০৪:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
সাগর-রুনি হত্যা: তদন্তে আরও ৬ মাস সময় দিল হাইকোর্ট, ১৪ বছরেও নেই চার্জশিট বৃষ্টি-ঝড়ের আভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ—আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস গাজীপুরে বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার, বড় ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ক্যামেরায় বন্দি করা রঘু রাই আর নেই: ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই শেষে কিংবদন্তির বিদায় সহজ ভ্যাট–শুল্কই ন্যায্য বাজারের চাবিকাঠি মাইকেল জ্যাকসনকে ভালোবাসা কি এখনও সম্ভব? দুর্নীতি-সহিংসতায় বিজেপি ও তৃণমূল একই মুদ্রার দুই পিঠ: রাহুল গান্ধীর তীব্র আক্রমণ ঝুঁকিপূর্ণ জীবন, তবু স্বাভাবিক থাকার বার্তা ট্রাম্পের ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা, সন্দেহভাজন আটক পৃথিবীর সবচেয়ে গোপন ও নিষিদ্ধ স্থানগুলো: কেন বিজ্ঞানীরা এসব জায়গা লুকিয়ে রেখেছেন

ইউরোপে গ্যাসের দাম স্থিতিশীল—স্বস্তি আছে, ঝুঁকিও আছে

মজুত ভরা, চাহিদা কম—বাজারে শান্ত ভাব

ইউরোপের গ্যাসবাজারে শুক্রবার দাম সামান্য কমলেও সামগ্রিকভাবে তা এখনো সীমিত রেঞ্জের মধ্যেই রয়েছে। শীত শুরুর আগেই গুদামে উল্লেখযোগ্য মজুত থাকায় বাজারে হঠাৎ লাফিয়ে ওঠার মতো পরিস্থিতি দেখা যায়নি। শিল্প উৎপাদনের গতি কম থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্যাস ব্যবহার তুলনামূলকভাবে নরম। এই শান্ত সময়কে কাজে লাগিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন ইউটিলিটি কোম্পানি আগাম শীতের জন্য নতুন হেজিং চুক্তি করছে।

নীতিনির্ধারকদের চাপ কিছুটা কমেছে

মহাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখনো মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়ছে, আর গ্যাসের দাম তাদের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্তমানে দামের স্থিতিশীলতার কারণে সুদের হার ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কিছুটা জায়গা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দেশগুলো ঘরবাড়িতে ইনসুলেশন, স্মার্ট গ্রিড ও হিট পাম্পে ভর্তুকি বাড়িয়ে ভবিষ্যতের ঝুঁকি কমাতে চাইছে।

সাধারণ গৃহস্থের বিল দ্রুত কমবে না, কারণ অনেকেই এখনো পুরোনো স্থির দামের চুক্তিতে আবদ্ধ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে এখনই ঘরবাড়ির জ্বালানি সাশ্রয়ী সংস্কার করলে পরের শীতের ধাক্কা অনেকটাই সামাল দেওয়া যাবে। সার্বিকভাবে—ইউরোপ প্রস্তুত আগের চেয়ে ভালো, কিন্তু ঝুঁকি একেবারে শেষ হয়নি।

সাগর-রুনি হত্যা: তদন্তে আরও ৬ মাস সময় দিল হাইকোর্ট, ১৪ বছরেও নেই চার্জশিট

ইউরোপে গ্যাসের দাম স্থিতিশীল—স্বস্তি আছে, ঝুঁকিও আছে

০৫:৪২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

মজুত ভরা, চাহিদা কম—বাজারে শান্ত ভাব

ইউরোপের গ্যাসবাজারে শুক্রবার দাম সামান্য কমলেও সামগ্রিকভাবে তা এখনো সীমিত রেঞ্জের মধ্যেই রয়েছে। শীত শুরুর আগেই গুদামে উল্লেখযোগ্য মজুত থাকায় বাজারে হঠাৎ লাফিয়ে ওঠার মতো পরিস্থিতি দেখা যায়নি। শিল্প উৎপাদনের গতি কম থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্যাস ব্যবহার তুলনামূলকভাবে নরম। এই শান্ত সময়কে কাজে লাগিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন ইউটিলিটি কোম্পানি আগাম শীতের জন্য নতুন হেজিং চুক্তি করছে।

নীতিনির্ধারকদের চাপ কিছুটা কমেছে

মহাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখনো মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়ছে, আর গ্যাসের দাম তাদের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্তমানে দামের স্থিতিশীলতার কারণে সুদের হার ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কিছুটা জায়গা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দেশগুলো ঘরবাড়িতে ইনসুলেশন, স্মার্ট গ্রিড ও হিট পাম্পে ভর্তুকি বাড়িয়ে ভবিষ্যতের ঝুঁকি কমাতে চাইছে।

সাধারণ গৃহস্থের বিল দ্রুত কমবে না, কারণ অনেকেই এখনো পুরোনো স্থির দামের চুক্তিতে আবদ্ধ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে এখনই ঘরবাড়ির জ্বালানি সাশ্রয়ী সংস্কার করলে পরের শীতের ধাক্কা অনেকটাই সামাল দেওয়া যাবে। সার্বিকভাবে—ইউরোপ প্রস্তুত আগের চেয়ে ভালো, কিন্তু ঝুঁকি একেবারে শেষ হয়নি।