১১:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬
পুলিশ-আদালতের একের পর এক ব্যর্থতায় সিরিয়াল যৌন অপরাধীর হাতে প্রাণ গেল দুই নারীর নিরাপত্তা পেলে দেশে ফিরতে প্রস্তুত সাকিব, মুখোমুখি হবেন বিচার প্রক্রিয়ার ইউরোপে নতুন জলবোমারু বিমান তৈরির দৌড়, দাবানল মোকাবিলায় বড় প্রস্তুতি হাসিনাকে ঘিরে ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বাণিজ্য জগতে বড় ধাক্কা, বিপাকে হাজারো ছোট ব্যবসা মানব বিবর্তনের ৮ কোটি ৫০ লাখ বছরের ইতিহাস মালয়েশিয়ার ডানমুখী রাজনৈতিক মোড়: কেন উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত আসিয়ানের ইউরোপে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা, ন্যাটোকে সীমিত হামলায় পরীক্ষা করতে পারেন পুতিন আকাশযুদ্ধের কিংবদন্তি ল্যাঙ্কাস্টার: ভুল পরিকল্পনা থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ বোমারু বিমানের উত্থান ‘প্যানজার’ ভেবে ভুল, আসলে ছিল যুদ্ধ-পরবর্তী প্যাটন ট্যাংক

 যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারত ৯৩ মিলিয়ন ডলারের অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক সিস্টেম ও এক্সক্যালিবার গোলাবারুদ কিনছে

যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে জ্যাভেলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং এক্সক্যালিবার নির্দেশিত আর্টিলারি গোলাবারুদ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এই অস্ত্রচুক্তির মোট মূল্য প্রায় ৯৩ মিলিয়ন ডলার। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স সিকিউরিটি কোঅপারেশন এজেন্সি (DSCA) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আগস্টে দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের পণ্যের ওপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করেছিলেন। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার ‘শাস্তি’ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এই চুক্তি সেই উত্তেজনার পর ‘ফরেন মিলিটারি সেলস (FMS)’ কর্মসূচির আওতায় ভারতের প্রথম ক্রয়। চলতি মাসেই ভারত দেশীয় যুদ্ধবিমান তেজসের নতুন বহরের জন্য জেনারেল ইলেকট্রিক নির্মিত ফাইটার জেট ইঞ্জিন পুনরায় অর্ডার করে, যা দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ধারাবাহিকতাকে আরও স্পষ্ট করে।

Indian External Affairs Minister S. Jaishankar meets with U.S. Secretary of State Marco Rubio in New York

DSCA জানায়, এই প্রস্তাবিত বিক্রয় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা লক্ষ্যকে এগিয়ে নেবে। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্র-ভারত কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং ইন্দো-প্যাসিফিক ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শান্তি ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সুদৃঢ় করবে।

ভারতের আগেই এম-৭৭৭ হাউইটজার কামানে এক্সক্যালিবার গোলাবারুদ ব্যবহার হচ্ছে, ফলে নতুন সরঞ্জামগুলো সেই সক্ষমতাকে আরও উন্নত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারত সর্বোচ্চ ২১৬টি এক্সক্যালিবার ট্যাকটিক্যাল প্রজেক্টাইল এবং ১০০ ইউনিট জ্যাভেলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক সিস্টেম কেনার অনুরোধ জানিয়েছে।

এই বিক্রির প্রধান ঠিকাদার হিসেবে থাকবে আরটিএক্স কর্পোরেশন, যারা এক্সক্যালিবার গোলাবারুদ তৈরি করে। আর জ্যাভেলিন সিস্টেম তৈরি করবে লকহিড মার্টিনের সঙ্গে কোম্পানিটির যৌথ উদ্যোগ।

 

#যুক্তরাষ্ট্র-ভারত-অস্ত্রচুক্তি  #জ্যাভেলিন-অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক  #এক্সক্যালিবার-গোলাবারুদ| প্রতিরক্ষা-সহযোগিতা  ইন্দো-প্যাসিফিক-নিরাপত্তা

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশ-আদালতের একের পর এক ব্যর্থতায় সিরিয়াল যৌন অপরাধীর হাতে প্রাণ গেল দুই নারীর

 যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারত ৯৩ মিলিয়ন ডলারের অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক সিস্টেম ও এক্সক্যালিবার গোলাবারুদ কিনছে

০৬:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে জ্যাভেলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং এক্সক্যালিবার নির্দেশিত আর্টিলারি গোলাবারুদ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এই অস্ত্রচুক্তির মোট মূল্য প্রায় ৯৩ মিলিয়ন ডলার। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স সিকিউরিটি কোঅপারেশন এজেন্সি (DSCA) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আগস্টে দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের পণ্যের ওপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করেছিলেন। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার ‘শাস্তি’ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এই চুক্তি সেই উত্তেজনার পর ‘ফরেন মিলিটারি সেলস (FMS)’ কর্মসূচির আওতায় ভারতের প্রথম ক্রয়। চলতি মাসেই ভারত দেশীয় যুদ্ধবিমান তেজসের নতুন বহরের জন্য জেনারেল ইলেকট্রিক নির্মিত ফাইটার জেট ইঞ্জিন পুনরায় অর্ডার করে, যা দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ধারাবাহিকতাকে আরও স্পষ্ট করে।

Indian External Affairs Minister S. Jaishankar meets with U.S. Secretary of State Marco Rubio in New York

DSCA জানায়, এই প্রস্তাবিত বিক্রয় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা লক্ষ্যকে এগিয়ে নেবে। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্র-ভারত কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং ইন্দো-প্যাসিফিক ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শান্তি ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সুদৃঢ় করবে।

ভারতের আগেই এম-৭৭৭ হাউইটজার কামানে এক্সক্যালিবার গোলাবারুদ ব্যবহার হচ্ছে, ফলে নতুন সরঞ্জামগুলো সেই সক্ষমতাকে আরও উন্নত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারত সর্বোচ্চ ২১৬টি এক্সক্যালিবার ট্যাকটিক্যাল প্রজেক্টাইল এবং ১০০ ইউনিট জ্যাভেলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক সিস্টেম কেনার অনুরোধ জানিয়েছে।

এই বিক্রির প্রধান ঠিকাদার হিসেবে থাকবে আরটিএক্স কর্পোরেশন, যারা এক্সক্যালিবার গোলাবারুদ তৈরি করে। আর জ্যাভেলিন সিস্টেম তৈরি করবে লকহিড মার্টিনের সঙ্গে কোম্পানিটির যৌথ উদ্যোগ।

 

#যুক্তরাষ্ট্র-ভারত-অস্ত্রচুক্তি  #জ্যাভেলিন-অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক  #এক্সক্যালিবার-গোলাবারুদ| প্রতিরক্ষা-সহযোগিতা  ইন্দো-প্যাসিফিক-নিরাপত্তা