেয়ে বড় বাধা পুরোনো অবিশ্বাস

চীনে বিয়ের নতুন ঢেউ: ক্লাব, মেট্রো স্টেশন আর বরফঢাকা পাহাড়েই হচ্ছে বিয়ে

নিয়ম শিথিল, তাই ভেন্যুতে সৃজনশীলতা
জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে সরকার বিয়ের নিবন্ধনের জায়গা নিয়ে বিধিনিষেধ শিথিল করার পর চীনে তরুণদের মধ্যে এক ধরনের উৎসবমুখরতা তৈরি হয়েছে। আগে নাগরিকদের নিজ নিজ হুকৌ বা নিবন্ধিত এলাকার অফিসেই বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে হতো; এখন তারা দেশের যেকোনো শহরে গিয়ে এটা করতে পারছে। ফলে দল বেঁধে তরুণ-তরুণীরা নাইটক্লাব, রেলস্টেশন, পাহাড়ি স্কি রিসোর্ট বা পুরোনো ঐতিহাসিক স্থানে গিয়ে ছোট আকারে অনুষ্ঠান করছে, যেগুলো ছবি ও ভিডিওতে অনেক বেশি আকর্ষণীয়। বিয়ের আয়োজকরা বলছেন, আজকের ক্রেতারা বড় ভোজসভার বদলে “ব্যক্তিগত ও শেয়ারযোগ্য মুহূর্ত” চাইছে এবং তারা চায় অনুষ্ঠানটি নিজেদের পছন্দের শহর বা অনলাইন পরিচয়ের সঙ্গে মেলে। স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টিকে পর্যটন ও ইতিবাচক প্রচারণার সুযোগ হিসেবে দেখছে, তাই অনেক জায়গায় পূর্বে নিষিদ্ধ ছিল এমন ভেন্যুও এখন ভাড়া দেওয়া হচ্ছে।
জনসংখ্যা সংকটের পটভূমি
চীন এখন জন্মহার ও বিয়ের হার কমে যাওয়ার চ্যালেঞ্জের মুখে; কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী কমে গেলে অর্থনীতিও ধীর হতে পারে—এই ভয় থেকেই বিয়ে প্রক্রিয়াকে সহজ করা হয়েছে। বিশেষ করে যারা অন্য শহরে পেশাগতভাবে থাকেন, তাদের জন্য পূর্বের নিয়ম বড় বাধা ছিল; নতুন নিয়মে তারা একই শহরে থাকা সঙ্গীর সঙ্গে সহজেই পরিণয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারছেন। সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, এতে পুরো জন্মহার হঠাৎ বাড়বে না, কিন্তু “ছোট ছোট ঝামেলা” কমে গেলে অনেকে বিয়েতে আগ্রহী হবে। নতুন ধরনের বিয়ে স্থানীয় ডিজে, ফটোগ্রাফার, সজ্জাশিল্পী ও খাবার সরবরাহকারীদেরও নতুন বাজার দিয়েছে। তবে সব অনুষ্ঠান যেন শৃঙ্খলা ভেঙে না ফেলে, সে জন্য কিছু শহর অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ও শব্দের মাত্রা সীমিত করেছে। তবু ক্লাব বা মেট্রো স্টেশনে বিয়ের ছবি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে, আর সরকার যে আনন্দঘন বার্তা ছড়াতে চেয়েছিল, সেটাই বেশি লোক দেখছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ায় ইন্দোনেশিয়ায় মূল্যস্ফীতি ৩.৩৪ শতাংশে

চীনে বিয়ের নতুন ঢেউ: ক্লাব, মেট্রো স্টেশন আর বরফঢাকা পাহাড়েই হচ্ছে বিয়ে

১০:৪০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

নিয়ম শিথিল, তাই ভেন্যুতে সৃজনশীলতা
জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে সরকার বিয়ের নিবন্ধনের জায়গা নিয়ে বিধিনিষেধ শিথিল করার পর চীনে তরুণদের মধ্যে এক ধরনের উৎসবমুখরতা তৈরি হয়েছে। আগে নাগরিকদের নিজ নিজ হুকৌ বা নিবন্ধিত এলাকার অফিসেই বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে হতো; এখন তারা দেশের যেকোনো শহরে গিয়ে এটা করতে পারছে। ফলে দল বেঁধে তরুণ-তরুণীরা নাইটক্লাব, রেলস্টেশন, পাহাড়ি স্কি রিসোর্ট বা পুরোনো ঐতিহাসিক স্থানে গিয়ে ছোট আকারে অনুষ্ঠান করছে, যেগুলো ছবি ও ভিডিওতে অনেক বেশি আকর্ষণীয়। বিয়ের আয়োজকরা বলছেন, আজকের ক্রেতারা বড় ভোজসভার বদলে “ব্যক্তিগত ও শেয়ারযোগ্য মুহূর্ত” চাইছে এবং তারা চায় অনুষ্ঠানটি নিজেদের পছন্দের শহর বা অনলাইন পরিচয়ের সঙ্গে মেলে। স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টিকে পর্যটন ও ইতিবাচক প্রচারণার সুযোগ হিসেবে দেখছে, তাই অনেক জায়গায় পূর্বে নিষিদ্ধ ছিল এমন ভেন্যুও এখন ভাড়া দেওয়া হচ্ছে।
জনসংখ্যা সংকটের পটভূমি
চীন এখন জন্মহার ও বিয়ের হার কমে যাওয়ার চ্যালেঞ্জের মুখে; কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী কমে গেলে অর্থনীতিও ধীর হতে পারে—এই ভয় থেকেই বিয়ে প্রক্রিয়াকে সহজ করা হয়েছে। বিশেষ করে যারা অন্য শহরে পেশাগতভাবে থাকেন, তাদের জন্য পূর্বের নিয়ম বড় বাধা ছিল; নতুন নিয়মে তারা একই শহরে থাকা সঙ্গীর সঙ্গে সহজেই পরিণয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারছেন। সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, এতে পুরো জন্মহার হঠাৎ বাড়বে না, কিন্তু “ছোট ছোট ঝামেলা” কমে গেলে অনেকে বিয়েতে আগ্রহী হবে। নতুন ধরনের বিয়ে স্থানীয় ডিজে, ফটোগ্রাফার, সজ্জাশিল্পী ও খাবার সরবরাহকারীদেরও নতুন বাজার দিয়েছে। তবে সব অনুষ্ঠান যেন শৃঙ্খলা ভেঙে না ফেলে, সে জন্য কিছু শহর অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ও শব্দের মাত্রা সীমিত করেছে। তবু ক্লাব বা মেট্রো স্টেশনে বিয়ের ছবি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে, আর সরকার যে আনন্দঘন বার্তা ছড়াতে চেয়েছিল, সেটাই বেশি লোক দেখছে।